দুই নেত্রীর সংলাপে একদল মানুষ 71ঘন্টা অনশন শুরু করেছে। আমার বোধে আসেনা যে এটা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারনা করা হচ্ছে। যে নেত্রী যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে এত তান্ডব চালাচ্ছে দেশের ক্ষতি সাধন করছে এমন কি মহান স্বাধীনতা দিবসেও অরাজকতার সৃষ্টি করেছে সর্বপরি রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকাণ্ড শুরু করছে তাদের সাথে কিসের আলোচনা?
যিনি প্রগতিশীল আন্দোলনকারীদেরকে নাস্তিক বলতে দ্বিধা করেন না, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছেড়ে লুটপাট করছেন এমনকি সেনাবাহিনীকে উষ্কে দিয়ে গণতন্ত্রের পূজা করছেন তার সাথে কিসের আলোচনা? বরং এইসব কর্মকাণ্ড বন্ধের জন্যঅনশন শুরু করুন সেটাই হবে কর্যকর। সংখ্যালঘু নির্যাতন, দেশের সম্পদ ধ্বংসকরা, জামাত-শিবিরকে প্রশ্রয় দেয়া বাংলাদেশেকে পাকিস্তানী মডেরের গণতন্ত্র নির্মানের চেষ্টার বিরুদ্ধে 71 ঘন্টা নয় আমরণ অনশন শুরু করুন।
সংলাপে আশা করি কোন ফলাফল আসবেনা েএবং জনগণ কোন কার্যকরী ফল ভোগ করবেনা। সংলাপের উদ্দেশ্য মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে খর্ব করা, যা মোটেও সমীচিন হবেনা। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অহঙ্কার, দেশপ্রেমসহ সবকিছু স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির সাথে কোন আপোষকামী মনোভাবে সমাধান সম্ভব নয় এবং জনগন তা মেনে নেবেনা। আর মেনে নেয়নি বলেই এত বড় জাগরন সম্ভব হয়েছে।
71ঘন্টা অনশনকারী প্রিয় যোদ্ধাবৃন্দ, আপনারা অনশন করুন স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি এবং জামাত শিবির এ রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ ও দেশকে ধ্বংসাত্নক এবং বিপদগামী করে দেবার নেতৃত্বদানকারীদের বিপক্ষে তাহলেই জনতা আপনার সাথেেআপনাদের সাথে থাকবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


