somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এক রক্তচোষার র্আতি (রিপোস্ট)

২৮ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মানবধকিার কমশিনরে মাননীয় চয়োরম্যান ড. মজিানুর রহমান একটি সরকারি হাসপাতাল পরর্দিশনে গয়িে চকি?িসক সমাজকে রক্তচোষা বলে অভযিুক্ত করনে। হাসপাতালরে বাথরুম পরচ্ছিন্ন না থাকা, ওষুধ না থাকার জন্য চকি?িসকদরে দায়ী করে তাদরে আর কত বাড়-িগাড়রি প্রয়োজন তা জানতে চান। এ ঘটনার পর চকি?িসক সমাজরে প্রতনিধিি সংগঠন বাংলাদশে মডেকিলে এসোসয়িশেন (বএিমএ) কড়া ভাষায় প্রতবিাদ করলওে কোনো কোনো পত্রকিার ভতেররে পাতায় এক কলামে ছাপা হলওে বশেরিভাগ পত্রকিায় এর প্রয়োজনও মনে করনে।ি চকি?িসকরা বরাবরই মডিয়িা বমিুখ। মডিয়িার কথা শুনলে নম: নম: করে হাজার মাইল পালয়িে বাঁচতে চান। ব্যতক্রিম বঙ্গবন্ধু শখে মুজবি মডেকিলে বশ্বিবদ্যিালয়রে মডেসিনি বভিাগরে ডীন অধ্যাপক এবএিম আব্দুল্লাহ। দশেরে চকি?িসা ব্যবস্থা ও চকি?িসক সমাজরে প্রয়োজনরে তাগদিে তনিি বশে কয়কেটি কলাম লখিে ভূয়সী প্রশংসা পয়েছেনে। বরাবররে মত এবারও আমার পরম পূজনীয় স্যার দনৈকি প্রথম আলোতে একটি কলাম লখেনে। স্যাররে কলামরে জবাবে অনকেইে কলাম লখিে স্যারকে কলমরে খােঁচায় হনেস্তা করছনে।
আমি অধ্যাপক আব্দুল্লাহ স্যার বা ড. মজিানুর রহমানরে মত ব্যক্তত্বিরে কাছে তুচ্ছ। সদ্য পাশ করা চকি?িসক সমাজরে একজন। আমার অভজ্ঞিতা আব্দুল্লাহ স্যাররে কাছে বালকিণার মত। তারপরও গত ২ বছরে যতটুকু অভজ্ঞিতা সঞ্চয় করছেি তার আলোকে কছিু লখোর প্রয়াস পয়েছে।ি লখোর পছেনে আরোও একটি কারণ আছে তা’হল আমি এখনও মস্ত বড় অধ্যাপক নই যে কাড়কিাড়ি টাকার পছেনে ছুটে নজিরে মুল্যবোধ হারয়িছে।ি আমার এ লখোটি আমার নজিরে কছিু অভজ্ঞিতার আলোকে লখো তাই র্বণনায় আমার কথা চলে আসায় পাঠকরে বরিক্তরি উদ্রকে হলে আগইে ক্ষমা চয়েে নচ্ছি।ি
চকি?িসক হওয়ার ইচ্ছা আমার কোন কালইে ছলি না। ছোটবলো থকেে শুনে আসছি চকি?িসকরা রক্তচোষা। আর যাই হই রক্তচোষা হওয়ার ইচ্ছা ছলিনা কখনও। মায়রে ইচ্ছা পুরণরে জন্য স্বপ্নরে বুয়টে,ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয় বাদ দয়িে র্ভতি হই ঢাকার একটি সরকারি মডেকিলে কলজে।ে পরীক্ষার আগে মাকে মনে মনে কতবার যে বকছেি তার ইয়াত্তা নইে। নাওয়া-খাওয়া বাদ দয়িে শুধু পড়া আর পড়া। কত রাত যে না ঘুময়িে কটেছেে তার হসিাব নইে। পাশ করার পর শক্ষিানবশি চকি?িসক হসিবেে কাজ শুরু কর।