somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শাহজাহান ইংরেজদের বাংলায় GSP সুবিধা দেন!

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৯:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আসুন একটু ফ্লাশব্যাকে যাই!

১৬৪৪ সালে মোঘল সম্রাট শাহজাহান ইংরেজদের বাংলায় বিনাশুল্কে বানিজ্য করার অনুমতি দেন!
আজ আমাদের অবস্থা দেখুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জি এস পি সুবিধা বাতিল করলে আমরা হাহাকার করে উঠি!
সেই ইংরেজরা আজ আমাদের আবার জি এস পি বাতিলের হুমকি দিতে পারে!

প্রকৃত অবস্থা হল যে, একটি জাতিকে ধংস করতে হলে যদি সম্মুখ সমরে ব্যর্থ হও তাহলে তার সামাজিক সাংস্কৃতিক দিকে আক্রমন চালাও। তার ইতিহাসকে মন মগজ থেকে ভুলিয়ে দাও। এমনি ভাবেই মুসলিম জাতিকে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত সচেতন ভাবেই আমরা আজও সেই ব্যার্থতাকে কাটিয়ে উঠতে পারিনি। আজও আমরা ইতিহাস পড়ায় গুরুত্ব দিতে পারছিনা! ইউনিভার্সিটিতে যে ছেলেটি ইতিহাস পড়ে সে সবসময় মনঃকষ্টে ভোগে। কিন্তু সেই ছাত্রটিই হতে পারে একটি জাতির কান্ডারী!

আমরা আজ সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি যে জায়গা থেকে আর একটু পরে মৃত্যু এমন নয়, বরং আজ আমরা জাতি হিসেবে পুরোপুরিই মৃত! আজ যারা ব্যাবসা বানিজ্য অরে দেশে বিদেশে নাম কামাচ্ছে তারা আসলে কার জন্য করছে! বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম শপিং মল বাংলাদেশ কিন্তু কার জন্য কার দায়ে! সত্যিই কি বাংলাদেশে এটা কোন দরকার ছিল? বা এদেশে এটা মানানসই? আজ যদি এই একই কর্তৃপক্ষ যমুনা ফিউচার পার্ক না করে টাটার মত গাড়ি তৈরীর কারখানা করে সে গাড়ি বিদেশে রপ্তানী করে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা আমদানীর ব্যাবস্থা করতো, তাহলে তাকে সাধুবাদ জানানো ছিল আমাদের নৈতিক দায়িত্ব! কিন্তু এসব কার জন্য ! সুইস ব্যাঙ্কের একাউন্ট ফুলে ফেপে উপচে পড়ে! কিন্তু তবু এদের আরো চাই! আরো চাই!

আবার ফিরে যাচ্ছি সেই ইতিহাসে, স্যার মুহাম্মদ ইকবাল বলেছিলেন, "নিশ্চিত্রূপে আমরা হিন্দুদের ছাড়িয়ে গেছি। আমরা দ্বিগুন বর্নপ্রথার রোগে আক্রান্ত- ধর্মীয় বর্নপ্রথা, ফের্কা-উপফের্কা এবং সামাজিক বর্নপ্রথা, যা আমরা হিন্দুদের থেকে পেয়েছি। যেসব নীরব পন্থায় বিজিতরা বিজেতাদের উপরে প্রতিশোধ গ্রহন করে এ হল তার একটি"
তাই আসুন আজ আবারো বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাড়াবার জন্য ইতিহাস বেশী করে অধ্যায়ন করে এখান থেকে শিক্ষাগ্রহন করে জাতীয় জীবনকে আলোকিত করে তুলি! অনৈক্যের ভাষা বাদ দিয়ে ঐক্যের ভাষা গ্রহন করে সামনে এগিয়ে যাই!
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মুমূর্ষু কবিতা

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১১



আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ এসেছে শরৎ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১



শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।

ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ। 

স্নিগ্ধ  বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×