somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই!

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের বিরুদ্ধে আইনজীবী এনামুল হক, হাই কোর্টে রিট করে যে challange করেছিল, অবশেষে রিট খারিজ করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন বৈধ বলে সুপ্রিমকোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশন রায় দিয়েছে। রায়ের পরেও Independent টিভি টকশোতে আইনজীবি জ্যোতির বড়ূয়া রায়ের বিরুদ্ধে ও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের বিরুদ্ধে যুক্তি তর্ক দিয়ে মিডিয়ার মাধ্যমে দেশের সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণকে এখনো ধূয়াসার মধ্যে ফেলে রাখতে চেয়েছেন। মোবাইল অপারেটরদের কাছে আঙুলের ছাপ কেন দিতে হবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এই প্রশ্ন তুলে সরকার বিরোধী কিছু রাজনৈতিক সংগঠনকে একপ্রকার খেপিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তিনি একজন শিক্ষিত ও বিজ্ঞ আইনজীবী হয়েও শুধু কি বিরোধিতার খাতিরে একটা দেশকে অশান্ত করতে চান? আমার শুধু একটা প্রশ্ন তা হলো- তিনি কি স্বীকার করেন না, মোবাইল সিম ব্যবহার করে বাংলাদেশে অনেক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে? চাঁদাবাজি, হুমকি, অপহরন নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা ঘটে চলেছে কি কারনে? একজনের নামে অন্যজনের সিম নিবন্ধন, মোবাইল ফোন অপারেটরদের অনবরত ফ্রি সিম বিক্রি । যার ফলে এখনও প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত হচ্ছে না। এখানে একটা জিনিস লক্ষণীয় তাহল, আঙুলের ছাপ অনলাইনে যাচাই করা হচ্ছে, কোথাও সংরক্ষণ করা হচ্ছে না। তারপরও এর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এর বিরোধিতা করছেন কেন? নিবন্ধনের সময় কেবল জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে এটি মিলিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ঐ তথ্য তাদের কাছে সংরক্ষিত থাকে না। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অপরাধ অনেকটা কমে যাবে। তাই গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই। বর্তমান সরকার জনকল্যাণমুখী তা অন্তত গত সাড়ে সাত বছরেই আমরা উপলব্ধি করেছি। ১৮/১৯ কোটি মানুষকে বিপদে ফেলে নিশ্চয় তিনি কখনো ভাল থাকতে পারেন না এ বিশ্বাসটুকু আমদের সবারই রাখা উচিত। নিচের এই ভিডিও লিংকটিতে আইনজীবি জ্যোতির বড়ূয়া কিভাবে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে তা দেখুনঃ
https://youtu.be/E7O9gP0I4pA

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:২৩
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৮


বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ের অবস্থা নিয়ে আলাদা গুরুত্ব দেয়া দরকার

লিখেছেন অপলক , ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫



পাহাড়ীদের হাতে এখন প্রচুর টাকা। সে টাকার যোগান প্রত্যাক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে আমরা সমতলের জনগন দিয়েছি। পাহাড়ীরা এখন জাতীয় অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা রাখছে। তাদের মাঝে প্রচুর উচ্চ শিক্ষিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২



আমাদের চারপাশে অনেক কিছু আছে।
যা আমরা দেখতে পাই না। ব্যাকটেরিযয়া, ভাইরাস, ডার্ক ম্যাটার, অণু ও পরমাণুর কথা বলছি না। আমি বলছি, মৃত মানুষের কথা। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দেড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×