
ভিআর ও এআর নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যায় যে কোনটা আসলে কি, বা দুইটাই কি এক জিনিষ কিনা। বিশেষ করে কোন ডিভাইস যেমন ভিআর গ্লাস কেনার সময় সমস্যায় পড়ে যান যে এটা এআর সাপোর্ট করবে কিনা। যদিও দুইটার কোনটাই নতুন কিছু না তারপরেও অনেকের কাছে জিনিষটা দূর্বোধ্য। আসলে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সবাই বুঝি যেটা আসলে ৩ডি প্রযুক্তির মাধ্যমে কোন কিছুর বা চারপাশের অবস্থার প্রতিরুপ তৈরী করে জিনিষটা আরো ভালো ভাবে উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। আর ভিআর গ্লাস ব্যাবহার করে দৃশ্যটাকে ৩৬০ ডিগ্রীতে দৃশ্যামান করা হয় যাতে নিজেকে প্রকৃতভাবেই এর ভেতরে মনে হয় বা দৃশ্যটা আসল বলে প্রতিয়মান হয়।
আর অগমেন্টেড রিয়েলিটিতে ক্যামেরা ধারণকৃত দৃশ্যকে আরও বিশদভাবে উপলব্ধির জন্য এর মধ্যেই কিছু গ্রাফিক্স যুক্ত করা হয়। সেটা কোন অক্ষর দ্বারা লিকিত কোন বাক্য, চিহ্ন বা কোন বস্তুর ৩ডি প্রতিচ্ছবিও হতে পারে এবং সেটা প্রকৃত সময়ে ধারণ করে মনিটরে প্রদর্শনের পূর্বেই করা হয় যাতে জিনিষটা আসল বলেই মনে হয়। এটা যে শুধু মজা করা বা পাওয়ার জন্যই করা হয় তা না, এর অনেক কার্য্যকরী ব্যাবহারও আছে। যেমন নতুন যায়গায় যেয়ে মোবাইল এর ক্যামেরা অন করে চারদিকে ঘুরাতে থাকলেন, সে চিহ্ন দিয়ে দেখাবে কোথায় বাস স্টপ, কোথায় রেস্টুরেন্ট, কোথায় ব্রিজ বা ফুটওভার ইত্যাদি। নিচের ছবিগুলো দেখলেই এর ব্যাভার বুঝে যাবেন।


আপনার ঘরে নতুন টেবিল বসালে কেমন দেখাবে সেটা আগে থেকেই যাচাই করে নিতে পারবেন।

যণ্ত্র দেখে বুঝছেন না কোনটা কি, এআর এর সাহায্য নিন।

নিজের মত করে কিছু ডিজাইন করে দেখতে পারেন মানাবে কিনা।
অগমেন্টেড রিয়েলিটির জন্য বেশ কিছু অ্যাপস আছে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস এর জন্য, যেমন একটা হল Layar (LR), অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিজেই ব্যাবহার করে দেখতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