ি সবার মত ভবেছেলিাম কষ্ট থকেে মুক্তি পাব। না এ যনে কষ্টে সাগরে এসে পড়া। রাত নইে দনি নইে শুধু কাজ আর কাজ। একবার তো একটানা ৫৬ ঘন্টা ডউিটি করলাম। একটা ঘটনা শয়োর না করে পারছি না। এক স্বামীহারা মহলিার অপারশেন হব।ে দু’ব্যাগ রক্ত দরকার। সারাদনি চষ্টো সন্ধ্যায় একব্যাগ রক্ত জোগাড় করছেনে অসহায় মহলিার ভাই। আর একব্যাগ রক্ত কছিুতইে পাচ্ছনে না। আমার সহকারী রজেস্ট্রিারও অপারশেন শুরু করতে পাচ্ছনে না। সময়রে সাথে সাথে রোগীর অবস্থা খারাপ হচ্ছ।ে সদেনি সন্ধ্যায় আমার ডউিট।ি খুব মায়া হল। নজিরে রক্তরে সাথে মলিে যাওয়ায় একব্যাগ রক্ত দলিাম। রক্ত পাওয়ায় অপারশেনরে ব্যবস্থা করা হল। অপারশেন করছনে সইে সহকারী রজেস্ট্রিার আর তাকে সহায়তা করছি আম।ি তনি ঘন্টার সে অপারশেনে রোগী বঁেচে যান। কন্তিু আমার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। অসুস্থ হয়ে পড়ি আম।ি এ ধরণরে ঘটনা ব্যতক্রিম ভাববনে না। গাইনি বভিাগে খােঁজ নয়িে দখেুন কত চকি?িসকরে দয়ো রক্তে অপারশেন শুরু হয়।
ডউিডরি রাতগুলো যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা বলার অপক্ষো রাখে না। সারা রাত দু’চোখরে পাতা এক করতে পারি না। পরদনি সকালে যে বাসায় এসে ঘুমাব সে সুযোগ নইে। সারা রাত জগেে সাড়ে সাতটা থকেে আটটা র্পযন্ত সময় দয়ো হয় ফ্রসে হয়ে নাস্তা করার জন্য। পররে দনি আড়াইটা-তনিটা র্পযন্ত চলে ডউিট।ি সপ্তাহে এমন ২০ ঘন্টার রুটনি দু’দনি। বাকী পাঁচদনি ৮-১৬ ঘন্টা। একটুও এদনি ওদকি করার নইে। একদনি রাতে ডউিটি করে সকালে নাস্তা করে আসতে নয়টা বাজায় স্যাররে কাছে যে বকুনি খয়েছেি তাতে চোখরে জল ধরে রাখতে কষ্ট করতে হয়ছে।ে পরে এ ভবেে সান্ত¦না খুজছেি স্যার তো নজিরে জন্য বকনে ন,ি রোগীর ভালোর জন্য বকছেনে। ভাবছনে কষ্ট তো করতইে হবে সরকার আমাদরে অনকে টাকা যে সম্মানী দচ্ছিনে। হ্যাঁ সরকার আমাদরে মত শক্ষিানবশি চকি?িসকদরে সম্মানী দচ্ছিনে ঠকিই কন্তিু কত? নজিরে সম্মানীর কথা বলতে পারি নি কাউক।ে কউে কউে তো আমাদরে ড্রাইভার বলওে ঠাট্টা করতনে। শুধু এটুকু বলি এক বছরে যা পয়েছেি তার এক কড়ওি জমাতে পারনিি উল্টো বাবা-ভাইদরে কাছে হাত পাততে হয়ছে।ে কতটা লজ্জা পয়েছেি বলে বোঝানো যাবে না। রোগীদরে কাছ থকেে কি পয়েছে?ি কোন দনি কউে ধন্যবাদ দয়োরও প্রয়োজন মনে করনে।ি আমি বা আমরা কারোও ধন্যবাদ পাওয়ার জন্য কাজ করি না। কন্তিু এত কষ্ট করার পর আমারই কয়কেজন সহর্কমী ও সহপাঠী রোগীর আত্মীয়রে হাতে লাঞ্চতি হয়ছেনে। এর মধ্যে মহলিা সহর্কমীও আছনে। কই লাঞ্চতিকারীদরে বচিার হতে তো দখেলাম না। আমি একদনি আধাঘন্টা দরেি করার জন্য যে বকুনি খয়েছেি আমারই সহর্কমীকে মারধর করা হলওে তো তাদরেকে বকুনি খতেে দখেি ন।ি উল্টোটা মডিয়িায় পড়ছে।ি শুধু আমার সহর্কমীর চোখরে জল দখেছে।ি
