somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ সাজ্জাদ  হোসেন
আমি কখনো নিজের নাম লুকোই না। আকাইমা শব্দ দিয়ে বানানো ছন্ম নাম আমার পছন্দ নয়। মা-বাবা'র দেয়া নাম দিয়েই প্রোফাইল খুলেছি।

আমার ইশতেহার

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আমার ইশতেহার


প্রিয় ব্লগবাসী,

আসসালামু আলাইকুম। সবাই আমার শুভেচ্ছা নিন।

আগামী ৩০ শে ডিসেম্বর ২০১৮ বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ব্লগার কাল্পনিক ভালোবাসার আহ্বানে আমি সংক্ষিপ্ত আকারে আমার দলের ইশতেহার প্রকাশ করছি।

আমার দলের প্রতীক জোনাকী পোকা মার্কায় আপনাদের মহামূল্যবান ভোটের রায় নিয়ে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে আমার দল নিম্নবর্ণিত কর্মসূচীসমূহ বাস্তবায়ন করবে।

১। শিক্ষাকে সবার আগে স্থান দিয়ে সব নাগরিকের জন্য প্রকৃত শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান এই সব দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অনুসরণ করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক আর যুগের উপযোগী করা হবে। এসএসসিকে ও লেভেল এবং এইচ এসসিকে এ লেভেল ঘোষণা করা হবে। এ লেভেল পর্যন্ত সরকারী খরচে পড়ানো হবে। শিক্ষকরা কোন ভাবেই কোচিং পেশায় আসতে পারবেন না। বিজ্ঞান ও গণিত ইংরেজিতে পড়া বাধ্যতামূলক হবে। যে কোন নাগরিক যাদের পেশাগতভাবে বাংলাদেশেই থাকতে হয় তারা এ লেভেল পর্যন্ত দেশেই ছেলে মেয়েদেরকে পড়াতে বাধ্য থাকবেন।

২। জনপ্রতিনিধিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণীতে স্নাতক পাস। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরকে মন্ত্রী নিয়োগ করা হবে। কৃষি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি থাকতে হবে। অন্যান্য মন্ত্রণালয়েও এটা বাস্তবায়ন করা হবে।

৩। স্বজনপ্রীতি, ঘুষ ও দূর্নীতি সমূলে উচ্ছেদ করা হবে। যে সব অফিসে বেশী বেশী দূনীর্তি হয় সেই সব অফিসে র‌্যাব মোতায়েন করা হবে। এসব অফিসে নিয়মিত সেনা অভিযান পরিচালনা করা হবে।

৪। শ্রমজীবী মানুষদের জন্য জেলা পর্যায়ে শিল্পায়ন করা হবে। রাজধানী থেকে সব কারখানা গ্রামাঞ্চলে নেয়া হবে। কোন শ্রমিককেই কাজ করার জন্য বিদেশ যেতে হবে না। তবে পেশাজীবীরা চাইলে বিদেশে কোন উন্নত কাজ করতে যেতে পারেন। পারিবারিক জীবন দরকার আছে। বর্তমানে প্রবাসী শ্রমিক রা পারিবারিক জীবন হতে বঞ্চিত। এটার অবসান করা হবে।

৫। সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। যারা যান বাহন, ও সেবা খাতে বিশেষ সুবিধা লাভ করবেন। সর্বত্র তারা সম্মানিত হবেন।

৬। চিকিৎসা ব্যবস্থার আমূল উন্নয়ন করা হবে। ব্যবসা নয় সেবাই হবে মূল মন্ত্র। চিকিৎসার জন্য কোন রোগীকে দেশের বাইরে যেতে হবে না। প্রয়োজনে বিদেশী ডাক্তার এনে দেশের চিকিৎসকদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

৭। টেকনাফ ও অন্যান্য সীমান্ত এলাকার মাদক সম্রাটদেরকে কঠোর ভাবে দমন করা হবে। মাদক নয় নির্মল বিনোদনের জন্য সব ধরনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

৮। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে ২ সন্তানের পরিবার গঠনকে উৎসাহিত করা হবে। অতিরিক্ত জনসংখ্যা এখন দেশের আপদ। দেশকে এগিয়ে নেয়াই লক্ষ্য।

৯। ঘরে ঘরে সেৌর বিদ্যুতকে সহজলভ্য করা হবে। বিকল্প জ্বালানীর ব্যবহার বৃদ্ধি করা হবে।

১০। জাতীয় সংসদে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য ২০টি আসন সংরক্ষণ করা হবে। এতে সংসদ হবে সুষম। বিদ্যজনেরা সংসদে এলে জনগণের লাভ হবে।

১১। যারা বাড়ি ভাড়া করে থাকেন তাদের অধিকার সংরক্ষণ করার জন্য বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ কমিশন গঠন করা হবে। বাড়িঅলারারা যাতে ট্রাক্স দেয় সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

