somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিম আনোয়ার
পেশায় ভূতত্ত্ববিদ ।ভালো লাগে কবিতা পড়তে। একসময় ক্রিকেট খেলতে খুব ভালবাসতাম। এখন সময় পেলে কবিতা লিখি। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল ভালো লাগে খুব। ভালোলাগে রবীন্দ্র সংগীত আর কবিতা । সবচেয়ে ভালো লাগে স্বদেশ আর স্বাধীন ভাবে ভাবতে। মাছ ধরতে

দশটি সদ্য প্রস্ফুটিত রক্তগোলাপ ,এবার বাংলা ছাড়ো তাদের কথা বলছি

০১ লা আগস্ট, ২০২৪ দুপুর ১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




দশটি সদ্য প্রস্ফুটিত রক্তগোলাপ

দশটি শিশুর প্রাণ অকাতরে
গেছে ঝরে —তিমির আধারে
বারান্দায় ছাদে, বসে থেকে ঘরে
যেন দশটি সদ্য প্রস্ফুটিত রক্তগোলাপ
ঝরে গেলো অনাদরে ।
কে নেবে তার দায়ভার!
হে রাষ্ট্র তাদের পক্ষে কি
বলা যাবে? তারা তো নিষ্পাপ!
তাতে কি উস্কে দেয়া হয়, বীর জনতা বাংলার?
তোমাদের চেহারা তাতে কী হয় কদাকার।
তাতে কী অন্যায় হবে?
এটাতো নয় কসাই খানা
তাতেও কি হতে পারে রিমান্ড জেল জরিমানা?
তাদেরও যে ছিলো অধিকার
একটি নিরাপদ বাসযোগ্য দেশের
তারও তো ছিল— দাবিদার।
তাদের জীবন দিন ফিরিয়ে
যদি পারেন, এই নিরাপত্তহীনতা
ও প্রাণ সংহার তো মানবাধিকারের সুষ্পস্ট লংঘন
দৃষ্টান্ত মূলক বিচার চাই এই ঘৃণ্য বর্বরতার।

এবার বাংলা ছাড়ো

তোমাদের পাপাচারের পাহাড় যেন ছূয়েছে ঐ অনন্ত আকাশ
রন্ধ্রে রন্ধ্রে দূর্নীতি, তোমাদের উপর নেই কোন আস্থা ও বিশ্বাস
দেশের দশের সকলের, তাইতো মা বাবা ভাই বোন এখন - রাজপথে
চরম অনিরাপত্তায়, তারাও সঙ্গী হতে চায় - প্রিজন সেলে
তাদের সন্তান হৃদস্পন্দন কলিজার টুকরা হয়েছে গ্রেফতার
অথবা গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে হয়েছে ফেরারি
তারা কি দেশপ্রেম ভালোবাসার বন্ধন সব ছেড়ে
আপনাদের নড়বড়ে মসনদের নিশ্চয়তা দেবে
হয়তো সন্তান হারিয়ে আজ তারা সর্বশান্ত
মসনদের প্রহসনে তারা দিকভ্রান্ত
যাদের দরজায় রাত বারোটার পর কড়ানাড়ে খট খট শব্দে
পাক হানাদারের মতো - এটাই কি দাবি তব নব্য সভ্যতার
ক্ষমতার মসনদ কেন এতো নড়বড়ে
নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে? কে নেবে তার দায়ভার?
গুইবলসীয় কায়দায় তোমাদের ধৃষ্টতা যেন আকাশ ছূঁয়েছে
হে দূর্ণীতির আকাশ ,এবার বাংলা ছাড়ো ।



