
কাল দুপুরের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিপজ্জনক লঞ্চ চালানোর চিত্র অনেকেই দেখেছেন । দুটি লঞ্চ একে অপরকে আগে যেতে বাঁধা দিতে নদীর মধ্যে শত শত যাত্রী নিয়ে ঠেলাঠেলি শুরু করে । সম্ভবত এটি মৈত্রী সেতুর নিচে হবে। চীনা ভাষায় মন্তব্য করে কেউ একজন পোস্ট করেছেন ভিডিওটি । যাক শেষ মেষ কোন বিপদ ছাড়াই লঞ্চের অশুভ ধাক্কাধাক্কি শেষ হয়েছে । কিন্তু আমরা কেন এই বিপজ্জনক ঘটনাকে সমর্থন দেব । নীরবতাও এক ধরনের সমর্থন । আমার বাসের ডগ ফাইট এর কথা মনে পড়ছে । ১০ নম্বর বাস দুটি পুরানা পল্টন পেরিয়েই একে অপরকে যে ভাবে ধাক্কা দিয়ে গ্লাস চুরমার করছিল তাতে আসলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম । ড্রাইভারদের মুখে হাসি । এটা ১৯৯৭ সালের কথা , ভোরবেলা । যাব বারিধারা । মালিবাগ পৌছিয়ে তারা ক্ষান্ত দিল এই যুদ্ধের । অল্প কজন যাত্রীর মাঝে আমি একা চিৎকার করেও লাভ হয়নি । নিরাপদের আমেরিকান এমব্যাসির স্ট্যান্ডে নামলাম । পাঠক এরকম ঘটনা এই দেশে অহরহ ঘটছে । এক ট্রাক মালিক আমায় বলেছিলেন এরা সব মাদারিপুর এবং বরিশালের প্রডাক্ট । দুই বাসের প্রতিযোগিতায় এক যুবক হাত পর্যন্ত হারিয়েছিলেন । লঞ্চ এবং বাস (লোকাল) এগুলো সরবচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করে । সরকার এবং প্রশাসন নিরব থাকে কি এক অজানা কারনে । পাঠক আপনার প্রতিক্রিয়া কি , জানাবেন । কি ধরনের শাস্তির আওতায় আনলে এই উপদ্রব বন্ধ হবে ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০২২ দুপুর ১২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



