আজিজের মা বাবা বাধ্য হয়েছিল শিঞ্জির পর্বতমালায় আজিজকে ত্যাগ করতে কারন সে জন্ম থেকেই পঙ্গু।আজিজকে বহন করা নাকি তাদের জন্য অসম্ভব ছিল । ১৪দিন যাবত শিশুটির কোন নাম ছিলনা, ছিলনা পানি ও খাবার । প্রখর সূর্যের তাপ আজিজের চোখ দুটির ক্ষতি করেছিলো। তবুও আজিজ বেচেছিল ঈশ্বরের অনুগ্রহে । সিরিয়া ও ইরাক বর্ডারের এই নো ম্যান্স ল্যান্ডে অগ্রসরমান আই এস এর ঘাতক যোদ্ধারা পৌঁছানোর আগেই সবাই সরে পড়ছিল আরও নিরাপদ অবস্থানে । পঙ্গু আজিজ বোঝা হয়ে দাঁড়ালো তার নির্দয় বাবা মার জন্য। তারা তাকে ওই পাহাড়ে রেখেই ত্যাগ করল রিফিউজি ক্যাম্প। কুর্দি মুক্তিসেনারা দখল নিল ওই জায়গার। তারা দেখল একটি অর্ধমৃত শিশু পড়ে আছে একাকী। দ্রুত তাকে সিরিয়ার একটি হাসপাতালে পাঠাল। চিকিৎসা পেল আজিজ। তার পানিশূন্যতা এতটাই বেশী যে এতে তার কিডনি দুর্বল হয়ে গিয়েছিলো। খুব দ্রুত ওর ছবি ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক সাইটে চলে এলো। প্রতিবেশিরা আজিজের বাবাকে জানাল এই খবর। নির্দয় এই বাবা রওনা হল কুর্দিশদের নিয়ন্ত্রিত সিরিয়ার এই হাসপাতালে। কিন্তু পিতা জালালের জন্য দেরি হয়ে গেছে । সে পৌঁছানোর আগেই ভোরবেলা আজিজ দুনিয়া ছেড়ে চলে গেল পরপারে।
ভালই হল, এইরকম পশু বাবা আর মার সাথে না থাকাই উত্তম।
সামাজিক সাইটগুলো হারিয়ে যাওয়া মানুষকে কিভাবে সাহায্য করে আপনজনের খবর পেতে তার বড় প্রমান শিশু আজিজ।


সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১২:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




