somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সানবীর খাঁন অরন্য রাইডার
আঁচলের ঘ্রাণে বিমোহিত হতে মনে প্রেম থাকা লাগে। চুলের গন্ধ নিতে দুহাত বাড়িয়ে দেয়া লাগে। হাহাকার থাকা লাগে। দুনিয়া ছারখার হওয়া লাগে। সবাই আত্মা স্পর্শ করতে পারে না।আমার সমস্ত হাহাকার ছারখারে তুমি মিশে আছো।

(উৎসর্গঃ তোমরা যারা পাকিস্তান কর)

২৪ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হঠাৎ কিছু একটা মজার ঘটনা দেখলাম।

আফ্রিদিকে নিয়ে একটা লেখায় ১৯৯৭ সালে জন্ম নেয়া এক ছেলে কমেন্ট করেছে (কিশোর বলা উচিত)। এই বিশেষ কমেন্টটা বাংলিশ থেকে কনভার্ট করলাম। প্রতিদিনই এরকম কত ছাগলের বাচ্চাদের খেউর নাচ দেখি। তবে এইখানে এসে ঘটনা অন্যদিকে মোড় নিলো। কমেন্টটা এরকম-

"pakistan valo khelle cricket e support korte ki pap?? Pakistani rajnitibid der proti ghrina thakte pare, but Pakistaner onek manush valo. Hamid mir er nam sunchen?? ei pakistani loktar bapke muktijuddher bisoye sommanona diche Bangladesh. Afridi ki 1971 e Pakistan support dicilo?? apnar kothata onekta emon sunaiteche je 200 bochor englishra amader ottachar korche, tahole asun British der ghrina kori.. koi?? apni english poren na?? Englishder koi din kuttar baccha dakchen??"

বাংলানুবাদ করলে দাঁড়ায়-

১) ভালো খেললে সাপোর্ট করতে কি পাপ ?
২) হামিদ মীরের নাম শুনেছি কি না ? (:P :P)
৩)আফ্রিদি কি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে ছিলো ?
৪) ব্রিটিশরা ২০০ বছর আমাদের শোষণ করেছে... ইংরেজি পড়ি কেন ?
৫)ইংলিশদের কয়দিন কুত্তার বাচ্চা বলেছি ?

মজার ব্যাপার হচ্ছে ছাগুরা একটা চিন্তার সার্কেলে পাক খেতে থাকে। এ ধরনের প্রশ্নের সাথে আমরা এতটা পরিচিত যে যারা আমাদের লেখা নিয়মিত পড়েন তারা জানেন এই প্রতিটা প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর কোন না কোন সময় দেয়া হয়েছে। একদম ধরে ধরে প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে সবিস্তরে। এখন আমাদের কাজও সহজ; শুধু আগের লেখা কপি পেস্ট করলেই হতো।

