

কাল ১ আগস্ট রবিবার থেকে গার্মেন্টস কারখানা আর দু চারটি ভিন্ন কারখানা খোলার ঘোষণা দিয়েছে সরকার । আজ ভোর থেকেই ময়মনসিংহ ঢাকা রাস্তাগুলো শ্রমিকের পদচারনায় মুখর ।। দক্ষিণাঞ্চলীয় দুটি ফেরিঘাটে এতো মানুষ আসছে যে ফেরিতে অ্যাম্বুলেন্স ওঠার জায়গা নেই । ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, সিএনজি ও ভ্যানগাড়িতে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীরা চলাচল করছেন। শ্রমিকদের অতিরিক্ত চাপে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। মহাসড়কের স্কয়ার মাস্টারবাড়ী, জৈনাবাজার, নয়নপুর, মাওনা চৌরাস্তা, গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ী, বাঘের বাজার, রাজেন্দ্রপুর, গাজীপুর চৌরাস্তা ও টঙ্গী এলাকার শ্রমিকরা দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছে। লক ডাউনে এরা কেন বাড়ি গিয়েছিল বা হটাত করেই কেন সরকার এসব কারখানা খুলে দিল কোন আয়োজন ছাড়াই তা জবাব দেবার কেউ নেই । দুর্গতি কারখানা শ্রমিক এবং সরকার যুগপৎ ডেকে এনেছে । একজন শ্রমিক ফেরত যেতে এবং আসতে কি পরিমান খরচ এবং কষ্ট হচ্ছে তা অবর্ণনীয় । শীতের কাপড় উৎপাদনের এটিই সময় , সময় পাঠানোর । এটা আমলাদের মাথায় ছিল না ।
কাকে দায়ী করবেন ?

আপডেট- সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৮ টা পর্যন্ত কয়েকটা ফরমান জারি হয়েছে । লঞ্চ চলাচল কাল দুপুর ১২ টা পর্যন্ত । চালুই হয় নাই বন্ধের ঘোষণা আগে । ৫ তারিখের মধ্যে কাজে যোগদান করলে হবে । একজন ফেরত আসা যুবককে মিডিয়া বলছে কিভাবে জানলেন কারখানা খুলবে ? তিনি বললেন এস এম এস । কি সাংঘাতিক , সরকার নিজেই জানার আগে দূর দুরান্তের শ্রমিকরা রাতেই জেনে গিয়ে ভোর বেলা রওয়ানা হয়েছে । বাংলা বাজার ঘাট এবং পাটুরিয়া থেকে ঢাকা আশুলিয়া গাজীপুর কিভাবে যাবে ? এটা নিশ্চিত কাল দুপুর ১২টায় জানা যাবে । আপাতত বীর বাঙালি পায়ে হেটে রিকশায় ৮০০ টাকা , স্কুটার , টেম্পো , ট্রাকে খুশি মত ভাড়া দিয়ে আসছে । জন প্রশাসন মন্ত্রীর ঘোষণা তাতে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের সঙ্ক্রমন আশংকা , মন্ত্রী পরিষদ সচিবের ঘোষণা , সব মিলিয়ে একটা যোগাযোগ বিহীন সরকারি কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয় ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৯:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


