somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সানবীর খাঁন অরন্য রাইডার
আঁচলের ঘ্রাণে বিমোহিত হতে মনে প্রেম থাকা লাগে। চুলের গন্ধ নিতে দুহাত বাড়িয়ে দেয়া লাগে। হাহাকার থাকা লাগে। দুনিয়া ছারখার হওয়া লাগে। সবাই আত্মা স্পর্শ করতে পারে না।আমার সমস্ত হাহাকার ছারখারে তুমি মিশে আছো।

প্রেমপত্র-৭৭

০৩ রা নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেয়ে,
ভাললাগার সময়গুলো খুব দ্রুত কেটে যাচ্ছে,ধূসর হচ্ছে আমার দৃশ্যপট, প্রশ্নগুলো কোনো উত্তর খুঁজে পায়নি আজো, অলস সময়গুলো কিভাবে যেন কেটে যায়, সময়গুলো কাটে খুব ধীরে, খুবই ধীরে।তুমি কি জানো আমি আমার পৃথিবীটায় আমি খুব একা,এবং একা কারন তোমার অভাবে।অনেকদিন ঝুম বৃষ্টিতে ভেজা হয়না,হয়তো তুমি এসে আমার হাত ধরে বলবে চলো বৃষ্টিতে ভিজি,এতটুকু বলবে বলে।ইচ্ছে আছে কোনো এক ঝিরঝির বৃষ্টির দিনে পার্কের পাশে দিয়ে হাতে হাত ধরে হেটে যাবো দুজনে,তোমাকে পাইনি এখনো,সেদিন দুঃস্বপ্নে দেখি তোমায় হারিয়ে ফেলছি নাতো? যদি একসাথে হাটার পরিকল্পনা মাটি হয়ে যায় ?
হয়তো কোনো একদিন আমার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো সত্যি হবে, দূর হবে একাকীত্ব, একদিন গেয়ে উঠবে প্রানের সুর তোমার হাত ধরে, বেজে উঠবে মনের মাঝে এক উন্মাদনা।আমি শুধু,সেদিনের অপেক্ষায় আমার কবিতায় তোমাকে নিয়ে লিখি আষাঢ়ে কাব্য।
অপেক্ষার প্রহর গুনে গুনে ভাবছি আপন মনে, মেয়ে তোমাকে চাঁদের সাথে কবি তুলনা করে, তুমি জানো চাঁদের কলঙ্ক আছে, কিন্তু মিথ্যে কবি রা তাদের মিথ্যে কবিতায় তোমাকে চাঁদের সাথে উপমায় তুলনা করছে।তুমি মিথ্যে কবিতার চাঁদ নও, তুমি যেন মিথ্যে কবিতার চাঁদের স্নিগ্ধ আলোয় এক রুপসী। একজীবনে কলমের কালি শেষ হয়ে যাবে তবুও শেষ হবেনা তোমার বর্ননা।
বুঝলে পাগলী দিন শেষে সবাই দোকা হতে চায়। দোকা সবাই হতে পারেনা। দিন শেষে কেউ কেউ আমার মত একা হয়। দিনের শুরুতেও কেউ কেউ আমার মত একা হয়। একা হয়ে আল-রাজ্জাক হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে ঠান্ডা চায়ের কাপে এক জোড়া নরম অধর খোঁজে। কাপের তলায় পড়ে থাকা গলে যাওয়া অর্ধেক বিস্কুট এর মত পরে থাকে ভালোলাগা গুলো। ঠোট দিয়ে ছোয়া হয়না। তিয়াস বাড়ায়। শুন্য চোখে পুড়ে যাওয়া ত্বকে উষ্ণ একটা কোমল হাত খোজে।তুমি ছাড়া হয়তো
কেউ জানেনা। কেউ কেউ জানে পুড়ে যাওয়া ম্যাচ কাঠিটাও ভিশন রকম নিঃসঙ্গ হয়। আগুন জ্বালানো শেষে থেকে যাওয়া ধোয়া একাকীত্ত গুলো নিয়ে উড়ে যেতে পারেনা। অনেক গুলো না পাওয়ার দীর্ঘশ্বাসে একাকীত্ত গুলো অনেক ভারী হয়। বুকের বা পাশে চেপে বসে মাঝে মাঝে দম বন্ধ করে দিতে চায়। সামনে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকা রাস্তার ডিভাইডারের মত খালি পড়ে থাকে মনের ফুটপাত। দখল নিতে কেউ আসেনা। বিশাল আকারের বিলবোর্ড গুলো ফিসফিস করে বলতে থাকে. তুই একা রে পাগলা।.মানুষের ফটোকপিতে ঠাসা এই ব্যাস্ত শহরে তুই ভিশন রকম একা বাজে রকমের বেমানান।
প্রিয় কেশবতী তুমি জানো কি? এই আমি হৃদয়ে শতবার আগুন লাগাই শুধু এটাই ভেবে, যে একদিন তুমি এসে সেটা নিভিয়ে ফেলবে বলবে। তুমি কপট রাগে বলবে এই, তুমি এমন কেন?
তোমাকে খুব বলতে ইচ্ছে হয়,বলতে পারো আজন্ম সাধ এটা।শুধু একবার বলি "প্রিয়তমা আমি আজ থেকে ২০ বছর পরে আমার ছেলে যখন বাইরে পড়তে যাবে তখন তার মুঠোফোনে এই এসএমএস পাঠাব যে"বাবা, আমার ও তোর জীবনে কখনোই ভাল কিছু হতো না,তোর মা যদি পাশে না থাকতো।তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি বাকি জীবন আমি আর তুই তোর মাকে জড়িয়ে থাকবো"আমি তোমাকে এভাবেই ভালোবাসব।"বড্ড ইচ্ছে হয় ২০ বছর পরে যেন আমি একথাটা বলতে পারি।
তুমিকি বুঝতে পারো মেয়ে,অপেক্ষাও উপাসনা হয়ে যায় যখন সেটা তোমার জন্য হয়।
ইতি
একলা পথিক
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:৩১
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একান্ত ভাবনা

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪০

একবার রিয়েক্টর ফিজিক্স ক্লাসে আমাদের একজন শিক্ষক বলেছিলেন, "এই দেশে আসলে সবাই সবার সঙ্গে বাটপারি করে।" কথাটা শুনে প্রথমে একটু অবাক হয়েছিলাম। কিন্তু যতদিন গেছে, চারপাশটা যতটুকু দেখেছি, ততই মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০

মাজার থেকে নৌকাবাইচ- এরপর কোথায়?
মাজার বিদ্বেষ, বাউলগান বিদ্বেষ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তি- এরপর কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় কলেমা লেখা পতাকা টানানো; আর এখন সিলেটের বিয়ানীবাজারে ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ঐতিহ্যবাহী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×