
মাইহারে রবিশংকর তখন উস্তাদ আল্লাউদ্দিনের কাছে সিতার বাদনের তালিম নিচ্ছিলেন । আল্লাউদ্দিন তার কাছে বসা এক বন্ধুকে বললেন এই ছেলে বাজনা বাজিয়ে আকাশের মেঘ থেকে বৃষ্টি ঝরাবে । সেই তারা কেউই নেই আমাদের পৃথিবীতে , আল্লাউদ্দিন খাঁ , রোশেন আরা ওরফে অন্নপূর্ণা যাকে উস্তাদ পণ্ডিতের হাতে তুলে দিয়েছিলেন , পণ্ডিত , তাদের একমাত্র ছেলে কেউই নেই। আনুশকা এতই ভাল বাজায় যে ওর পাঁঠানো ছোট ক্লিপ মন দিয়ে শুনি । আমার আশা বাবাকেও আনুশকা ছাড়িয়ে যাবে । আনুশকা দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তান । কদিন আগে ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় উস্তাদ আল্লাউদ্দিনের বসতবাটিতে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা । সব জ্বলে পুড়ে শেষ । আমার সাথে রবিশঙ্করের অল্পসময় কথা হয়েছিল যখন জানলেন আমি তাদের পাশের গ্রামের ছেলে , সেই ১৯৮৩ র সেপ্টেম্বরে , পিকিঙ্গের শরত কাল , বেশ উচ্ছল হয়ে উঠেছিলেন আমাকে পেয়ে । মানুষের এসব স্মৃতি , উজ্জ্বল স্মৃতি বাচিয়ে রাখে মানুষকে । উজ্জ্বল করে তোলে তার সাংস্কৃতিক অধ্যায় , মেধা ।
প্রনমি পণ্ডিত রবিশঙ্করকে ।
ছবি সৌজন্যঃ আনুশকা শঙ্কর




সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