তাদের কথা বলছি

কোটা সংস্কারের দাবিতে
যারা হারালো প্রাণ, তাদের কথা বলছি
কেন তাদের মরতে হলো?
শুকনো পাতার মতো ঝরতে হলো
এই বর্বর হত্যাকান্ড কারা ঘটালো?
কাদের ব্যর্থতার বলি তারা?
কাদের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার দায়ে-
তারাতো চেয়েছিলো অধিকার ।
কোটা সংস্কারের দাবিতে
যারা হলো বিকলাঙ্গ, তাদের কথা বলছি!
কেন তাদের পঙ্গু হতে হলো
অক্ষম হতে হলো
এই বর্বর অত্যাচার কারা ঘটালো
কাদের ব্যর্থতার বলি তারা
কাদের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার দায়ে
তারাতো চেয়েছিলো অধিকার
কোটার সংস্কার ।
কোটা সংস্কারের দাবিতে
যারা রাজপথে মিছিলে— শ্লোগানে, তাদের কথা বলছি
কেন তাদের রাজাকার বলা হলো?
স্বাধীনতার তেপ্পান্ন বছর পর, আমাদের নব প্রজন্ম
ক্ষত বিক্ষত রক্তাক্ত বিক্ষুব্ধ আগ্নেয়গিরি কেন হতে হলো?
দেশটা কেন হলো সমুদ্রে উত্তাল ঢেউ যেন এক সুনামি।
কাদের ব্যর্থতার বলি তারা?
কাদের দায়িত্ব জ্ঞানহীনতার দায়ে?
তারাতো চেয়েছিলো ন্যায্য অধিকার-
ওদের ন্যায্য দাবি
মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ;
বৈষম্যহীন পৃথিবী— যোগ্য নেতৃত্ব—পরিশেষে দেশের সমৃদ্ধি।
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ থেকে ওরা পরিপুষ্ট ঋদ্ধ— সমৃদ্ধ
ঐ যে মেধাবী— আগামী দিনের কান্ডারি
ওরা তো নয় চাদাবাজ, দুষ্কৃতিকারি কিংবা পিটুয়া বাহিনী
ওরা দেশের ভবিষ্যৎ— আলোকিত পথের পথচারি
হ্যা! তাদের কথা বলছি,
এতো কিছুর পর কি করে থাকে মসনদের ম্যুহ?
ওরাই ছিলো আমাদের পৃথিবী
পৃথিবী ছাড়া দেশ কি হয় ?
পৃথিবীর কথাই বলছি কেন এতো ধ্বংসযজ্ঞ
আর মানবতার চরম লংঘন ।


সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০২৪ দুপুর ১:৪৮
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

উপরোধের আগে

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



একটা ক্ষণ,
ক্ষীণ, তবুও অবয়,
আমাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখবে সবুজ অটবীর আলেখ্যে,
তুমি এলে,
সেই পুরোনো মায়া হয়ে।

কতকাল পরে সম্মুক্ষে দু জোড়া চোখ?
সে প্রশ্নের প্লাবনে আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি আধুনিক যুগের জন্য প্রস্তুত।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:২৩

২০০৯ সাল থেকে সম্ভবত সকল সরকারি কর্মচারীদের ব্যাংকে বেতন হয়। এবং এই বেতন দেওয়ার পক্রিয়া ১০০% কম্পিউটার বেইস। সরকারি কর্মচারীদের বেতন সিজিএ অফিস হ্যান্ডেল করে। আর সম্ভবত আইবিবিএএস+ সার্ভার বেতন... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫৫ বছরে কেন আরেকটা রিফাইনারি হলো না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪৪


রাশিয়া থেকে তেল আনতে হলে আমেরিকার অনুমতি লাগবে। এই একটা বাক্য পড়লে অনেকে ভাববেন এটা কোনো রাজনৈতিক ভাষণের অংশ, কিংবা অতিরঞ্জন। কিন্তু এটা ২০২৬ সালের বাস্তবতা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ লেগেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আছছে পিনু ভাই

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০২


ঘরের ছোল নাকি ঘরত আছছে
পুটি, বওল, টেংরা মাছ কুটিরে?
পাতিলত ভরে পুরপুরি ছালুনের
বাসনা যেনো আকাশত উরে-
কি সখ ছোলপল নিয়ে হামি এনা
যমুনাত যামু গাওধুমি, সাতরামু;
কে বারে শুন শুন হামাগিরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নৈতিকতা, দ্বিচারিতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কি আছে?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২০



নৈতিকতা, দ্বিচারিতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কি আছে?

এখানে ছবি আছে ক্লি করে দেখতে হবে, যেহেতু আমাকে ছবি আপলোডে ব্লক করেছে এডমিন।

দেশের রাজনীতিতে একটি পুরোনো প্রবণতা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠছে- জনগণের বাস্তব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×