
অনেক পরে ৯৫,৯৬, ২০০০,২০০১ সালে গেছি কলিকাতায় । চেন্নাই দিল্লি ঘুরে ফেরত আসার পথে শপিং । আমরা অনেক শপিং করতাম । পুরো নিউমার্কেট এলাকা চষে ক্লান্ত হয়ে কোক খেতে বসতাম , একটা বিড়ি ধরিয়ে । আমাদের আশপাশে অনেক বাঙালি শপিং করছেন , ভাষা শুনে বুঝতাম । হোটেল গুলো বাংলাদেশী লোক দিয়ে বোঝাই । একজন আমায় ঠাট্টার ছলে বললেন আমরাই শপিং করি ম্যাক্সিমাম , লোকাল মানুষ কি শপিং করে । তাই ই মনে হল । ওরা জানে কি কি চাই আমাদের আর জিনিসপাতিও সেভাবে বানায় । খারাপ লাগতো নিজেদের প্রোডাক্ট নেই দেখে । আমি বা আমরা কখনও শপিঙের উদ্দেশ্যে কলিকাতা যাইনি । ব্যাবসা , চিকিতসা ইত্যাদি কারনে যাওয়া ।
তো সেই বিখ্যাত নিউমার্কেট এখন বসে গেছে গাহাকের অভাবে বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া গাহাকের অভাবে । শুধু নিউমার্কেটে দৈনিক বিক্রি হত ৭ কোটি রুপি। যার অর্ধেক আসত শুধু বাংলাদেশী ক্রেতাদের কাছ থেকে। সেই হিসাবে কলিকাতার শুধু এই একটি মার্কেটে বাংলাদেশিরা প্রতি বছর খরচ করে ১৫০০ কোটি টাকা!!! প্রায় ২ হাজার ৩০০ দোকান আছে এই নিউ মার্কেটে । অনেক দোকান বন্ধ হয়ে গেছে কারন কর্মচারীর খরচটুকু পর্যন্ত উঠছে না । এক দোকানী , তিনি আবার নেতা , জানালেন, নিউ মার্কেটের ১৪৪ বছরের ইতিহাসে এমন দুর্দিন আগে কখনো আসেনি।পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে জানি না, তবে বাংলাদেশ থেকে মানুষ ভারতে আসা শুরু করলে আমাদের আবার কিছু ব্যবসা হবে' জানালেন কসমেটিকসের দোকানদার একজন ।
আমাদের ঢাকা বা জেলা শহরেও একই অবস্থা । কলিকাতার রেফারেন্স দিলাম এজন্য যে আমাদের ওপর দাড়িয়ে নিউমার্কেটের অর্থনীতি কিন্তু আমাদের পানি দিয়ে ভাসিয়ে দিচ্ছ, সীমান্তে পাখির মত মানুষ মারছ । বাজার আবারও চাঙ্গা হবে এবং আমাদের মানুষরাও ভুলে যাবে সবকিছু কিন্তু নদীর পানির কোন সুরাহা হবেনা হবেনা বন্ধ সীমান্ত হত্যা ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




