
আমি এখানে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম " আসুন, এদের কে ক্ষমা করে দেই!! সেখানে কিছু মন্তব্য আর আমার ব্যাক্তিগত জানার আগ্রহ থেকে কিছু প্রশ্ন করছি। এখানে প্রশ্ন করার মূল উদেশ্য হল- এখানে আওয়ামলীগের শিক্ষিত লোক থাকে (কিভাবে বুঝলাম তাঁরা শিক্ষিত? কিছু লিখলেই বা মন্তব্য করলে তাঁরা বলে যা জানেন না তা নিয়ে কথা না বলা ভাল, তার মানে তাঁরা ঐ সব বিষয় ভাল বুঝে) আওয়ামলীগ সমর্থক ভাইরা জিয়াউর রহমানকে দেখতে পারে না কারণ তাদের যুক্তি জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সাথে হাত মিলিয়ে ছিলেন। যুক্তির খাতিরে ধরে নিলাম জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন।
এখন আমার প্রশ্নঃ
১) বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের মূল পথ রচনাকারী জাসদ কেন আওয়ামলীগের সাথে?
২) তাঁরা কেন মন্ত্রী?
আওয়ামলীগ সব সময় মনে করে বঙ্গবন্ধুর বাকশাল করা ঠিক ছিল। তিনি দেশের উন্নয়ণ স্বার্থে বাকশাল করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যার পিছনে বাকশালকে যুক্তি হিসাবে দাঁড় করায় হত্যাকারীরা। আওয়ামলীগের দৃষ্টিতে, দেশের বিরুধীদের দেশের উন্নয়ন পছন্দ ছিল না তাই তাঁরা বাকশালকে পুঁজি করে নির্মম হত্যাকান্ড ঘঠায়।
এখন আমার প্রশ্নঃ
১) বাকশাল যদি দেশের উন্নয়ণে হয়, তাহলে আওয়ামলীগ কেন বঙ্গবন্ধুর জীবন দামের বাকশাল ছেড়ে আবার অাওয়ামলীগে ফিরে এল?
২) বি,এন,পি-জামায়াত জাসদের চাইতে দেশ বিরুধী এবং তাঁরা উন্নয়ন চাই না, তাহলে আওয়ামলীগ প্রায় পনের বছর রাষ্ট্র ক্ষমতা পেয়েও দেশের উন্নয়ণের প্রতিক বাকশালে ফিরে যাচ্ছে না?
ইতিহাস জানার অধিকার সবার আছে, আমার মত অশিক্ষিতদের ও অধিকার আছে। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্ম তারা কিভাবে ইতিহাস জানব, নিশ্চই বিভিন্ন লেখকের বই পড়ে। কার বই পড়ে শিখব, নিশ্চই যারা মুক্তিযোক্তা ছিলেন বা সংগঠিত করেছেন।
একটা বইয়ের উদাহরণ দেই- বইয়ের নাম: ৭১-ভিতরে বাইরে, লেখকঃ এ,কে খন্দকার, বীর উত্তম। লেখক পরিচিতি: মুক্তিযুদ্ধদের সময় ডেপুটি চিপ অফ স্টাফ, সেক্টর ফোরামের সভাপতি ছিলেন, ছিলেন আওয়ামলীগের মন্ত্রী, ২০১১ সালের স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত।
তার বইয়ের উল্লেযোখ্য বির্তকিত তা হল, তিনি বইয়ের ৩২ পৃষ্ঠায় লিখেছেন- বঙ্গবন্ধু ৭ই মার্চের ভাষণ শেষে জয় বাংলা, জয় পাকিস্তান বলেছিলেন আর কিছু ব্যাক্তি মতামত তুলে ধরেছেন। তারপর তাকে নিয়ে আওয়ামলীগের বক্তব্য মোটামুটি সবার জানা।
এখন আমার প্রশ্নঃ
১) কাদের বই পড়লে আমি সঠিক ইতিহাস জানতে পারব?
২) আওয়ামলীগের মতে বাইরে গেলে সেই বই কি অগ্রহণযোগ্য আর সেই লেখক কি নব্য রাজাকার?
আওয়ামলীগের দৃষ্টিতে- জামায়াতের সব লোক রাজাকার এবং দেশ বিরুধী।কিন্তু পত্র-পত্রিকায় বা স্বচক্ষে দেখা যায় বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের এলাকার আমির, রোকন আওয়ামলীগে যোগ দিচ্ছে।
এখন আমার প্রশ্নঃ
১) আওয়ামলীগে যোগ দিলেই কি জামায়াত সদস্য দেশ প্রেমিক হয়ে গেল?
২) নাকি আওয়ামলীগ এমন এক মেশিন যার এক দিক দিয়ে রাজাকার ঢুকালে অন্য দিক দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে বের হয়।
সর্বশেষ কথা হচ্ছে আমি রাজনৈতিক ফেরিওয়ালা নই তাই আপনাদের মন্তব্যগুলো রুচিশীল হবে বলে আশাকরি।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


