somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সানবীর খাঁন অরন্য রাইডার
আঁচলের ঘ্রাণে বিমোহিত হতে মনে প্রেম থাকা লাগে। চুলের গন্ধ নিতে দুহাত বাড়িয়ে দেয়া লাগে। হাহাকার থাকা লাগে। দুনিয়া ছারখার হওয়া লাগে। সবাই আত্মা স্পর্শ করতে পারে না।আমার সমস্ত হাহাকার ছারখারে তুমি মিশে আছো।

প্রেমপত্র-৬৯

১৫ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ২:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাজকুমারী
আমি অনেক গুলো রাতে তোমার চোখে জ্যোৎস্না দেখতে চাই ! তুমি কি আমার মুগ্ধতা হবে ?আমি অনেকগুলো পূর্নিমা রাত তোমাকে জাপটে ধরে সমূদ্র গর্জন শুনতে চাই,তুমি কি আমার হৃদয়ে জলচ্ছাস হবে।
আমি অনেক গুলো ভোরের প্রথম আলো তোমার চোখে দেখতে চাই !
তুমি কি আমার আলো হবে ?
আচ্ছা থাক, এতোই কিছু হতে হবেনা, তুমি শুধু একজনমে এই ছন্নছাড়া মেঘ বালকটার মেঘবালিকা হইয়ো।আমার প্রার্থনায়,সকল ইবাদতে,সকল চাওয়ার ও সকল প্রেরনায় তুমি মিশে আছো আমার মায়াবতী।
তুমি জেনে নিও,
আমার ভালোবাসাকে যদি তুমি অবহেলা কর, তবে পৃথিবী থেকে ভালবাসা উঠে যাবে।আর কোন ছেলে'ভালোবাসি' বলবে না কোন মেয়েকে,কোন মেয়ে চোখ তুলে তাকাবে না কোন ছেলের দিকে। ডিকশনারিতে ঠাঁই হবে না 'ভালোবাসা' শব্দটির, যদি ঠাঁই না হয় তোমার বুকে আমার।তুমি যদি আমাকে প্রত্যাখ্যান কর,প্রত্যাখ্যাত হবে নজরুলের কবিতা আর রবি ঠাকুরের ছোটগল্প। কবিতাগুলো ছন্দ হারাবে আর গল্পগুলো প্রাণ যেমন তুমি হারিয়েছ আমার মুঠো মুঠো প্রেম তোমাতে।তুমি যদি আমার হাতটি না ধরো, শহীদ মিনার আর পার্কে বসা যুগল ছেড়ে দেবে এ ওর হাত।
বেইলি রোডে হেঁটে যাওয়া কপোত-কপোতী বিচ্ছিন্ন হবে নিমিষেই
দুজনের চলার পথ কখনো এক হবেন,।হারিয়ে যাবে যে যার পথে।
তুমি আমাকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর,চায়ের দোকানগুলো জনশূন্য হবে
ছোট ছোট চুমুকে যে চায়ের কাপে ঝড় উঠত তাতে ধূলো পড়ে ব্যবহারের অযোগ্য হবে সেই কাপ।বিকেলে টিএসসি হবে নিষ্প্রাণ যেখানে ছেলেমানুষি আর দুষ্টামিতে প্রাণ খুঁজে নিতো কপোত-কপোতীরা।তুমি আমাকে ধারণ না করলে,রমনার সবুজ চত্বর ধারণ করবে না কোন ফুল।
ফলের গাছগুলো চৈত্রের দুপুরের মত খাঁ খাঁ করবে, প্রকৃতি হবে বিবর্ণ
পুকুরের জল শুকোবে,ধূ ধূ মরুভূমি হবে নাটক পাড়া। তুমি আমার বিপরীতে গেলে ভয়াবহ প্রতিবাদ হবে রাস্তায় নামবে পুরো প্রেমিক জাতি।
মিছিলে মিছিলে গর্জে উঠবে দেশ ,আরেকবার বাংলার মাটিতে যুদ্ধ হবে।
শুধুমাত্র আমাকে 'না' বলার কারণে।তাই তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিওনা তার থেকে বরং এস আমরা সন্ধি করি।ভালোবাসার সন্ধি, আজীবন পাশে থাকার সন্ধি ।পুরো দেশ মাতুক আনন্দে, পুরো পৃথিবী হোক প্রেমের রাজ্য।আমাদের জীবন পরিপূর্ন হোক আমাতে-তোমাতে।
আচ্ছা দেখতো কতকাল হয়ে গেল তুমি করে কথাটা শ্রবন করিনি।কোন এক সন্ধ্যায় আথবা উদাস বিকেলে,খটখটে রোদে পুড়ে ঘামে নেয়ে একগুচ্ছ গোলাপ হাতে,এসে দাঁড়াবো তোমারই সামনে।আর বলব স্বভাব টা আমার কখনও তেমনই আছে,যে সন্তাপে পড়ে মন কাঠের চুলায় অবিরত তোমাকে দেখার পর থেকেই তা জ্বলছে অনবরত।তুমি এবার কৃপা করে একটু জল ঢেলে দাও এ মনে আমি একটু শান্তি পাই,তোমারই ভালোবাসার জল।আর যদি ঘৃনা করো তাতেও আমার যায় আসে না