কিন্তু অনলাইনে ঢুকে দেখি মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী মোহাম্মদ আব্দুল হালিম স্যার আমার কমেন্ট অপশনে এসে নিজে থেকেই এই ছেলের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেলেন। গর্বে বুকটা ভরে উঠলো। দেশ স্বাধীন করার কাজটা করে দিয়ে যাওয়ার পর আজও তারা সেই চেতনাকে সেই ভাবেই ধরে রেখেছেন। এখনো আমাদের পথ দেখাচ্ছেন। আবার খারাপও লাগলো এইসব অভাগা বেয়াদব ছেলেগুলার জন্য। এখনো এই ছেলে বেয়াদবের মত বাংলা ইংরেজি মিশিয়ে অবোধ্য ভাষায় কমেন্ট করেই চলেছে... করেই চলেছে...
এদের সামনে পাকিস্তানিরা যদি তাদের মা আর বোনকে একত্রে ধর্ষণ করে হত্যা করতো তাহলেও সম্ভবত এরা আফ্রিদির ক্রিকেট নৈপুণ্যের প্রশংসা করে চাঁদ-তারা মাখা পতাকা মাথায় বেঁধে মা-বোনের দাফনের কাজ করতো।
সেই ছেলের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের দেয়া কমেন্ট দুটো নিচে জুড়ে দিলাম-
"ব্রিটিশরা ভাল কাজটা করে নাই, কিন্তু তারা তো আর পাকিদের মতো ধর্ষণ, গণহত্যা করে নাই! নাকি করেছে? ব্রিটিশদের হাতে দুইশবছর শাসনভার ছিল তার ত্রিশ হাজার বাংলাদেশিও বোধহয় মারেনি। আর নয় মাসে ত্রিশলক্ষ এই জানোয়ারেরা মেরেছে। ভাবা যায়। শুয়োরের জন্মে শুয়োর হয়, আফ্রিদি ঐসময় জন্ম নেয়নি ঠিক, কিন্তু ধর্ষকের সন্তান ভাল হয় কি করে? ওদের এই প্রজন্ম কি আর বাঙালীদের গালি দেবে না? ওরা তো এখনো এই চাষাভূষাদের হিন্দু, হারামী, ধর্ষিতা বলে গালি দেয়। তাহমিদ হোসেন, একাত্তরে তোর থেকে ছোট থাকতেই যুদ্ধ করেছি। তোদের মতো অসুস্থ প্রজন্মদের চিন্তাভাবনা দেখলেই বোঝা যায়,এখন একটা যুদ্ধ বাজলে প্রান বাচাতে দালালী করবি নয়তো রিফিউজি হবি। ফার্মের মুরগী তো আর পাকিদের আশীর্বাদপ্রাপ্ত তোরা। যারা ক্ষমা চায় নি এত বড় গনহত্যা করে তার ছেলে নাতিদের বিরুদ্ধাচারণ করলে এতো লাগে কেন তোর? মেছো, মালাউন, ধর্ষিতা বাঙালি বলে তোদেরকে ওদের নতুন প্রজন্ম তখন লাগে না? সত্যি কথা বল তোর বাপ দাদার কে রাজাকার ছিল? রাজাকারের ছেলে নাতিপুতিদের এসব কথা লাগে। পাইক্যাদের সন্তানদের যেমন লাগে, রাজাকারের সন্তানদেরও লাগে। গোলাম আযমের ছেলে কি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রজন্ম হয়?"
হামিদ মীরকে চিনি কি না সেই সম্পর্কে তিনি উত্তর দিয়ে লিখেছেন-
"এত তথ্য দিয়ে যে একটা স্ট্যাটাস লিখতে পারে, তাকে মীর হামিদকে চেনে কিনা প্রশ্ন করা পিতাকে তার সন্তানের নাম জিগ্যেস করার মতো হয়ে গেল না? দুই একটা জ্ঞান সর্বত্র না ছড়ালেই ভাল। আর তাকে তুলে এনে কি প্রমান করতে চাইছো। পাঁচ কোটির পাকিস্তানীর মধ্যে দুই একটা মানবতার পক্ষে থাকাটা তুলে ধরার বিষয় না। শত শত আযম, সাঈদী, কাদের, সাকারাও তো একাত্তরের পক্ষে ছিল, তাদের পোলাপাইনও ঐদিকে আছে। পাকি ক্রিকেটাররা ভাল খেললে তাদের সাপোর্ট করার সংবিধান স্বীকৃতি তো তারাই যায়। কিন্তু বেজন্মারা জানে না একজন সাচ্চা পাকিস্তানি জীবনেও বাংলাদেশ তো দূরে থাক কোনো মুসলিম ক্রিকেট খেলা দেশ ভাল করলেও তাদের এতটুকু প্রশংসা করবে না। তারা নিজেদের জন্ম ও জাতীয়তার ব্যাপারে আপোসহীন ও সাচ্চা। বাঙ্গালী সাচ্চা হবে তা আশা করাও ভুল, কেননা দালালগুলো পোলাপাইন পয়দা করছে, আর ধর্ষণ হওয়া নারীরাও কিছু বেজন্মাদের জন্ম দিয়ে দিছে, যাদের বাপ পাকিস্তানে। মুসলমান হলেও পাক বাপদের চুষতে হবে। বাঙালী শালার বেজন্মাই রয়ে গেল।"
মন্তব্য দুটো এত স্পেসিফিক আর অসাধারণ হয়েছে যে আমার নিজের উত্তর গুলোও এতোটা টু দ্যা পয়েন্ট হতো না। তারপরেও এই অভদ্র ছেলে পাল্টা মন্তব্য করেই চলেছে। শুনলাম বীরাঙ্গনা প্রিয়ভাষিণী নাকি এয়ারপোর্টে যাবেন আমাদের মহিলা দলকে প্ল্যাকার্ড দেখাতে-
"পাকিস্তানের রক্ষিতা
পাকিস্তানে ফিরে যা..."
আসলে মুক্তিযোদ্ধারা, বীরাঙ্গনারা ঠিকই তাদের অবস্থান ধরে রেখেছেন। নষ্ট হয়েছি আমরা, পচন ধরেছে আমাদের মগজে। পাকিস্তানকে ঘৃণা করার জন্য ব্রিটেন-আফগানিস্তান-হনুলুলুর উদাহরণ টানতে হয়। সর্বনিম্ন সময়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম গনহত্যা সংগঠনকারী রাষ্ট্রকে অস্বীকার করতে যুক্তি দিতে হয়। এ লজ্জা আমাদের...
মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী মোহাম্মদ আব্দুল হালিম-এর ভাষায় বলতে হয়-
"বাঙালী শালার বেজন্মাই রয়ে গেলো..."
যেসব কারনে পাকিস্তান টীম সাপোর্ট করা বাংলাদেশীদের জন্য হারাম…
(উৎসর্গঃ তোমরা যারা পাকিস্তান কর)
## অরুন নন্দী নামের চাদপুরের এক সাতারু ১৯৭১ সালের ৮ অক্টোবর বিশ্ববিখ্যাত বাঙ্গালী সাতারু ব্রজেন দাশের তত্ত্বাবধানে কলকাতা কলেজ স্কোয়ারের পুকুরে সাতার কাটতে নামেন। তার উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনসমর্থন আদায়। ৯০ ঘন্টা ৫ মিনিট সাতার কেটে তিনি বি.সি মোরের ৮৮ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট একটানা সাতার কাটার রেকর্ড ভেঙ্গে দেন।
হ্য ভাইয়া, সেদিন থেকে নির্দিষ্ট হয়ে গেছে, বাংলাদেশী খেলোয়াররা যেহেতু বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের যোদ্ধা তার মানে পাকিস্তানী খেলোয়াররাও পাকযোদ্ধা।
## পাকিস্তান আমলে গানস অ্যান্ড মুর ব্যাটে জয় বাংলা লেখা ও স্বাধীন বাংলার মানচিত্র আঁকা স্টিকার নিয়ে খেলতে নেমেছিলেন রকিবুল হাসান। এর ফলশ্রুতিতে মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই রাকিবুল হাসানের নামে পাকবাহিনী হুলিয়া জারি করেছিল।
হ্য ভাইয়া, একজন খেলোয়ারকেও তারা ছাড়েনি। আমরা কেন খেলাকে জাতীয় জীবন ও রাজনীতি থেকে আলাদা করবো?
## পাকিস্তানী সাবেক অধিনায়ক ইমরান খান বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত কাদের মোল্লার ফাসির পরে তার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন, কাদের মোল্লাকে নির্দোষ দাবি করেছেন।
হ্য ভাইয়া, পাকিস্তানী খেলোয়ার মানেই পকবাহিনী ও রাজাকারের ভাই-ব্রাদার। তাদের পক্ষ নেয়া আর পাকবাহীনির পক্ষে নেয়া আলাদা কিছু না।
## ১৯৭১ সালের এপ্রিলের দিকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সাবেক এমপি মাইকেল বার্ন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বর্বর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পাকিস্তান ক্রিকেট টিমের ব্রিটেনে আসা আটকে দেন ।
হ্য ভাইয়া, ব্রিটিশ এমপিও বুঝে গিয়েছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অত্যাচারের দায়ভার পাকি ক্রিকেটের ওপরেও বর্তায়, আমরাই শুধু বুঝিনা!
## অনেক বাঙ্গালী মেয়েই ষ্টেডিয়ামে পাকি জার্সী গায়ে দিয়ে “ম্যরী মী আফ্রিদী” লেখা প্ল্যকার্ড হাতে ঘুরে বেড়ায়, কিন্তু একটা পাকি মেয়েকেও দেখবেন না ম্যরী মী সাকিব লিখে ঘুরেছে। অথচ সাকিব বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার এবং দেখতে শুনতেও অনেক বেশি স্মার্ট ও কিউট।
হ্য ভাইয়া, আপনারা জাতশত্রুর পা চেটে তার ভাই হতে পারবেন না, পোষা কুকুরের মতই গন্য হবেন।
## আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির নাম পাকিস্তান, পাকি ক্রিকেট টীমের নামের শুরুতেও পাকিস্তান শব্দটা আছে। এটাই কি পাকি টীম ঘৃনা করতে অনেক বড় ও যুক্তিসঙ্গত কারন নয়?
হ্য ভাইয়া, আমার কাছে এটাই যথেষ্ট কারন


