অনেক অনেক আগে আমরা যখন স্কুলে পড়তাম তখন দেখতাম- উঠতি বয়সের যারা নতুন বিড়ি খাওয়া শুরু করেছে তারা বিড়ি খাচ্ছে লুকিয়ে। খাওয়ার সময় কোন মুরুব্বি ধরনের কেউ এসে পড়লে দ্রুত লুকিয়ে ফেলছে। লুকাতে না পারলে সদ্য আগুণ ধরানো ঝকঝকে বিড়িটির মায়া ত্যাগ করে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে।
সেই সময়ে একটি স্টিকার পেয়েছিলাম যাতে লেখা ছিলঃ বিড়ি খাবি খা, মারা যাবি যা।
এর কারণ কি?
এর কারণ ছিলো সেই সময় জুনিয়ররা সিনিয়রদেরকে সম্মান করত। কেবল যে বিড়ি খাবার সময়ই এ সম্মান তা কিন্তু না। প্রতিটি কাজে, আচার আচরণে এই সম্মান ফুটিয়ে তুলত।
একুশ শতকে আসার পর পরস্পর সম্মান জানানোর ব্যাপারটি মনে হয় খুব কমে গেছে। কিন্তু হওয়া তো উচিত এর উল্টো। কারণ মানুষ যত উন্নত হবে , সে ততই সভ্য হবে। বিনয়ী হবে। আমাদের মাঝ থেকে বিনয় নামক গুণটি ক্রমেই যেন কমে যাচ্ছে। অথচ এটা হবার কথা না।
হতে পারে রাজনীতি এর একটা কারণ। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে এখন রাজনৈতিক দলের কমিটি আছে। সেই কমিটিতে যারা থাকে তারা নিজেদেরকে রাজা বাদশা বলে মনে করে। ফলে তাদের কাছে বিনয়, আদব কায়দা বেশী আশা করা বোকামী হতে পারে।
আচ্ছা, রাজনৈতিক দলের এই সব কমিটির কাজটা কি? যেমন ধরেন – আমার খুব কাছের এক জন মানুষ তিনি এলাকার একটি কমিটির নেতা। তারা কমিটির নাম “ বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক ----, --- শাখা”। তার মানে কি তারা স্বেচ্ছায় মানুষের সেবা করে বেড়ান। নাকি মানুষকে তাদের সেবা করতে বাধ্য করেন। তার দলীয় পদটি হচ্ছে শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক। বুঝি না তিনি কি শিক্ষার কাজ করেন । আর তার গবেষণাটিই কি নিয়ে।
বিষয়টি আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




