somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইউরোপ থেকে ৮০ হাজার বাংলাদেশী ফেরত বিষয়ে গণমাধ্যমের দায়িত্বহীনতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অজ্ঞতা

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি প্রবাসী সংবাদ মাধ্যমগুলো এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ৮০ হাজার অবৈধ বাংলাদেশীদের ধরে ফেরত পাঠানো সংক্রান্ত। এপ্রিল মাসের প্রারম্ভে এ ধরনের সংবাদ বাংলাদেশের সংবাদপত্রগুলোতে প্রকাশিত হবার পর দেশে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের মাথায় বিনা মেঘে বাজ পড়েছে। সবার মাঝেই আতঙ্ক বিরাজ করছে কি জানি কি হয়? সুনির্দিষ্টভাবে ৮০ হাজার সংখ্যাটি উল্লেখ করায় আরও শঙ্কা বেড়েছে। কারন সংখ্যা যখন উল্রেখ করেছে তা্হলে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েই তা বলা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এ তালিকায় কার নাম রয়েছে সে শঙ্কায় আমাদের ইউরোপ প্রবাসী বাংলাদেশী ভাই বোনেরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

একটু পিছনে তাকালে দেখা যাবে এপ্রিলের ৪ তারিখ বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেপুটি সেক্রেটারী জেনারেল ক্রিশ্চিয়ান নেফলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাত করেন। সাক্ষাতকালে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থারত অবৈধ বাংলাদেশীদের প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

রুটিন আলোচনার বিষয়টি পুর্নাঙ্গভাবে উপস্থাপন না করে আমাদের অতি বিজ্ঞ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল সাহেব আংশিক বলায় মানুষের আতঙ্ক বাড়িয়েছেন। কামাল সাহেব নিজেকে জাহির করার জন্য সরাসরি বলে বসলেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধভাবে বসবাসকারী ৮০ হাজার বাংলাদেশীকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

প্রশ্ন থাকে কিভাবে তিনি নিশ্চিত হলেন ৮০ হাজার বাংলাদেশী অবৈধভাবে রয়েছেন? এ সংখ্যা কম বেশী ও হতে পারতো। আবার আগ বাড়িয়ে তিনি বলে বসলেন, বাংলাদেশীদের ফেরত পাঠানো হলে আমরা পাচ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তা নিবো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা এখানেই প্রশ্নের সম্মুখীন হয়। ২০০৭ সালে এক এগারোর ঘটনার পর দেশের সকল রাজনীতিকের উপর নির্যাতনের খরগ নেমে আসে। সে সময় অনেক অভিজ্ঞ রাজনীতিক নানা কারনে একপ্রকার অবসর নিয়ে নেন। ফলে সেখানে শুন্যতা সৃষ্টি হয়। অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদদের শুন্যস্থান পুরনের জন্য ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের সংসদ নির্বোচনের জন্য অনেক অনভিজ্ঞ লোককেও মনোনয়ন দেয়া হয়।

সে শুন্যতার সময় রাজধানী ঢাকার তেজগাও এলাকার মনিপুরী পাড়া কল্যান সমিতির সভাপতি আসাদুজ্জামান কামাল সাহেব আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হয়ে যান। একটি পাড়ার সভাপতি সংসদ সদস্য হয়ে যাওয়ার পর স্বভাবতই নিজের দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন একদিনে করতে পারবেন না। আরও চমক অপেক্ষা করছিলো কামাল সাহেবের জন্য। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ পুনরায় সরকার গঠন করলে এবার সরাসরি কামাল সাহেবকে প্রথমে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং তারপর পুর্নমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান।
কামাল সাহেব সজ্জন ব্যক্তি কোন সন্দেহ নাই। তিনি একটি পাড়ার সভাপতি হলেও ব্যক্তিগত জীবনে একজন কৃষিবিদ হিসেবে ভাল ছাত্র ছিলেন এ বিষয়ে উনার শত্রুও মুখ খুলতে পারবে না। কৃষিবিদ তার বিষয় অর্থাৎ কৃষি রসায়নটি ভাল বোঝেন কিন্তু একই ব্যক্তি যখন আন্তর্জাতিক কুটনীতির ঘোরপ্যাচে পড়েন তখন উনার অবস্থা ডাঙ্গায় ওঠা মাছের মতো হওয়া স্বাভাবিক। এ কারনেই এ রকম একটি স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে ধারণা ছাড়াই আগবাড়িয়ে মন্তব্য করে কামাল করে দিয়েছেন সবাইকে। পাশাপাশি ৮০ হাজার ই্উরোপ প্রবাসী বাংলাদেশীর পরিবার পরিজনের ঘুম হারাম করে দিয়েছেন এ অনভিজ্ঞ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