১২। সরকারী কর্মকর্তাদের অহেতুক প্রশিক্ষণের নামে অহেতুক প্রমোদ ভ্রমণ বন্ধ করা হবে। শপিং ও বেড়ানোর এই আয়োজন চলতে দেয়া হবে না। প্রশিক্ষক এনে দেশেই প্রশিক্ষ দেয়া হবে। সরকারী কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ প্রমোশন হবে অতিরিক্ত সচিব পর্যন্ত। যোগ্যতা বিবেচনায় চুক্তি ভিত্তিক সচিব নিয়োগ করা হবে।

১৩। সারাদেশে দুই লেন বিশিষ্ট রেলপথ স্থাপন করা হবে। সময়সূচী কঠোরভাবে মেনে চলা হবে। যাত্রী সেবাই লক্ষ্য।

১৪। ইন্টারনেট সবার জন্য সহজলভ্য করা হবে। প্রাপ্ত বয়স্ক সাইটগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। সংস্কৃতি চর্চা ও ক্রীড়া চর্চাকে উৎসাহিত করা হবে। অফিস চলাকালীন ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করা হবে। কাজই হোক ব্রত।

১৫। ভিভি আইপিদের চিকিৎসা, চেকআপ এই সব কাজের জন্য দেশেই বিশেষ চিকিৎসা কেন্দ্র খোলা হবে। এই খাতে অর্থের অপচয় রোধ করা হবে। অপচয় নয়, সুষম বন্টনই হবে নীতি। সর্দি জ্বর হলেই বিদেশ চিকিৎসা আর নয়।

১৬। সকল নাগরিক যাতে মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে। সবাই থাকবেন জবাবদিহিতার অধীনে। কোন মাফ নেই।

১৭। বিদেশ ভ্রমণের জন্য যারা যাবেন তাদের এবং প্রবাসী শ্রমিকদের অহেতুক ঝামেলা কমানোর জন্য বর্তমানে বিদ্যমান পাসপোর্টের মেয়াদ ১০ বছর করা হবে।

এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে ইশতেহার দেয়া হলো। আমাদের ইশতেহারের পুস্তিকায় বিস্তারিত দেয়া আছে। সবাই কে আমাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে পুস্তিকাটি পাঠ করার অনুরোধ করছি।


সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৪
২১টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথঃ দ্য আয়নাঘর ফাইলস"..

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯

"আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথঃ দ্য আয়নাঘর ফাইলস"
-একজন গুমের শিকার মানুষের চোখে একটি ভয়াবহ সত্যের দলিল।

“আনফোল্ডিং দ্য ট্রুথ: দ্য আয়নাঘর ফাইলস”- নামটি যতটা আকর্ষণীয়, বইটির ভেতরের সত্য তার চেয়েও বেশি নির্মম, বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষের অহংকার ও বুদ্ধিমত্তার ভ্রান্ত ধারণা

লিখেছেন শেরজা তপন, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫২


উৎসর্গঃ ব্লগার রাজীব নুর( ঈশ্বর বিশ্বাসের কোল ঘেঁষে যাওয়া কোন লেখা এলেই যিনি লেখককে ভীষন সন্দেহের চোখে দেখেন- ভাবেন; কি অদ্ভুত কথা- ইনি দেখি ঈশ্বর বিশ্বাসী!!))
ধর্ম ও বিজ্ঞান: সংঘর্ষ না... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার মত তারেক জিয়াও কি ভারতে ইলিশ পাচার করছে?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৬



চলছে ইলিশের ভরা মৌসুম কিন্তু বাজারে কোন ইলিশ নেই.... ইলিশ নেই বললে ভুল হবে ইলিশ আছে কিন্তু উহা সাধারণ মানুষের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আওয়ামীলীগ আমলের ১৭ টি বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

~~~সংশয়~~~

লিখেছেন জটিল ভাই, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৩

♦أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشِّيْطَانِ الرَّجِيْمِ (বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্'র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি)
♦بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ (পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহ্'র নামে)
♦ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ (আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)


(ছবি নেট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে “উপজাতি” নাকি “আদিবাসী”? আন্তর্জাতিক আইন ও ইতিহাসের নির্ভেজাল সত্য!​

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৭


সূচনা ও প্রেক্ষাপট:
লেখক পার্বত্য চট্টগ্রামে ২০০১ সালে তিনি যখন সেখানে দায়িত্ব পালন করেন, তখন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীকে 'উপজাতীয়' (Tribal) হিসেবে ডাকা হতো। কিন্তু ২০১৫-১৬ সালের দিকে সেখানে পুনরায় পোস্টিং পাওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×