
বাংলাদেশে মোটর সাইকেল যারা চালায় তারা বেশ সাহসী। বিপ্লবীও বলা যেতে পারে। কারণ তারা অন্য অনেকের মতো কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করেন না। এটা তাদের সাহসী একটা ভালো দিক। তবে কিছু খারাপ দিকও আছে। কারণ, মৃত্যুর মুখে পথ চলেন মোটর সাইকেলের নারী যাত্রী! আমি বুঝি না নারী যাত্রীরা মোটর সাইকেলটাকে কেন বসার আরাম দায়ক সোফা মনে করেন। মোটর সাইকেলে তারা এক দিকে দুই পা দিয়ে যে ভাবে বসেন সেটা যে কত বড় ভয়ঙ্কর ব্যাপার তারা কি সেটা বুঝেন না।
বেশ কিছু দিন আগে এক নবদম্পতি যাচ্ছিলেন মোটর সাইকেলে । দুরন্ত বেগ না থাকলেও খুব কম জোরে যে তারা চালাননি তা মনে করা যেতে পারে। ঢাকার শনির আখড়ায় আসার পর একটি ট্রাক কিংবা পিকআপ ভ্যানের সাথে ধাক্কা লাগে। নারী যাত্রী পড়ে যান। এবং মারাও যান।
বাংলাদেশের এক দম্পতি একই স্টাইলে মোটর সাইকেলে যাচ্ছিলেন। তবে এখানে তাদের ছোট্ট শিশুটিও ছিল মায়ের কোলে। চলার এক পর্যায়ে কোন এক ট্রাকের সাথে ধাক্কা লাগে এবং শিশুটি ছিটকে পড়ে যায় । সাথে সাথে মারা যায় সে। দম্পতি অজ্ঞান।
তাই আমরা কেউ যেন নিয়মের বাইরে মোটর সাইকেল না চালাই। নিয়ম মেনে চলার প্রয়োজন আছে।
১। মোটর সাইকেল চালালে অবশ্যই হেলমেট পড়তে হবে।
২। গায়ে বিশেষ ধরনের জ্যাকেট থাকতে হবে।
৩। নারী সহযাত্রী থাকলে তিনিও হেলমেট পড়বেন। নারী যাত্রী বসবেন তার সামনে বসা চালকের মতোই । দুই পা এক দিকে দিয়ে নয়।
৪। মনে রাখতে হবে, ফুটপাত মানুষের পায়ে হেটে চলার জন্য। এখানে মোটর সাইকেল চালানো অন্যায়।
সম্প্রতি মালয়েশিয়াতে মোটর সাইকেল চালকদের জন্য দিনের বেলায়ও হেড লাইট অন করে চালাতে বলা হয়েছে। কারণ , রাস্তায় হুট হাট করে কখন যে মোটর সাইকেল এসে পড়ে বুঝা যায় না।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ ভোর ৫:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


