অনেক দিন পর আসলাম সামুতে।
ইদানীং অনেক কিছুই লিখতে ইচ্ছা হয়, কিন্তু সময় আর অলসতার কারনে লিখা হয়না। লিখা লিখি আমার অভ্যাস ছিলো না। কখনোই কোন কবিতা বা কোন বিষয় বস্তু নিয়ে লিখতাম না। এমনকি পরীক্ষার খাতাতেও কম কম লিখতাম।
তবে, একজন এসে এই লিখার অভ্যাস বানিয়ে দিয়ে গেছে। তাই তার অবর্তমানেও এখন লিখে যাই, খেয়ালে বা বেখেয়ালে।
মাঝে মাঝেই কিছু মানুষ আসে আমাদের জীবনে, হয় অগুছালো জীবনটাকে গুছিয়ে দিতে কিংবা গুছানো জীবনটাকে অগুছালো করে দিতে।
তারা আসে, হুট করেই কিছু অভ্যাস বানিয়ে দেয়, যে ছেলেটা হয়তো রাত ১১টার পরই ঘুমিয়ে পড়তো, সেই ছেলেটাই একদিন রাত জাগা শুরু করে। যে কখনো আকাশে ফিরেও তাকাতো না, সেই হঠাৎ করে জ্যোৎস্না আর তারা দেখতে শুরু করে।
এসবই হয় হঠাৎ করে আসা মানুষ গুলোর জন্য।
এই হঠাৎ করেই হয়ে যাওয়া জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ গুলোকে খুশি করার জন্য, ভালো রাখার জন্য আমরা নিজেকে বিভিন্ন ভাবে বদলিয়ে ফেলি। তা দেখে ঘরের কাছের মানুষ গুলো হয়তো খুশি হয় আবার অবাক ও হয়। যা হয়তো তারা অনেক দিন বলেও করাতে পারেনি, তাই একদিন ভোরে ঘুম ভেঙে আমাদের করতে দেখে!!! সেটাও হয় হঠাৎ করে আসা মানুষটার জন্য।
আচ্ছা, কি হয়??? যখন এই হঠাৎ করে আসা মানুষটা হঠাৎ করেই চলে যায়??? সেকি কখনো বুঝতে পারে যে তার এই হঠাৎ চলে যাওয়াটা কতটা ভয়ানক ক্ষতি করে??? তার আসাটা ঠিক যতটা ভালো করেছিলো, চলে যাওয়াটা তার হাজার গুণ খারাপ করলো??? তার আসাতে হঠাৎ যেই ছেলেটা নিয়মের মধ্যে চলে এসেছিলো, সেই ছেলেটাই তার চলে যাওয়ার কারনে বাকি জীবনটা অনিয়মের মাঝে পাড় করতে থাকে!!! এই মানুষ গুলো কখনোই তা বুঝতে পারেনা।।।
একদিন ভোরে ঘরের মানুষগুলোকে অবাক করে দেওয়া সেই ছেলেটাই হঠাৎ আরেক ভোরে ঘরের মানুষগুলোকে অবাক করে দিয়ে চলে যায়!!! সে হয়তো সেই মানুষটার এই হঠাৎ চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেনি তাই।।।
কারো জীবনে এই হঠাৎ করে যাওয়ার আগে একবার অন্তত ভেবে নিবেন, আপনি তার পাশে থেকে বাকি জীবনটা পার করতে পারবেন কিনা!!! না হলে হয়তো হঠাৎ করেই তার জীবনটা ঝরে যেতে পারে। এতে হয়তো আপনার কিছুই হবে না, কারন আপনি তার সত্যিকারের কাছের মানুষ নন। তবে তার সত্যিকারের কাছের মানুষগুলোর অনেক বড় ক্ষতি আপনি করছেন।।।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০১৬ রাত ১:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