শক্ষিানবশি চকি?িসক হসিবেে কাজ শষে করার পর চোখে অন্ধকার দখো শুরু কর।ি শক্ষিানবশি সময়ে তাও হাত খরচটা চলত এখন তো তাও নইে। কয়কে জায়গায় বায়োডাটা জমা দলিাম। ভাইভাও দলিাম। মাসখানকে চলল কোন ইনকাম ছাড়া। আবারও ভরসা ভাই।
ইতোমধ্যে অনারারী মডেকিলে অফসিার একটি সরকারি মডেকিলে কলজেে যোগদান কর।ি আমরা এটাকে বদ্রিুপ করে বলি অনাহারী মডেকিলে অফসিার। এদরে কাজ প্রতদিনি হাসপাতালে গয়িে চকি?িসা করতে হব,ে রাতরে বলো জাগতে হব।ে বনিমিয়ে বতেন কত? আর্শ্চায হলওে সত্য মাস শষেে একটা কণাকড়ওি দবিে না সরকার বা হাসপাতাল। কত নর্মিম-নষ্ঠিুর। সারা মাস পরশ্রিম করবনে, নজিরে টাকায় যাতায়াত কবরনে কন্তিু একটাকাও পাবনে না। এ রকম অন্য কোনো পশোয় আছে কনিা তা জানা নইে। এভাবে কতদনি কাজ করতে হব?ে একমাস, দু’মাস নয় টানা তনি-চার বছর। আমওি আছি এই দল।ে
টাকা তো প্রয়োজন। সরকারি হাসপাতালে অনাহারী ডউিটি করে একটি বসেরকারি হাসপাতালে গয়িে বাকি সময় ডউিটি কর।ি কোন দনি এমন হয় অনারারী ডউিটি করে ওই হাসপাতালে সরারাত ডউিটি করে আবার অনারারী করতে সকালে চলে যাই হাসপাতাল।ে বাসায় পটে ভরে খয়েে আরাম করে ঘুময়িছেি তা গননা করতে বললে গোনা যাব।ে বসেরকারি যে হাসপাতালে কাজ করি সখোনে ঘুমাই কভিাবে শুনলে অনকেইে বশ্বিাস করবনে না। একটা ৮ বাই ৮ হাত ঘরে চারজন চকি?িসক। দুজন একহাত প্রস্থরে দুটি ব্রঞ্চেে ও দুজন ফ্লোর।ে চতি-কাত পদ্ধততিে শুতে হয়। শীতরে মধ্যওে একটি মাদুর বছিয়িে কত রাত কাটয়িছে।ি গায়ে দয়োর জন্য কম্বল দয়ো হয় না, দয়ো হয় ছঁেড়া দুটো বছিানার চাদর যগেুলো রোগীরা ব্যবহার করার পর ছঁিড়ে গছে।ে বালশি আছে তনিট।ি একজনকে বালশি বানাতে হয় মডেকিলে মোটা ডভেসিনরে বই। বশ্বিাস হচ্ছে না। হলফ করে বলছি মথ্যিা বলছি না। খুব কম রাতই আছে নশ্চিন্তিে ঘুমাতে পরেছে।ি একরাতে রোগীর ডাকে ৮-১০ বার র্পযন্ত ঘুম থকেে ওঠতে হয়ছে।ে রাত জাগা শরীর নয়িে অনারারী ডউিটি করছে।ি ভাবছনে চকি?িসক তার ওপর এত কষ্ট নশ্চিয় বতেনও পান স্বাস্থ্যবান। না, আপনার ধারণা ঠকি নয়। বতেন র্সবসাকুল্যে ১৬ হাজার টাকা যার র্অধকেই খরচ হয় সরকারি হাসপাতালে বনিামুল্যে চকি?িসা দতিে গয়ি।ে
