
ভূমিকা না দিয়ে সরাসরি কোরঅানের যৎসামান্য মিরাকল তুলে ধরলাম। যা পড়লে অাপনি অবশ্যই অবিভুত হবেন!!
(১) কোরঅান মাজিদে অাদ দুনিয়া বা ইহজগত কথাটি এসেছে ১১৫ বার; পক্ষান্তরে দুনিয়ার বিপরীত অাখেরাত শব্দটিও এসেছে ১১৫ বার।
(২) অাল মালাইকা বা ফেরেশতা কথাটি এসেছে ৮৮ বার; ফেরেশতার বিপরীত শয়তান শব্দটিও এসেছে ৮৮ বার।
(৩) অাল হায়াত বা জীবন শব্দটি এসেছে ১৪৫ বার; অাল মউত বা মৃর্ত্যু শব্দটিও এসেছে ১৪৫ বার।
(৪) অান না-ফে‘আন বা উপকারী শব্দটি এসেছে ৫০ বার; পক্ষান্তরে অাল ফাসাদ বা ক্ষতিকর শব্দটি পাওয়া গেছে অনুরুপ ৫০ বার।
(৫) অান নাছ বা জনগন শব্দটি এসেছে ৩৬৮ বার; অরপদিকে অার রসুল বা রসুলগন শব্দটি এসেছে ৩৬৮ বার।
(৬) যাকাত শব্দটি এসেছে ৩২ বার(যাকাত দিলে সম্পদের বরকত হয়); এই অাল বারাকা বা বরকত শব্দটিও অাছে ৩২ বার।
(৭)অাল লেফান বা জিহ্বা শব্দটি এসেছে ২৫ বার(জিহ্বা দিয়ে উত্তমবাক্য বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে); পক্ষান্তরে অাল মাওয়েতা বা উত্তমবাক্য শব্দটি এসেছে ২৫ বার।
(৮) অার রিযাল বা পুরুষ শব্দটি এসেছে ২৪ বার; অনুরুপভাবে অাল মাইয়াত বা নারী/স্ত্রী জাতীয় শব্দ এসেছে ২৪ বার।"নিসা" শব্দের অর্থও নারী/মহিলা কিন্তু এখানে শুধু মাইয়াতা শব্দটির হিসেব করা হয়েছে।
(৯) অাস শাহার বা মাস শব্দটি এসেছে ১২ বার; অাল ইয়াম বা দিন শব্দটি এসেছে ৩৬৫ বার।
(১০) অাল অামর বা অাদেশ শব্দটি এসেছে ১০০০ বার; পক্ষান্তরে অান নাহি বা নিষেধ শব্দটিও এসেছে ১০০০ বার।
(১১) হালাল বা বৈধ শব্দটি অাছে ২৫০ বার; অন্যদিকে হারাম বা অবৈধ/নিষিদ্ধ শব্দটি এসেছে ২৫০ বার।
(১২) জান্নাত সম্পর্কিত ওয়াদা এসেছে ১০০০ বার; ঠিক তার বিপরীত তথা জাহান্নামের ভীতি প্রদর্শনমূলক অায়াত এসেছে ১০০০ বার।
মানব এবং জীনদের উদ্দেশ্যে অাল্লাহপাক কি চ্যালেঞ্জ দিলেন?
“বলুন (হে নবী), যদি সমগ্র মানব ও জ্বীন জাতি এ কুরআনের অনুরূপ কিছু রচনা করার জন্য একত্রিত হয়, এবং (তা রচনার ব্যাপারে) তারা পরস্পরের সাহায্যকারী হয়; তবুও তারা কখনও এর অনুরূপ রচনা করে অানতে পারবেনা।(সুরা বনী ঈসরাইল, অায়াত-৮৮)"
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



