জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি লাইব্রেরী ছিল। তবে লাইব্রেরীর জন্য কোন আলাদা কক্ষ কিংবা ভবন ছিল না। গ্রামের স্কুল । তাই এই সব আশা করা বৃথা।
তবে অনেক অসাধারণ বই পড়েছি। জুনিয়ার হাইএ থাকার সময় এতো বেশী বই পড়ার সুযোগ পেয়ে আমি খুবই ধন্য ছিলাম।
আমাদের স্কুলের বই গুলো থাকতো শিক্ষকদের কমন রুমে। মানে যেখানে সব স্যাররা বসতেন সেখানে। সেখানে বেশ কয়েকখানা আলমারীতে অনেক বই রাখা ছিল।
আমার স্বপ্ন ছিল সবগুলো বই পড়ে ফেলব।
বইগুলোর দায়িত্বে ছিলেন বাংলার শিক্ষক জনাব হরিদাস মন্ডল । তাকে আমরা পন্ডিত স্যার বলেই জানতাম। আমি যত দিন তাকে শিক্ষক হিসাবে দেখেছি তত দিন তিনি ক্লাসে ধুতি আর পাঞ্জাবী পড়েই আসতেন।
আমার স্কুলের সেই বই আর পন্ডিত স্যার হরিদাস মন্ডলকে খুব মিস করি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




