
বাংলাদেশের গাড়ি সংযোজন ইতিহাস স্বাধীনতার পর থেকেই । ৭৬ সালে ঢাকায় এলাম প্রগতি ইন্ডাস্ট্রির তৈরি প্রগতি ব্র্যান্ড বাস । তারপরের ইতিহাস টাটা কোম্পানির । যদিও সাহায্য হিসাবে ৭১ র ডিসেম্বরে ইসুজু ট্রাক যা এসেছিল তা ক্রমেই সরকারী যান হিসাবে ব্যাবহার শুরু হল । জাপানি আর ভারতীয় চেসিস আসত আর তা যশোরে ঢাকায় আর চিটাগঙে বডি বানানো শুরু হল । এখন যে ছোট গাড়ি বানানো হচ্ছে তার ইঞ্জিন ইন্দোনেশিয়ার আর বডি জাপান থেকে আসবে । ইতিমধ্যে তাদের প্রডাক্ট ঢাকায় চলছে তবে তারা কোন উৎসব করে গাড়ি বাজারজাত করবে না । প্রায় ৩০ লাখ টাকা দাম পড়বে গাড়ি প্রতি । এরা পিক-আপ ট্রাক, বাস এবং পূর্ণ আকারের কনটেইনার ট্রাকও বানাচ্ছে । আমার খুব ভাল লাগে উতপাদন্মুখি শিল্পে । বাংলাদেশের ব্যাবসায়িদের একটি প্রবনতা ট্রেডিং । এই অভ্যাসের জন্য আমরা পিছিয়ে । করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বাজারজাতকরণে কিছুটা পিছিয়ে পড়লেও চলতি বছরেই প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব অভ্যন্তরীণ ডিজাইনিং টিমের সাথে ১২ টি বিভিন্ন ধরণের যানবাহন তৈরির পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎচালিত গাড়িও রয়েছে। বাংলা কার লিমিটেড একটি ডিজাইনার গ্রুপ করেছে যাদের মুল কাজ নতুন ডিজাইন তৈরি করা ।
আশা করছি অচিরেই সম্পূর্ণ গাড়ি আমরাই বানাবো ।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১১:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




