১৪ই জুন মাগুরছড়া দিবস
মাগুরছড়া ব্লো-আউটের ১১ বছর পূর্ণ
ক্ষতিপূরণ আদায়ে কিছু সুপারিশ
(ধারাবাহিক-১৪)
----সৈয়দ আমিরুজ্জামান
দেশের গ্যাস চাহিদা, সংকট ও বাপেক্সঃ
দেশে বর্তমানে উৎপাদিত গ্যাস দেশের চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে পারছেনা । বর্তমানে দেশে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হয় যা গড় চাহিদার কিছু কম। ইতিমধ্যে যে সংখ্যক গ্যাসকূপ জাতীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের মাধ্যমে খনন করা উচিত ছিল, তা খনন করা হয়নি। বিগত কয়েক বছরে হাতেগোনা ক'টি কূপ খনন করা হয়েছে- যা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। দেশে যে হারে গ্যাস চাহিদা বেড়েছে, উৎপাদন কূপের সংখ্যা সে তুলনায় বাড়ে নি। তাই উৎপাদিত গ্যাস ও গ্যাস চাহিদার মধ্যে তফাৎটা রয়েই গেছে ও বৃদ্ধি পাচ্ছে । তদুপরি চাহিদা বলতে বোঝায় সাপ্রেসড ডিমান্ড , যা এ মুহুর্তে না পেলেই নয়। গ্যাস চাহিদার চেয়ে উৎপাদন অতিরিক্ত হলেও তা ব্যবহৃত হয়ে যায় । বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে, শিল্পায়নের ভিত্তি নির্মাণে, কৃষির বিকাশে, জ্বালানী ও সার সমস্যার সমাধানে দেশের গ্যাস সম্পদ কাজে লাগানো গেলে চাহিদা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে।
গ্যাস সংকটের অন্য কারণটি হলো গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ত অবকাঠামো। গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় পাইপ লাইন দেশব্যাপী গড়ে উঠেনি। আবার যেখানে পাইপ লাইন রয়েছে, তার পরিবহন ক্ষমতা চাহিদার তুলনায় কম।
গ্যাস ক্ষেত্রসমূহে বাপেক্সের মাধ্যমে পর্যাপ্ত উন্নয়ন কূপ খনন করে চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন না বাড়ালে এ সংকট মিটবে না। সরকারী উদ্যোগে গত বছর মাত্র দু'টি উন্নয়ন কূপ খনন করা হয়। সরকার এ বিষয়ে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। উন্নয়ন কূপ খনন করতে আর্থিক অসঙ্গতির কথা বলা হয় । অথচ পেট্রোবাংলা সরকারকে বছরে ২ হাজার কোটি টাকার উপরে প্রদান করে , এর শতকরা ১০ ভাগ অন্তত গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়নে ব্যয় করা হলে বিদেশনির্ভরতা ও অনগ্রসরতা থাকতো না। বাংলাদেশে গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো স্ট্যান্ডবাই উৎপাদন কূপ নেই। দেশে যে পরিমাণ গ্যাস উৎপাদিত হয়, তার শতকরা ২০ভাগ গ্যাস উৎপাদন ব্যবস্থা স্ট্যান্ডবাই বা প্রস্তুত রাখা হলে জরুরী অবস্থা সামাল দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা যায়। যেমন, কোনো কূপে যদি সাময়িকভাবে গ্যাস উৎপাদন ব্যাহত হয়, তবে ঐ প্রস্তত রাখা কূপসমূহ চালু করে উৎপাদন বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
বাংলাদেশে বাণিজ্যিক জ্বালানীর ব্যবহার শতকরা ৭০ ভাগ গ্যাসনির্ভর। দেশে উৎপাদিত বিদ্যুতের শতকরা ৯০ভাগ তৈরি হয় গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে। তাই গ্যাস সংকট মানেই বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকট সৃষ্টি। ঘন ঘন লোডশেডিং জনজীবন অতিষ্ঠ করে, শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত করে, ব্যবসা বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের একটি বড় অংশ সার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় গ্যাস সংকট সৃষ্টি হলে সার কারখানায় সার উৎপাদন ব্যাহত হবে। এসব সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতেই সরকার তেল-গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়নে বিদেশী বিনিয়োগের জন্য বহুজাতিক কোম্পানীগুলোকে ডেকে নিয়ে এসে তাদেরকে শেয়ার দিয়েছে। পরিনামে দেশের জন্য তা হয়েছে আত্মঘাতী।
আলোচিত ব্লগ
দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।
সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কেমনের দিনে

মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...


"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন
কারো নামে মিথ্যা অপবাদ কাম্য নয় তবে ....

ঘটনাটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং তার সঙ্গে থাকা এক সাংবাদিক বন্ধুকে ঘিরে। পরিবাগ ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর কয়েকজনের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।