তথ্য সহায়তা-আরিফ রহমান
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:২৯
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্য ৭-গ্রেডভিত্তিক ন্যায়সংগত সরকারি বেতন ও প্রশাসনিক সংস্কার একটি প্রস্তাবিত নীতিপত্র

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


ন্যায়সংগত পারিশ্রমিক, বেতন বৈষম্য হ্রাস, মেধার মূল্যায়ন এবং দক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠার একটি সমন্বিত প্রস্তাব

বাংলাদেশের সরকারি বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে ২০টি গ্রেডের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভেবেছিলাম দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুlie ২৪ আন্দোলন পরবর্তী বৈষম্যহীন বাংলায় (যেহেতু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই), বেসরকারী ও সরকারী কর্মজীবীর জীবন...

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২১

/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?

/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ যখন মানুষটা চলে যায়

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩




স্ত্রী বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর মানুষের মাথায় কী কী চিন্তা আসে আমি জানি না। কেউ হয়তো প্রথমে রাগ করে। কেউ ভেঙে পড়ে। কেউ সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় এত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২


নতুন পে স্কেল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেতন কত বাড়বে এবং নতুন কাঠামো বাস্তবে কেমন হবে, এসব প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। নতুন বেতন কাঠামোয় ১ থেকে ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ অদৃশ্য পাতায় লেখা ছিল যে

লিখেছেন সামিয়া, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২১



আমি একটা বায়িং হাউসে চাকরি করতাম। তখন জীবনটা খুব সাধারণ ছিল। সকালবেলা অফিস, সারাদিন কাজের চাপ, সন্ধ্যায় বাসায় ফেরা। ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বিয়ে নিয়ে তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×