somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অসুস্থের ভিড়ে সুস্থ রাজনীতিকের খোজে

০১ লা আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশ খুব কঠিন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। রাস্তায় বের হলে জানের কোন নিরাপত্তা নাই। পুলিশ ব্যবহার হচ্ছে শাসক শ্রেনীর হয়ে। ব্যাংক থেকে টাকা লোপাট, লোকার থেকে সোনা গড়মিল, কয়লা খনি থেকে কয়লা লোপাট, আইনশৃঙখলার ব্যপক অবনতি, গতকালকের ৩ সিটি ইলেকশনে ভোট জালিয়াতি, জাল ভোটের মহোউৎসব, পুলিশ নিরব। আমরা সাধারন জনগন হঠাৎ হঠাৎ রাস্তায় নেমে একটু আন্দোলন করি তারপর যে যার কাজে নেমে পরি। আর আমাদের নেতা মন্ত্রীরা অবান্তর হাস্যকর কথা বলে দেশ চালায়। কিন্তু নাগরিক হিসাবে আমাদেরও কিছু দায়িত্ব থাকে, আমাদেরও কিছু ভুল থাকে, আমরা কি তা কখনো শুধরানোর চেষ্টা করেছি? সব থেকে বড় ভুল আমাদের, কারন ৫ বছর পর পির আমরাই এসব অবান্তর মানুষের কাছে আমাদের ক্ষমতা তুলে দেই। আজকে অনার্স মাস্টার্স করা কইটা ছেলের গোল রাজনীতিক হয়ে দেশকে বদলাবে? কয়জন বলবে আমি ল মেকার হতে চাই, দেশ থেকে অসুস্থ রাজনীতি দূর করতে চাই। অথচ ১০০ জনকে জিগ্যাসা করলে ৯৫জনই বলবে আমি বিসিএস ক্যাডার হতে চাই৷ ক্যাডার হয়ে কখনো দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন বা দেশের অসুস্থ চিত্র বদলে দেওয়া সম্ভব না। এর জন্য দরকার সুস্থ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। যারা জনগনের ভিতরে মিশে জনগনের মনের দাবি শুনবে। আসলে তারা কিভাবে দেশটাকে চাই সেটা জানতে চাইবে। অথচ আমরা সেটা নিয়ে ভাবি না। দেশের এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে সেদিন যেদিন স্বার্থ ছাড়া মেধাবি একটা ছেলে বা মেয়ে ল মেকার হবে। আইন বানাবে মানুষের জন্য, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে জনগনের জন্য। সেদিন আমাদের মুক্তি আসবে। যেদিন গোল্ডেন জিপিএ ৫ বা অনার্সে সিজিপিএ ৩.৫০ এর উপরে পাওয়া একটা ছেলে বলবে আমি ক্যাডার হবো না। আমি রাজনীতিক হবো, আমি ল মেকার হবো সেদিনই আমি তাকে প্রকৃত মেধাবি বলবো। যেদিন সিজিপিএ ৪ পাওয়া ছেলে হবে ল মেকার আর সিজিপিএ ২.৫ পাওয়া ছেলে হবে ক্যাডার সেদিন উচ্চ পর্যায় থেকে সঠিক দিকনির্দেশনা আসবে, আর প্রশাষন সেটা কার্জকর করবে সেদিন দেশের মানুষ ভালো থাকবে। আইন শিক্ষা জীবনের প্রথম দিন এক স্যার ক্লাসের সকলকে জিগ্যাসা করতেছিলেন আইন পড়ে তুমি কি হতে চাও সবাই বলেছিলো দেশ সেরা আইনজীবি বা বিচারক হবো এক মাত্র আমি বলেছিলাম আমি ল পড়ছি কারন আই ওয়ান্ট টু বি আ ল মেকার। ইয়াং জেনারেশনকে ক্যাডার হওয়ার থেকে রাজনীতিক হওয়া অনেক বেশি জরুরী এখন।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:১৫
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মুমূর্ষু কবিতা

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১১



আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ এসেছে শরৎ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১



শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।

ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ। 

স্নিগ্ধ  বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×