বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের বিরুদ্ধে আইনজীবী এনামুল হক, হাই কোর্টে রিট করে যে challange করেছিল, অবশেষে রিট খারিজ করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন বৈধ বলে সুপ্রিমকোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশন রায় দিয়েছে। রায়ের পরেও Independent টিভি টকশোতে আইনজীবি জ্যোতির বড়ূয়া রায়ের বিরুদ্ধে ও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের বিরুদ্ধে যুক্তি তর্ক দিয়ে মিডিয়ার মাধ্যমে দেশের সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণকে এখনো ধূয়াসার মধ্যে ফেলে রাখতে চেয়েছেন। মোবাইল অপারেটরদের কাছে আঙুলের ছাপ কেন দিতে হবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এই প্রশ্ন তুলে সরকার বিরোধী কিছু রাজনৈতিক সংগঠনকে একপ্রকার খেপিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তিনি একজন শিক্ষিত ও বিজ্ঞ আইনজীবী হয়েও শুধু কি বিরোধিতার খাতিরে একটা দেশকে অশান্ত করতে চান? আমার শুধু একটা প্রশ্ন তা হলো- তিনি কি স্বীকার করেন না, মোবাইল সিম ব্যবহার করে বাংলাদেশে অনেক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে? চাঁদাবাজি, হুমকি, অপহরন নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা ঘটে চলেছে কি কারনে? একজনের নামে অন্যজনের সিম নিবন্ধন, মোবাইল ফোন অপারেটরদের অনবরত ফ্রি সিম বিক্রি । যার ফলে এখনও প্রকৃত অপরাধী শনাক্ত হচ্ছে না। এখানে একটা জিনিস লক্ষণীয় তাহল, আঙুলের ছাপ অনলাইনে যাচাই করা হচ্ছে, কোথাও সংরক্ষণ করা হচ্ছে না। তারপরও এর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এর বিরোধিতা করছেন কেন? নিবন্ধনের সময় কেবল জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে এটি মিলিয়ে নেওয়া হয়। এরপর ঐ তথ্য তাদের কাছে সংরক্ষিত থাকে না। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অপরাধ অনেকটা কমে যাবে। তাই গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ারও কিছু নেই। বর্তমান সরকার জনকল্যাণমুখী তা অন্তত গত সাড়ে সাত বছরেই আমরা উপলব্ধি করেছি। ১৮/১৯ কোটি মানুষকে বিপদে ফেলে নিশ্চয় তিনি কখনো ভাল থাকতে পারেন না এ বিশ্বাসটুকু আমদের সবারই রাখা উচিত। নিচের এই ভিডিও লিংকটিতে আইনজীবি জ্যোতির বড়ূয়া কিভাবে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে তা দেখুনঃ
https://youtu.be/E7O9gP0I4pA


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

