১৪ই জুন মাগুরছড়া দিবস
মাগুরছড়া ব্লো-আউটের ১১ বছর পূর্ণ
ক্ষতিপূরণ আদায়ে কিছু সুপারিশ
(ধারাবাহিক-১৮)
---সৈয়দ আমিরুজ্জামান
জ্বালানী নীতি প্রসঙ্গেঃ
সরকারের উচিত জ্বালনি খাতে আপস্ট্রিম এবং ডাউনস্ট্রিম উভয় ক্ষেত্রেই বিনিয়োগ বাড়ানো। সরকারের জ্বালানী নীতিতে তো দেশের নিজস্ব তহবিল থেকে তিন বা চারটি করে অনুসন্ধান কূপ খননের কথা রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখছি বছরে একটি করেও নয় বরং তিন বা চার বছরে একটি করে অনুসন্ধান কূপ খননের জন্য অর্থ প্রদান করা হয় আবার সব সময় তাও নয়। দেশীয় কোম্পানি বাপেক্সকে গতিশীল করে সরকার জ্বালানীক্ষেত্রে যে অগ্রগতি সাধন করতে পারতো, তা করা হয়নি। বরং বিগত দশকে বাপেঙ্রে প্রতি চরম অবহেলা ও বিমাতাসুলভ মনোভাব এ প্রতিষ্ঠানটির যথেষ্ট ক্ষতি করেছে। নব্বইয়ের দশকে এমন একটা সময় গেছে যখন মনে হয়েছে সরকার বাপেক্সকে পঙ্গু করে বা বিলুপ্ত করতে চায়। সরকারী উচ্চ মহলের কর্তাব্যক্তিগণ বা স্বয়ং মন্ত্রী বা উপদেষ্টা মহোদয়গণ বাপেক্স সম্পর্কে নেতিবাচক বক্তব্যের মাধ্যমে অবমূল্যায়ন করেছেন অথচ বাপেক্স আরো একটি গ্যাসক্ষেত্র মুরাদনগরের শ্রীকাইলে আবিষ্কার করেছে।
আবিস্কৃত শ্রীকাইলে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে বাংগুরাতে একটি বিদেশী কোম্পানী (তাল্লো ) অপর একটি কূপ খনন করেছে এবং সেখানেও একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছে। এটি উল্লেখযোগ্য যে, বাপেক্স যে ধরনের যন্ত্রপাতি, রিগ ও খনন সামগ্রী নিয়ে কাজ করে শ্রীকাইলে গ্যাস আবিস্কার করেছে তা তুলনামুলকভাবে পার্শ্ববর্তী বিদেশী কোম্পানীর তুলনায় অনেক নিম্নমানের, পুরনো এবং অনেক অংশ মেরামত করা। বিদেশী কোম্পানী কূপ খননে নতুন ও অত্যাধুনিক ড্রিলিং রিগ ( টপ ড্রাইভ রিগ ) ব্যবহার করছে, সেখানে বাপেক্স ড্রিলিং করছে পুরনো এবং মেরামত করা রিগ দিয়ে। অথচ তা সত্বেও বাপেক্স গ্যাস আবিস্কারে সমানভাবে সার্থক হয়েছে। আর বাপেক্স তো ইতিমধ্যে অনুসন্ধান ছাড়াও গ্যাস উৎপাদন করে চলেছে তাদের আবিস্কৃত ফেঞ্চগঞ্জ ও সালদানদী গ্যাসক্ষেত্র এবং শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রে শিগগিরই উৎপাদন শুরু করবে। তাহলে এটি নিশ্চিত যে, আমাদের দেশের ভূবিজ্ঞানী, খননবিদ কারিগরি ব্যক্তিবর্গ অনুসন্ধান ও উন্নয়নে যথেষ্ট সুদক্ষ। তাদেরকে যদি যথাযথভাবে অনুসন্ধান করতে আর্থিক জোগান দেওয়া হয় তবে আমাদের পক্ষে বিদেশীদের উপর নির্ভর করা প্রয়োজন ছিলনা এবং এখনো নেই। এখানেই সরকারের সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব এবং এটাই জ্বালানী খাতে উন্নয়নের একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। অয়েল এন্ড ন্যাচারাল গ্যাস কমিশন (ওএনজিসি ) বা মালয়েশিয়ার পেট্রোলসকে দেখুন। এ সংস্থাগুলো বিগত তিন/চার দশকে উত্তরোত্তর দক্ষতা বাড়িয়েছে, এখন তারা কেবল নিজস্ব দেশেই নয় বরং বিদেশে গিয়ে অন্য দেশের তেল গ্যাস অনুসন্ধান ও উন্নয়নের কার্যক্রমে লিপ্ত। আর সরকার কি করলো ? বাপেক্সের মত এরকম একটি সম্ভাবনাময় সংস্থাকে সরিয়ে দিয়ে সমগ্র দেশকে বিদেশী তেল কোম্পানীর হাতে তুলে দিয়েছে সরকার। এখন তারা যেটুকু গ্যাসই আবিস্কার করুক তার মাত্র ২১ ভাগের বেশীতো আর বাংলাদেশ পাবে না, আর ৭৯ ভাগের মালিকানা তাদের। আবার তাদের সে অংশটুকু তাদের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক মূল্যে বাংলাদেশকে কিনতে হবে। সর্বসাকুল্যে এ পন্থায় বাংলাদেশের লাভ নেই। তাই যে সমস্ত স্থানে দেশীয় কোম্পানীকে দিয়ে অনুসন্ধান করানো যেতো বিদেশীদের দিয়ে পিএসসি চুক্তি করানো সরকারের ভুল ও আত্মঘাতি পরিকল্পনার একটি অংশ।
আলোচিত ব্লগ
দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।
সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কেমনের দিনে

মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...


"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন
কারো নামে মিথ্যা অপবাদ কাম্য নয় তবে ....

ঘটনাটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং তার সঙ্গে থাকা এক সাংবাদিক বন্ধুকে ঘিরে। পরিবাগ ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর কয়েকজনের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।