
ছবিটি প্রথম আলো ছাপিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হৈ চৈ ফেলে দিয়েছে । এই সাহসী যুবক সংক্রমণকে তোয়াক্কা না করেই নিজের সহধর্মিণীকে ওড়না দিয়ে পেচিয়ে নিজের সাথে বেধে পি জি হাসপাতালে গেছেন ভর্তি করতে । আমরা নিশ্চিত তারা সিট পাননি কারন চারিদিকে করোনা রোগীদের আর্তনাদ , সিট বা আই সি ইউর জন্য গগন বিদারী আওয়াজ । হাসপাতালে ভর্তি ৭০% রোগীই ঢাকার বাইরে থেকে এসেছে , এটা ডাক্তারের দেওয়া মিডিয়ার খবর , নিজে শুনেছি । আমাদের করোনা প্রস্তুতি এতটাই নাজুক যে যথেষ্ট সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ফিল্ড হাসপাতাল বানাইনি । আমাদের প্রজেকশন এবং পারস্পেকটিভ এতটাই শর্ট বা একদম নেই যা দিয়ে একটি হাসপাতাল চালানো মুশকিল । লোকেরা অসচেতন বা বেপরোয়া এটা বলে কুল পাওয়া যাবেনা , আপনার প্রস্তুতি কি ছিল ? পুলিশ মিডিয়াকে বলছে রাস্তায় অকারনে বের হওয়ার শাস্তি বসিয়ে রেখে ছেড়ে দেওয়া । এমন চমৎকার মেধার পুলিশ অফিসার আমি দেখিনি । তিনি বলছেন হাজতে জায়গা নেই , সংক্রমনের ভয় সব মিলিয়েই তার এই চমৎকার সিদ্ধান্ত । অনেকের কাছে ফাইন দেওয়ার টাকা নেই , সে বেরিয়েছে কাজের খোজে । ঢাকায় বেশ কয়েকটি স্টেডিয়াম আছে যাতে সব মিলিয়ে ৫০০০ রোগীর হিল্লে হতো । অক্সিজেন , আহা ! আরেক সমস্যা , ওটারও প্রস্তুতি নেই । টিকার গল্প জমজমাট কিন্তু আদতে কি হবে কেউ জানেনা ।
প্রিয় ব্লগার আপনাকে রক্ষার জন্য কেউ নেই । নিজেই নিজেকে রক্ষা করতে হবে । হাত স্যানিটাইজ করুন বা ধুয়ে ফেলুন, মাস্ক পরুন। বীর যুবক , ভালবাসার ইতিহাস আব্দুর জাহিদের মত আর কাউকে পাওয়া যাবেনা ।
সাবধানে থাকুন , আসন্ন দিনগুলো অন্ধকারাছন্ন ।
-------------------------------------------------------- আপডেট---------------------------------------------------
অবশেষে গতকাল সন্ধ্যায় আব্দুর জাহিদ তার স্ত্রী কে মহাখালীর ডিএনসিসি করোনা হাসপাতালে ভর্তি করতে সমর্থ হয়েছেন , আলহামদুলিল্লাহ ।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


