একটি শিক্ষনীয় ঘটনা-
তিন ব্যক্তি পার্কে বসে মদ খাচ্ছে ৷ চতুর্থ একজন এসে বলল, ভাই ইসলামে মদ খাওয়া হারাম ৷ প্রথম ব্যক্তি চুপ ৷ দ্বিতীয় ব্যক্তি, আপনার কাছে কোন প্রমাণ আছে? তৃতীয় ব্যক্তি, ঐ মিয়া হুজুরগিরি দেখান? আপনি নামায পড়ছেন? এত রাতে পার্কে কি করেন? ইত্যাদি ৷
প্রথম ব্যক্তি সম্পর্কে ধারনা করা যায়, তিনি হয়ত বিষয়টা জানেন বলে লজ্জিত অথবা তিনি জানার পরে মেনে নিয়েছেন ৷ দ্বিতীয় ব্যক্তি হয়ত শোনেছেন কিন্তু নিশ্চিত নয় তাই নিশ্চিত হতে চাইছেন অথবা জানতে ইচ্ছুক ৷ তৃতীয় ব্যক্তি হচ্ছেন মহাজ্ঞানী ৷ তিনি মদ খেয়ে যে পাপ করেছেন সেই পাপ কে পূণ্য বানানোর জন্য প্রসঙ্গ বদলিয়ে তার যত জ্ঞান আছে সব ব্যায় করবেন ৷
সমাজের সকল বিষয়েই এই রকম তিন শ্রেণীর লোক পাওয়া যায় ৷ প্রথম এবং দ্বিতীয় ব্যক্তির ক্ষেত্রে আশা করা যায় তারা একদিন নিজেদের ভুল সংশোধন করে সমাজকে আলোকিত করবেন ৷ কিন্তু তৃতীয় জ্ঞানী ব্যক্তির দ্বারা সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানোর আশংকাই বেশি ৷
গল্প- উপন্যাস-সিনেমার চরিত্রকে অনুকরণ বোতাম খোলা শার্ট পরে সানগ্লাস কপালে তুলে সিগারেট ধরানো নায়কেরা সারাদেশে গিজ গিজ করলে ও ধর্ষিতা নারীদের জন্য একজন নায়কও খুঁজে পাওয়া যায় না ৷ অর্থাৎ আমরা গল্পের চরিত্রের পজেটিভের চেয়ে নেগেটিভগুলোই বেশি নিতে অভ্যস্ত ৷
স্যার হুমায়ুন আহমেদের অমর কাল্পনিক চরিত্র হিমুর সবচেয়ে নেগেটিভ দিক হলো হলুদ পাঞ্জাবী ৷ কেননা পুরুষদের জন্য জাফরানী রং, রেশমী কাপড়, গাঢ় লাল, হলুদ পোশাক পরা নিষেধ (দলিল সহীহ মুসলিম হাঃ নং৫৩৪৬, সহীহ মুসলিম হাঃ নং ৫২৪৫, সহীহ বুখারী হাঃ নং ৫৪১৭, সহীহ বুখারী হাঃ নং ৫৪২০ ) ৷ ইসলামী ব্লগ গুলোতে এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত আছে ৷
প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর হিমুদের জন্য দোয়া করেন তারা একদিন সমাজকে আলোকিত করবে ৷ আর তৃতীয় শ্রেণীর মহাজ্ঞানী হিমুরা হারাম কে হালাল করার জন্যই কাজ করতে থাকবে ৷ নিজেরাতো বিভ্রান্ত হবেই সেই সাথে সমাজেও বিভ্রান্তি ছড়াবে ৷
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



