
তারাবীর প্রার্থনায় রমযানের প্রথমরাতে
উছলে পড়া ভীড় থাকে
আল্লাহর ঘর
মাসজিদে,
থাকেনা সেথা কোন স্থান; এক তিল পরিমান,
তারপর কি যে হয়!
নামাযী সব কমতে থাকে
কি এমন ব্যস্ততা যা নামাযীদের দূরে রাখে।
সারাদিন না খেয়ে তারা কি হয়ে যায় অক্ষম?
এমনটিতো কখোনো হবার নয়
তারাতো ব্যস্ত সদা দুনিয়াদারি আর পন্ডশ্রমে ।
ইফতার আয়োজনে বিলাসিতার শেষ নেই
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সারাক্ষন খায়েসাতের পিছনে।
রমযানের একমাস সিয়াম সাধনায়
স্রষ্টার ক্ষমার্জন করতে পারে বিশ্বাসী সব বান্দায়
তারপরও কিসের ঘোরে এত বড় ভুল হায়!!
আখেরাতের জীবন অসীম শুরু আছে শেষ নাই!
এতসব জানার পরও মানুষে কেন নফসের প্ররোচনায় .।
আখেরাত বাদ দিয়ে তাদের ব্রত নশ্বর পৃথিবীর উপসনায়।
প্রতিদিনে পাঁচবার প্রার্থনা আবশ্যক সব বিশ্বাসী বান্দার
মসজিদ প্রাঙ্গনে জামাতে পালন আবশ্যক পন্থা সেই প্রার্থনার।
মহান স্রষ্টার বড় হুকুম আর এত ফযিলত জানার পরেও
কপটবিশ্বাসীরা মানেনা তার স্বর-এ- আ স্বর-এ-অ !
সারা বছর মানুষের ঢল মেলা খেলা আড্ডা আর সংসার মাঝারে
মসজিদ ফাঁকা তাই ওয়াক্তিয়া নামাযের প্রহরে।
ক্ষণিকের দুনিয়ার মোহে আর মায়ায়
দ্বীন হীন মানুষরা নফসের কাছে নিদারুন অসহায়।
দুনিয়ার লোভ লালসা সব ছেড়ে
মানুষ জান মাল আর সময় দিতে পারে
স্রস্টার সন্তুষ্টি লাভ আর মানবতার তরে ।
সৃষ্টির সেবাতে স্রষ্টা খুশি হয় ।
বিজ্ঞ মানুষেরা সদাব্যস্ত থেকোনা কেবল দুনিয়ার ভ্রান্ত নেশায়;
রমযান মাসের সংযম সাধনায় স্রষ্টার সন্তুষ্টি লাভ করা যায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০১৭ রাত ৮:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