দ্বিতীয় প্রসঙ্গটি হলো বাংলাদেশের গনমাধ্যমগুলোর দায়িত্বহীনতা বিষয়ক। বাংলাদেশী গনমাধ্যমের সিদ্ধান্ত গ্রহনকারীদের মধ্যে এক ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা রয়েছে। তারা প্রকৃত ঘটনার চেয়ে অতিমাত্রায় গুজবে বিশ্বাসী। তারা জানেন কিভাবে মানুষের স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত করলে পত্রিকার কাটতি বাড়ানো যায়। এ চিন্তা চেতনা থেকেই আনুপুর্বিক না ভেবেই একপ্রকার অনুমান নির্ভর প্রতিবেদন করে সাধারন জনসাধারনের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করলেন। কারন তারা জানেন বাংলাদেশের অর্থনীতির মুল চালিকাশক্তি প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ বা ফরেন রেমিটেন্স। এ জায়গায় আঘাত করতে পারলে সবাই পত্রিকা পড়বে, বেসরকারী টেলিভিশনের দর্শক বাড়বে, অনলাইনের পাঠক বাড়বে। পরোক্ষে লাভবান হবে গ্রামীন ফোন সহ অন্যান্য ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

এ চক্রের খেলায় এ রকমের একটি দায়িত্বহীন সংবাদ পরিবেশন করে দেশের জনগনের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হলো। একবার ও তাবড় তাবড় সম্পাদকরা ভেবে দেখলেন না এ রকম একটি অনুমান নির্ভর সংবাদ পরিবেশনের কিরকম নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এ জাতির মাঝে।

শুধুমাত্র ইউরোপ না বিশ্বের যে কোন দেশ থেকেই অবৈধ অবিবাসীদের বহিষ্কার করার অধিকার সংশ্লিষ্ট দেশটি সংরক্ষন করে। প্রতিদিনই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবৈধদের আটক করা হয়। তারপর তাদের ডিপোর্টেশন সেন্টারে নেয়া হয়। সেখানে তাদের নাগরিকত্ব যাচাই করা হয়। নাগরিকত্ব যাচাই করা না গেলে কোনক্রমেই আটককৃত লোকদের ফেরত পাঠনোর আইনগত অধিকার সংশ্লিষ্ট দেশটির নেই।

জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী প্রতিটি দেশের কর্তৃপক্ষ এ আইনের বিষয়ে জানেন। নাগরিকত্ব যাচাই না হলে সে লোকটি স্টেটলেস বা রাষ্ট্রবিহীন ব্যক্তিতে পরিনত হন। সে সময় তাকে কোথাও পাঠানোর বিষয়টি পরিষ্কারভারে মানবাধিকার পরিপন্থি।

একজন ব্যক্তির নাগরিকত্ব প্রমানের একমাত্র মাধ্যম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় নাগরিকত্ব বিষয়ে সত্যয়ন না করলে জোর পুর্বক কাউকে কোন দেশে ফেরত পাঠানো যাবে না। যদিওবা আমাদের প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্র(!) ভারত এ নিয়মের তোয়াক্কা না করেই দীর্ঘদিন ধরেই পুশইন করে আসছে।

নাগরিকত্ব যাচাই করার পরই একজন বাংলাদেশীকে (যদি তিনি ইউরোপের কোন দেশে অবৈধ হয়ে থাকেন) ফেরত পাঠানো যেতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমিটি অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর সেমিনারে অংশ নিতে যাওয়া প্রতিনিধি দল এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহায়তা চেয়েছেন।

অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, ফেরত পাঠানোর জন্য আটক বাংলাদেশীদের ডিপোর্টেশন সেন্টারে পাঠানোর পর তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত হবার জন্য সে দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দুতাবাসে পাঠানো হয়। দুতাবাস এর কনস্যুলার সেকশন সে ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিশ্চিতের প্রমান দিলেই তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

কনস্যুলার সেকশন নিয়ন্ত্রনকারী মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকা কৃষিবিদ কামাল মনে করেছেন ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য যেমন মাটিতে নাইট্রোজেন, পাটাশিয়াম বা ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা বাড়ানো দরকার ঠিক একই ভাবে ৮০ হাজার বাংলাদেশীর জাতীয়তা সনাক্ত করে ফেরত পাঠালে পুনর্বাসন বাবদ যে অর্থ আসবে তাতে দেশের অর্থনীতির চাকা আগামী একশো বছর বিরতিহীন সচল থাকবে।

এ অজ্ঞতা থেকেই মন্ত্রী মশায় না বুঝেই একটি মন্তব্য করে ফেলেছেন। উনি অভিজ্ঞ হলে বলতে পারতেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা ৮০ হাজার এটা আপনারা কিভাবে নিশ্চিত হলেন? তা না করে তিনি বলে বসলেন আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমরা পাচলাখ রোহিঙ্গা ফেরত পাঠাবো। এটা ভিক্ষুক সুলভ মনোভাব বৈ নয়।

মন্ত্রীর ৮০ হাজারের বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রতিনিধি দলের প্রধান ক্রিশ্চিয়ান নেফলার। তিনি বলেছেন এ ধরনের কোন সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা হয় নি। এটাও মন্ত্রীর অযোগ্যতা প্রমানের জন্য যথেষ্ট।

যেহেতু সংখ্যাটি আনুমনিক তাই এতে ঘাবড়ানোর কিছূ নেই। এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে নাগরিকত্ব যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কোন বাংলাদেশীর ফেরত যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

একটা কথা সংযোজন না করে পারা যায় না। প্রবাদে আছে বাশের চেয়ে কঞ্চি বড়। আমাদের বাংলাদেশে এখন তাই ঘটছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বালখিল্য আচরনের ঠিক পরের দিন আরেক কঞ্চি পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক যা বললেন সেটাও ভাবার বিষয়।

শহীদুল হক বলেন, “যে সমস্ত বাংলাদেশি অবৈধভাবে বিভিন্ন দেশে আছে, তাদেরকে ফিরিয়ে আনা তো আমাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।”

“সেটা যতটা সেফলি করা যায় এবং ভালোভাবে করা যায়, এখানে ফিরিয়ে আনার পর যাতে তাদেরকে একটা জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করে দেয়া যায় তা দেখতে তারা রাজী হয়েছে।”

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব ও নীতি নির্ধারণী বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। অবৈধ বাংলাদেশীদের ফিরিয়ে আনা উনাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হতে পারে কিন্তু প্রবাসীদের অর্থ দেশে না গেলে এসব দায়িত্ববানদের বেতন ভাতা আসবে কোথা থেকে এটা ভাবা দরকার।

পুনশ্চ: নাগরিকত্ব নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোন বাংলাদেশীকে ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়। সুতরাং নাগরিকতার প্রমান হয় এ রকম কোন ডকুমেন্ট রাখবেন না প্রিয় প্রবাসী ভাই বোনেরা।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫১
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা কি তাহলে গুহা যুগে ফেরত যাচ্ছি?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫০



বিশ্ব যেখানে উন্নতির প্রতিযোগিতা করছে, কীভাবে জীবনমান আরও উন্নত এবং সহজ করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে আর আমরা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছি। চারদিকে ভয়াবহ অবস্থা!! চাঁদাবাজি, খুন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?
============================================
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশকে যুক্ত করার আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পক্ষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

।। রাশিয়ার মতো বাংলাদেশে হামলা করুক ভারত।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১২


আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Movie-Obsession(2026)

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বিশিদবার রাতে খুব বাজে আর একটা ছিনেমা দেখলাম। ভাই-রে ভাই কি বলবো, ঐ রাতে আর ঘুমাতে পারি নাই। মানে দেখার পর থেকে এখনো গা শিরশির করছে। চোখ বন্ধ করলেও চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×