somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জরিমানা দিলাম

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৫ সকাল ১১:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জার্মানী পৃথিবীর শিল্পোন্নত দেশগুলির একটি। গতবার যখন আমি হামবুর্গ যাই বিমান থেকে নেমেই আমরা একটা বড় রেস্টুরেন্টে যাই।

রেস্টুরেন্টে ঢুকেই আমরা অবাক। এতো বড় রেস্টুরেন্টের প্রায় পুরোটাই ফাঁকা। এক কোনে এক জোড়া কপোত-কপোতী বসে আছে। তাদের সামনে মাত্র দুটো আইটেম আর দুটি বিয়ারের ক্যান। নিশ্চয়ই ছেলেটার কিপ্টেমি দেখে কিছুদিনের মধ্যেই মেয়েটা ভাগবে। আরেকটা টেবিলে কিছু বয়স্ক লোক খাওয়া-দাওয়া করছে। বেয়ারা একেকটা ডিশ নিয়ে আসছে আর তারা মুহুর্তের মধ্যেই শেষ করে ফেলছে।

আমরা আমাদের খাওয়ার অর্ডার দিলাম এবং যখন আমরা খাওয়া শেষ করলাম তখন আমাদের এক তৃতীয়াংশের মতো খাবার টেবিলেই পড়ে রইল। আমরা যখন উঠে যাব তখন পাশের টেবিলের এক বয়স্ক ভদ্রমহিলা প্রথমে জার্মান ভাষায় এবং পরে ভাঙ্গাভাঙ্গা ইংরেজীতে যা বলল তাতে বুঝলাম খাবার নষ্ট করাতে সে আমাদের উপর বেশ বিরক্ত।

"We paid for our food, it is none of your business how much food we left behind" - আমার সঙ্গী তাকে ঝটপট জবাব দিল। আমাদের কথা শুনে সে ও তার সঙ্গীরা তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলো। তাদের একজন সঙ্গে সঙ্গে কাকে যেন ফোন করলো। কিছুক্ষনের মধ্যেই ইউনিফর্ম পরা কিছু স্যোশাল সিকিউরিটি গার্ড চলে আসলো। বিষয়টি বিস্তারিত জানার পর তারা আমাদের ৫০ ইউরো জরিমানা করে দিল! আমরা চুপ করে গেলাম।

অফিসার আমাদের বললো, "Order what you can consume, Money is yours but Resources belong to the Society. There are many others in the world who are facing shortage of resources. You have no reason to waste resources". - টাকা তোমার কিন্তু সম্পদ সমাজের, তুমি তোমার টাকা খরচ করতে পার, সম্পদের অপচয় করতে পার না।

জার্মানীর মতো ধনী একটা দেশের মানুষের চিন্তা আমাদের লজ্জায় ফেলে দিয়েছিল।

(ফেসবুকে পাওয়া কাহিনী অবলম্বনে)
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মৃত্যুর আগে কি মানুষ টের পায়, সে মারা যাচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



মৃত্যুর কয়েক মুহুর্ত আগে, টের পাওয়া যায়- মরে যাচ্ছি।
সময় শেষ। তবে সবাই বুঝতে পারে না। কেউ কেউ বুঝতে পারে। আমার বাবা একদিন মাকে বলল, আমার দোষ ত্রুটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোল্ডেন সেপিয়া দিগন্ত এবং ভ্যাঞ্জেলিসের অমর সুর: এক কালজয়ী সমুদ্রযাত্রার মহাকাব্য

লিখেছেন চারাগাছ, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:০০




গোল্ডেন সেপিয়া দিগন্ত এবং ভ্যাঞ্জেলিসের অমর সুর: এক কালজয়ী সমুদ্রযাত্রার মহাকাব্য


সময়টা যেন হুট করেই থমকে যায়, যখন ইথারে ভেসে আসে সেই অতিপ্রাকৃত সুরের মূর্ছনা। চোখ বন্ধ করলেই মনের ক্যানভাসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার এআইনোক্কিও

লিখেছেন শায়মা, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৪


এক জীবনে কত কিছু দেখা হয় কত কিছু জানা হয় মানুষের! আসলেই কত অজানারে! লেখক শংকরের এই নামে একটি বই আছে। কবিগুরুর আছে কবিতা কত অজানারে জানাইলে তুমি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ সাইটের জন্য ডোমেইন নাম সাজেস্ট করুন

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫


বাংলায় ব্লগিং করার জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে চাচ্ছি। আপাতত মূল উদ্দেশ্য হলো সামুতে লিখা আমার সবগুলো পোস্ট ধীরে ধীরে সাইটটিতে আর্কাইভ করে রাখা। সামুতে অনেকে নিবেদিত প্রাণ ব্লগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:২২



ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে
==================================
পিঠ ছুঁয়ে নামা মেঘবরণ তার লম্বা কালো চুল,
তারই মাঝে লুকিয়ে হাসে একটি সাদা ফুল।
চোখ দুটো তার ডাগর ডাগর, অবাক করা আলো,
দুষ্টুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×