
পেটের দায়ে প্রচুর ব্যস্ত থাকার কারণে মালয়েশিয়া নিয়ে আগের মতো পোস্ট দিতে পারিনি। ব্লগের কেউ কেউ এই জাতীয় পোস্ট পছন্দ করছেন না। তাদের বক্তব্য নিজের দেশের খবর নেই। আবার বিদেশ ( মালয়েশিয়া নিয়ে পোস্ট দেয়া!)। তবে আমার বক্তব্য ভিন্ন। যারা উন্নত দেশে থাকেন তাদের কাছে আমি সেই সব দেশের পোস্ট চাই। কেননা, আমার পক্ষে সেই সব দেশে যাওয়া সহজ নয়। এই সব পোস্টের মাধ্যমে সেই সব উন্নত দেশের অনেক কিছু জানতে পারবো। আমাদের দেশের সাথে তুলনা করতে পারব।
আমি যখন এই মালয়েশিয়াতে খুব ভালো কিছু দেখি তখন আমার বুকের ভেতর হাহাকার উঠেঃ এই চমৎকার জিনিসটি আমাদের বাংলাদেশে কেন নেই!
মালয়েশিয়ার রাস্তা ঘাট খুবই ভালো। ( এই দেশের পুলিশ জঘন্য!!!আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত করুন।)
যখন এই দেশের সুন্দর রাস্তাঘাটে আমি নিজে গাড়ী চালাই কিংবা অন্যের গাড়ীতে যাতায়াত করি আমার খুব ভালো লাগে।
আবার আফসোসও লাগে। এমন সুন্দর রাস্তা আমাদের দেশে কেন নেই।
এই রকম আরো অনেক আফসোস আমার আছে।
একটি ইয়াট উদ্ধারঃ
যে ভাবে উদ্ধার করা হলো ইয়াটটিকে।
তুন মাহাথিরের নেতৃত্বে পাকাতান হারাপান জোট ক্ষমতায় আসার পরপরই এখানকার আলোচিত ব্যবসায়ী ঝাউ লো তিনি এক জন চায়নিজ মালয়েশিয়ান। মাহাথির শপথ নেয়ার পরপরই তিনি দেশ থেকে পালিয়ে যান। তিনি বারিসান ন্যাশনাল জোটের সাবেক নাজিব সরকারের খুব কাছের লোক ছিলেন। তবে তার ব্যাপক আর্থিক কেলেংকারী থাকায় মাহাথির শপথ গ্রহণ করার সাথে সাথেই পালিয়ে যান। তার প্রমোদতরী বিশাল দামী ইয়াটখানা ইন্দোনেশিয়াতে আদালতের মাধ্যমে আটকা পড়ে। এই ইয়াটটির দাম প্রায় এক বিলিয়ন রিঙ্গিত বা ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রথমে এটিকে ক্লাং বন্দরে আনা হয়। পরে এটাকে পেনাং নিয়ে যাওয়া হবে। ইয়াটটির নাম Equanimity. এটির ১৪ টি কেবিনে মোট ২৮ জন অতিথি থাকতে পারেন। মোট ৩৩ জন ক্রু আছেন। জানা গেছে, বিলাস বহুল এই ইয়াটটি খুব তাড়াতাড়ি নিলামে তোলা হবে।
১৮ বিলিয়ন রিঙ্গিত উধাও এর গল্প
জিএসটি মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে এক আলোচিত শব্দ। জিএসটি নামক ট্যাক্স ধার্য করে নাজিব সরকার মালয় জনগণের অনেক বদনাম কুড়িয়েছেন। কেননা, এই ট্যাক্স আরোপ করার পর অনেক পন্য ও সেবার দাম ৬% বেড়ে যায়। মানুষের আয়ের উপর চাপ পড়ে। মাহাথিরের জোট কথা দেন তারা বিজয়ী হলে জিএসটি থাকবে না। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মাহাথির সরকার আসার পর জিএসটি শূণ্য করা হয়। ফলে সব ধরণের পণ্যের দাম কমে যায়।
কিন্তু অর্থ মন্ত্রণালয় খুজে পেয়েছে যে, নিয়মিত জিএসটি আদায় করলেও সেই আদায়কৃত জিএসটির প্রায় ১৮ বিলিয়ন রিঙ্গিতের কোন হদিশ মিলছে না। যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে এতোগুলো টাকা। অর্থমন্ত্রী এ ব্যাপারে তার বক্তব্য তুলে ধরেছেন। তবে সাবেক সরকার এর উপপ্রধামন্ত্রী জাহিদ হামিদী বলেছেন- এই টাকা কেউ আত্নসাত করেনি।
টাকা নিয়ে ঝামেলা যেন কমছেই না।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



