
অতঃপর তোমার কবিতা পড়ার প্রহর বুঝি এসেছে আজ তবে।
সারারাত তাই জেগে আছো আজি—প্রেমের প্রগাঢ় অনুভবে।
হয়তো ভাবছো বসে আনমনে শুধুই আমার কথা—
কী লিখিলাম আজ? কিছু কী লিখিলাম গোপন বার্তা,
শুধু তোমায় ভালোবেসে? না কী অন্য কেহ এসেছে
নাড়িছে সদর দরজার কড়া— আমারই ছোট্ট ঘরে।
তুমি কী তবে ভাবছো বসে— এই আমারই বারতা?
তবে শুনো, এখনো আমি আছি একাই— এই যান্ত্রিক নগরে।
জনোতো সারাটিক্ষণ তোমার প্রেমেই বুঁদ হয়েই থাকি।
এই দেহের শিরা উপশিরায়— ধমনীতে স্নায়ুতে রক্তে
সতত, বিরাজমান তব প্রেম, যেন বয়ে চলে—দূর্বার গতিতে।
আমার সেই একই প্রেমের নেশা, যতই শূণ্যতা তুমি মোরে দাওগো উপহার;
দাও যদি চাপিয়ে বিরহের এক মস্ত পাহাড়, তবুও যদি জানি সুখে আছো তুমি,
ধরে নেবো বেশ সুখেই আছি আমি— এই সুখ যে আমার একান্ত অধিকার।
একা একাই বহিবো তবে তোমার আমার স্বরচিত প্রেমের দায়ভার।
সোনার মেয়ে তুমিতো ঐ দূর আকাশেই থাকো
হয়তো শ্রাবণের আকাশে ভেসে থাকা মেঘ গুলো ছুঁয়ে ছুঁয়ে
আর আমার আবাস যেন গ্রাম বাংলার বিস্তীর্ণ সবুজ ঘাস
— সোঁদা মাটির গন্ধ শুঁকে শুঁকে।
আকাশ আর মাটিতে কী আর হয়, কভু পরিণয় ?
ভেবে ভেবে কূল কিনারা না পাই—আবার অবাক হয়ে যাই,
যখন দেখি আকাশের শ্রাবণ মেঘ বৃষ্টি হয়ে নেমে আসে জমিনে।
যেন ভালোবেসেই আকাশ জমিনের চিবকু- বুকটা ছুঁয়ে যায়।
আমিও তো মানুষ রক্ত মাংসে গড়া, আমারও যে প্রেম আছে মনে
প্রেম অমোঘ শক্তিধর, সতত কবিতা লেখার প্রেরণা দিয়ে যায় মম প্রাণে।
তাইতো লিখে যাই রোজ ষড় ঋতুর পরিক্রমার প্রতিটি শরীর ছুঁয়ে ছুঁয়ে
জানি এখন গভীর রাত, নিয়ন বাতি জ্বেলে ঘুমিয়ে পড়েছে গোটা মহানগরী।
করোনার বিষাক্ত দংশনে যেন জর্জড়িত হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটা মৃত্যু পুরী।
ঠিক এমন সময় প্রেম আমার যেন টুইটুম্বর বর্ষার জল তুমি সরোবরে।
যদি উপচে পড়ে ভেঙে যায় তার চারি ধার তুমি ক্ষমা করে দিও মোরে
তবু গ্রহণ করিয়ো মম কামনার দ্রাক্ষাজল— প্রেমের একান্ত অধিকারে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০২১ ভোর ৪:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



