তরুণরাই আগামী দিনের উজ্জ্বল নক্ষত্র। সৃজনশীল কর্মকান্ডে তাদের ব্যাপক অংশগ্রহণের সুযোগকে অবারিত করে দিতে হবে। যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে তারা সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি ও সামর্থ্য অর্জন করবে। বিশ্বজুড়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে এগিয়ে চলার তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাময় বিশ্বে টিকে থাকতে হলে বর্তমান তরুণ সমাজকে এখনই প্রস্তুতি নিতে হবে। এর জন্য চাই জ্ঞানভিত্তিক গুণগত শিক্ষা, যার আলো তাদের অন্তরকে আলোকিত করবে, সম্ভাবনা ও সুপ্ত শক্তিকে উন্মোচিত করবে, আত্মবিশ্বাসী ও কর্মোদ্যোগী করে তুলবে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা কর্মী, ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তা হিসেবে ছড়িয়ে পড়বে। উন্নয়নের বহুমুখী খাতগুলো তারুণ্যের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে। পুঁজিবাদী অর্থনীতির দৌরাত্ম্যে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য পাহাড়সম রূপ ধারণ করছে। একশ্রেণীর মানুষের হাতে সম্পদের পাহাড় জমছে, অন্যদিকে অগণিত দরিদ্র ও বুভুক্ষু মানুষের হাহাকারে মানবতা ভূলণ্ঠিত হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে যেতে হবে তরুণ সমাজকে। বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। প্রাচীনকাল থেকেই কৃষি এদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এক বিরাট অবদান রেখে আসছে। এখনও ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য জোগানো ছাড়াও বিভিন্ন অর্থকরী ফসলের উৎপাদন দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। কৃষিতে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ তরুণ সমাজের ব্যাপক অংশগ্রহণই হতে পারে আমাদের উন্নয়নের এক বড় নিয়ামক শক্তি। এভাবে তরুণ সমাজ তাদের উদ্ভাবনী ও সৃজনী শক্তির দ্বারা আত্মকর্মসংস্থানের বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করতে সক্ষম হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ালে তা কখনও বিফলে যাবে না, বরং অর্থনীতির চাকা সচল হয়ে ওঠবে, দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তরুণ সমাজের উন্নয়ন হলে জাতির মেরুদন্ড শক্তিশালী হয়ে উঠবে, দেশ ও জাতি সমৃদ্ধির পথে এগোবে। দেশে আজ সুশাসন ও নীতি-নৈতিকতার বড়ই সংকট। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। দলীয় ও গোষ্ঠীগত চেতনায় জাতীয় চেতনাবোধ বিলুপ্তপ্রায়। যার ফলে দেশের তরুণ ও যুবসমাজ বিভ্রান্তি এবং হতাশায় নিমজ্জিত। একটি উন্নয়নকামী সভ্য দেশের জন্য এ অবস্থা আদৌ কাম্য নয়। পরিবর্তনের এখনই সময়। জাতির আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক আমাদের তরুণ সমাজ। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারাই পারে সবক্ষেত্রে সংস্কার আনতে। সোনার বাংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের তরুণ সমাজকে নোংরা রাজনীতি, সন্ত্রাস ও কালো টাকার ছোবল থেকে রক্ষা করতে হবে। দেশবাসীর আশা পূরণে তারা এমন একটি সুস্থ-সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে যেখানে থাকবে না কোনো হানাহানি, মারামারি, দারিদ্র্য, বেকারত্ব, নির্যাতন ও শোষণ। দেশ ও জাতিকে উপহার দেবে একটি শান্তি ও সৌহার্দময় পরিবেশ; তথা একটি সুন্দর বাংলাদেশ।
সৃজনশীল কর্মকান্ডে তরুণদের অংশগ্রহন
ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ
পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমি আর তুমিঃ ফানা থেকে বাকাঃ জীবনের উপলব্দি সবই তোমার

ইশ্কে আমি ও তুমি’র ব্যবধান ক্ষীণ হওয়া, ফানা-তে অহংকারের বিলয়, এবং বাকা-তে প্রকৃত বোধ নিয়ে কর্মময় জগতে ফিরে সেবা, বিনয়, করুণা ও কৃতজ্ঞতার জীবন বেছে নেয়ার উপলব্দিতে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!
খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?

পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?
রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন
সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।