
এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের রেল কনটেইনার টার্মিনালের রি-মডেলিং, চট্টগ্রাম-দোহাজারীর বর্তমান মিটার গেজ লাইনকে ডাবল ট্র্যাকে রূপান্তর, একটি নতুন অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) নির্মাণ এবং গাজীপুর পুবাইল-ধীরাশ্রম রেলওয়ে স্টেশনের সঙ্গে সংযোগ লাইন নির্মাণ করা হবে। চট্টগ্রাম ডুয়েল গেজ রেলিং স্টকের জন্য ক্যারেজ-ওয়াগন, লোকো ওয়ার্কশপ, ফুয়েলিং ব্যবস্থা ও আলাদা ডিপো স্থাপন করা হবে। চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কাছে কলাতলী রেলপথটি বাড়ানো হবে। ‘প্রকল্পের আওতায় সেখানে প্রায় ১০০ কিলোমিটার ডুয়েল গেজ লাইন নির্মাণ করা হবে। এতে কিছু মহাপরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত ঘুনধুম পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করার পরিকল্পনা আছে। প্রকল্পের আওতায় ব্রডগেজ ও ডুয়েল গেজ লাইনের ব্যবস্থা রাখায় ব্যয়ের তারতম্য হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ৫২ কেজির পরিবর্তে ৬০ কেজি রেল ব্যবহার করা হবে। প্রয়োজনীয় রেল সংগ্রহ, স্পেশাল উডেন স্লিপার, ব্যালাস্ট, মাটির কাজসহ ছয়টি স্টেশন ভবন পুনর্নির্মাণ করা হবে। ২০২৩ সাল নাগাদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো পূর্ণরুপে বাস্তবায়িত হলে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে দেশি-বিদেশী পর্যটকের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে। আমাদের দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাবে।
(.........শেষ)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৩:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



