আওয়ামী লীগ এখনো ক্ষমতায় থেকে হেরে যাওয়ার সংস্কৃতি থেকে বের হতে পারে নাই।
আর বিএনপি হেরে যাওয়াকে মেনে নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বের হতে পারে নাই৷
আল্টিমেটলি ২টা দল এক বিন্দুতে মিলিত হয়ে আছে।
ফেয়ার ইলেকশনে প্রধান অন্তরায় আমার মতে আমাদের মেন্টালিটি। শুধু যে দলের নেতা কর্মীর মেন্টালিটি বাধা হচ্ছে সেটাও না, সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে দলের সমর্থকদেরও মেন্টালিটি অনেক বড় বাধা।
ফেয়ার ইলেকশনের জন্য প্রধান যে করণীয় তা হচ্ছে,
১। আপনাকে ফেয়ার ইলেকশন নিশ্চিত করতে হবে।
২। আপনাকে ভোট কেন্দ্রে যেতে হবে।
বাসায় বসে যদি ভাবেন আমার ভোট তো দেওয়া হয়ে যাবে তাহলে ঐভাবেই দেওয়া হয়ে যাবে। আপনাকেও কেন্দ্রে যেতে হবে।
কিভাবে ফেয়ার ইলেকশন নিশ্চিত করা যাবেঃ
প্রথমত পুলিশ আনসারকে তুলে নিতে হবে।
দ্বিতীয়ত, প্রতি কেন্দ্রে ১ প্লাটুন সেনা নৌ এয়ার সেই সাথে স্ট্রাইকিং ফোর্স র্যাবের সমন্বয়ে একটা টীম থাকবে, তার সাথে প্রতি কেন্দ্রে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটা মোবাইল কোর্ট থাকবে।
তৃতীয়ত, প্রতি আসনে ১জন করে হাইকোর্টের বিচারপতিরা থাকবেন, যারা কি না উক্ত আসনের সকল দায়িত্বে থাকবেন। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা সকল অফিসারগন থাকবেন উক্ত বিচারপতির অধিনে।
চতুর্থত, বুথে বা কেন্দ্রে কোনও দলের নির্বাচনী এজেন্ট থাকতে পারবে না।
পঞ্চমত, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সর্বোপরি রাজনৈতিক দলদের ভোটারদের প্রতি আস্থা রাখতে হবে, ফল যাই হোক সেটা মেনে নেওয়ার মানুষিকতা তৈরী করতে হবে।
তাহলেই ইলেকশন মোটামুটিভাবে সার্থক করা সম্ভব। তাছাড়া সম্ভব না অন্তত বাংলাদেশে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