আমি ভাল করেই জানি কেউ কাউকে কখনোই ঘৃণা করতে পারে না,
যতক্ষন না পর্যন্ত সে তাকে ভালোবাসে!তোমার ঘৃনাতেও লুকিয়ে থাকবে তোমারই ভালবাসা আর অবাধ্য প্রেম।
খুব জানতে ইচ্ছে যখন কোন এক শেষ বিকেলের রোদ তখনও বারান্দায়, মুখোমুখি হবো চেয়ারে আমরা দুজন। আজ থেকে ১৫ কিংবা ২০ বছর পরে এভাবেই কি তুমি এলো মেলো হবে আমার জন্য,একই অনুভুতি ঠিক আজকের মতোই কি আমাদের বেঁধে রাখবে? নাকি তার অনেক আগেই কেউ কাওকে ছেড়ে হারিয়ে যাবো? সেদিনও কি আজকের মতো আকাশে তাকিয়ে অপেক্ষা করবো? আবার কখনো কোন পৃথিবীতে দেখা হবার...আমরা কি আসলেই জানি?কি আছে কপালে জানি না তবে আমি কথা দিলাম,আজ থেকে ২০ বছর পর আমাদের ছেলেও মা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তোমাকে নিয়ে স্ট্যাটাস / ছবি দিবে।আমি আজ থেকে ২০ বছর পরে আমাদের ছেলে যখন বাইরে পড়তে যাবে তখন তার মুঠোফোনে এই এসএমএস পাঠাব যে"বাবা, আমার ও তোর জীবনে কখনোই ভাল কিছু হতো না,তোর মা যদি পাশে না থাকতো।
তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাকি জীবন আমি আর তুই তোর মাকে জড়িয়ে থাকবো"আমি তোমাকে এভাবেই ভালোবাসব।
আর মায়াবতী এই কথাটা মনে রেখো আজীবন,যতই তুমি আমাকে আবহলা কর না কেন,তোমার পরে যে মেয়েটিকে আমি ভালোবাসবো
সে তোমাকে মা বলে ডাকবে আমি কথা দিলাম।
এর পরও যদি রাজি না হও তবে ২০ বছর পর কিন্তু আমার ছেলেকে তোমার মেয়ের প্রতি লেলিয়ে দিব বলে দিচ্ছি।
প্লিজ রাজি হয়ে যাওনা একবার।
তোমার, আমি
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ২:০৭
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২


একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা
শুধু ২১ আগস্টের সেই ভয়াল গ্রেনেড হামলাই নয- বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে ১৯৮৮ সাল থেকে আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা - প্রমাণ

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:১২



ব্লগার সাহেব আমেরিকা থেকে লিখেছেন, “অমুক আসলে মুক্তিযোদ্ধা নন।”

আমি বন্ধুকে ফোন করলাম।
বললাম, “তুমি নাকি ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা?”

সে বলল, “বুঝতে পারছি না।”

“কেন?” আমি প্রশ্ন করলাম।

“১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন লা-মাযহাবিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কারণ কী ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩২


আজকে নতুন চারটি মুখ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলো। এর মধ্যে একজনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে । বলছি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকনের কথা। তিনি একজন লা মাযহাবি বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×