নজিকেে খুব মধোবী মনে করি না। তবে খারাপও তো না। এসএসসতিে আমি আমার জলোর মধ্যে প্রথমস্থান অধকিার কর।ি নটরডমে কলজেে আমার মধোতালকিা ছলি ২৬ তম। আমার সহপাঠীদরে সাথে যোগাযোগ করতে ভয় কর।ে ফসেবুকরে কল্যানে জানতে পারি তাদরে অবস্থান। নটরডমে কলজেে সায়ন্সে গ্রুপ-১ এ আমাদরে প্রায় একশ’ ৬০ জন ছাত্ররে মধ্যে যারা বুয়টে থকেে পাশ করছেে তাদরে বশেরিভাগই আমরেকিা, কানাডা, ইউরোপরে বখ্যিাত বশ্বিবদ্যিালয়রে এসি রুমে বসে গবষেণা করছ।ে ইতোমধ্যে কয়কে বন্ধু নাকি গাড়ওি কনিছে।ে আর আম?ি মাদুরে শুয়,ে বইয়রে বালশিে ঘুম জড়ানো চোখে অপক্ষো করি কখন রোগী আসব।ে শুধু জানতে ইচ্ছা করে আমি কি ওদরে চয়েে কম মধোবী? নাকি মডেকিলেে পড়ার শাস্ত?ি
বয়িরে কথা চলছ।ে পাত্রী আমার পাঁচ বছররে প্রমেকিা। পরবিাররে সবাই রাজ।ি শুধু রাজি হতে পারি না আম।ি র্স্বণরে এর্ দুমূল্যে এত টাকা জোগার হবে কভিাব।ে এদকিে বয়স আমাদরে তো থমেে নইে। এত দনিরে প্রমেকিাকে ঠকাতে ইচ্ছা করে না। আমাকে বয়িে না করে অন্য কাউকে বয়িে করলে ২০-২৫ ভরি সোনা পতে অনায়াসইে। আমি ৩-৪ ভরি দতিইে ওর সাথে দরকষাকষি করে চলছে।ি যদি এক ভরি কমানো যায়। ওর থরে থরে সাজানো স্বপ্ন নজিরে হাতে ভঙ্গেে চুরমার কর।ি ওর মলনি মুখ দখেে কষ্ট পলেওে অন্য দকিে তাকয়িে না দখোর ভান কর।ি নজিরে কাছে খুব কষ্ট লাগ।ে সব কছিু বস্বিাদ মনে হয়। ইচ্ছা করে যদি ধুমধাম করে ওকে ওর মনরে মত সাজয়িে আন।ি কন্তিু আমার হাত-পা বাধা। এত টাকা পাব কই? কষ্টে র্দীঘশ্বাস ছাড়,ি মাঝে মাঝে কয়কে ফােঁটা জল ফলে।ি
পাশ করার দু’বছর হয়ে গলেওে পরবিারে একটা টাকা দতিে পারি ন।ি এখনও আমার খাবার বলি দয়ে ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয় থকেে পাশ করা আমার ২ বছররে বড় ভাই। মাসে সে যত টাকা আয় করে তার খরচ করার জয়গা বা কই? তাই আমার মত অসহায়কে সহায়তা করে পূণ্য বাড়ায়।
স্বপ্ন দখেি একদনি আমওি বড় চকি?িসক হব। আমার চম্বোরে রোগীদরে লাইন পড়ব।ে হয়ত মুঠো মুঠো টাকা আসব।ে একদনি গাড়-িবাড়ি হব।ে কন্তিু কব?ে আজ থকেে আরোও ১০-১৫ বছর পর।ে এত বছর পর আমি কি পারব আমার প্রমেকিার না পাওয়ার বদেনা মুছে দতি।ে শষে বয়সরে আয়ে যদি তার পুরো শরীর সোনায় মুড়য়িে দইে সে কি এখনরে না পাওয়ার বদেনা ভুলতে পারব?ে ভাইয়রে হাতে টাকা তুলে দয়িে কি পারব এখনরে লজ্জা পাওয়া স্মৃতগিুলো মুছে ফলেত।ে আজও মা-বাবার হাতে পাঁচশ টাকা তুলে দতিে পারি ন।ি সে সময় কোটি টাকা দলিওে কি তাদরে মন ভরব?ে আর সে র্পযন্ত তারা যে জীবতি থাকবনে তার নশ্চিয়তাবা কে দবে?ে মাঝে মাঝে মনে হয় আসলইে আমি রক্তচোষা। রক্ত চুষে রক্তশুন্য করে চলছেি আমার ভাই, মা-বাবা, প্রয়িতমাসহ পরবিাররে সবার। ববিকেরে কাছে আমি অপরাধী। আমি ওদরে মানবাধকিার হরণ করে চলছেি প্রতনিয়িত।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×