somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জন্মদিনে, উপহারের সাথে একটি বই নয় কেন?

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ২:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :







ব্লগে মাঝে মধ্যে অনেক সিনিয়র ব্লগার বই পড়ার উপর গুরুত্ব দিয়ে পোস্ট দেয়, খুবই ভাল লাগে সেগুলো, কিন্তু আবার অনেকে এক ধাপ এগিয়ে মসজিদ-মাদ্রাসার বদলে লাইব্রেরী তৈরি করতে জান-প্রান যুক্তি দেখায়। তাদের ঐসব খাঁড়া যুক্তি মাঝে মধ্যে খুব বিরক্তি লাগে।

বই পড়া প্রচলন করতে হলে আগে বই দরকার, আমি অনেক মানুষকে চিনি তারা মোটামুটি পড়তে ভালবাসে কিন্তু বই কিনতে যাওয়া, কি ধরনের বই কিনবে, কোথায় গেলে পাওয়া যাবে, এসব কারনে বই পড়া তেমন হয়না তাদের। একটা মানুষকে একবার যদি বইয়ের প্রেমে ফেলে দেওয়া যায়, তখন সে ঐ কষ্টগুলো মেনে নিয়ে বইয়ের দোকানে ছুটবে।

আমাদের সামাজিকভাবে নানা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হয়, এই যেমন- জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকী, মুসলমানি, ইত্যাদি। সম্মানে খাতিরে হোক আর সামাজিক নিয়মে হোক হাতে একটা গিফ্ট নিয়ে যেতে হয়। আমরা যদি ঐ গিফটের পাশাপাশি একটা সুন্দর বই যদি যোগ করি খুব বেশি খরচ বাড়বে বলে মনে হয় না। গিফটা দুই একদিনের মধ্যে পুুরানো খাতায় নাম লিখলেও বই কিন্তু নতুন পাঠকের কাছে নতুন থাকবে। এমনও হতে ঐ ফ্যামিলির সবাই উপহার দেওয়া বইটা পড়েছে।

আমরা অনেকে বন্ধুর বাসায় দাওয়াত খেতে যাওয়ার সময় সাথে হয়তো ফল, মিষ্টি নিয়ে যাই, সাথে কি আমরা একটা বই নিতে পারি না। তাছাড়া অবসর প্রাপ্ত আত্নীয়-স্বজনকে কিন্তু আমরা বই দিতে পারি।

প্রথমে একটু দ্বিধা লাগলেও এক সময় তা খুবই জনপ্রিয় হয়। আমি বাস্তব প্রমাণ--
আমি বার বছর আগে যখন চাকরিতে যোগ দেই তার কিছুদিন পর আমাদের ম্যানেজার ম্যাডাম চাকরি ছেড়ে ইংল্যান্ড চলে যান তাকে গিফটের জন্য যখন পরামর্শ হচ্ছিল আমি বললাম অন্য গিফটের সাথে কিছু বই দেওয়া যায়, কিন্তু আমার কথায় কেউ মূল্যই দিল না। আবার বছর দুয়েক পরে আরেক বস চলে যাওয়ার সময় আমি তাদেরকে বললাম আমি একা গিফট দিব এবং তা হবে বই, আমার সাথে আরও তিনজন কলিগ যোগ দিল, আমরা বই উপহার দিলাম। সেই শুরু অফিসে কারোর জন্মদিন পালন করলে অন্য উপহার হোক আর না হোক বই থাকবেই। সর্বশেষ আমাদের সিনিয়র ম্যাডামের জন্মদিন করলাম মাসখানিক আগে তাকে শুধু ডজন খানিক বই উপহার দিয়েছি। অবশ্য এইজন্য আমার একটু কষ্ট করতে হয়, সব বই আমাকে কিনে আনতে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ২:০৭
১৯টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সামু একটি ছোট নৌকা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫



একটা ছোট নৌকা, পাল তুলে, পাড়ি দিচ্ছে -
অন্তহীন তারার রাস্তা পেরিয়ে।
পেরোচ্ছে গ্রহ, ধূমকেতু, ছুটন্ত আগুনের টুকরো,
দূরে কোথাও ধাক্কা লাগে, তারপর শব্দটা মিলিয়ে যায়।
ধীরে, খুব ধীরে এগোয় নৌকা;
তবু এগোয়।

নৌকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোর্টাল – ২ গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৭


তখন বেশ ঠান্ডা পড়ে গেছে। সেপ্টেম্বরের রাত।
বরফ পড়া শুরু হয়নি। মন্ট্রিয়লের রাস্তা জনাকীর্ণ। বাড়ি থেকে বের হলে কো-দ্যেনিশ রাস্তার শেষ প্রান্তে একটা লাইব্রেরি আছে। তার পরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে ১০ টি বছর পার করলাম

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:০২



ব্লগে ১০ বছর পার করে দিলাম। কত সময় কেটে গেছে এখানে, কত পরিচিত মুখ রয়ে গেছে এখানে। তবুও ভালোবাসার বন্ধন যেন শেষ না হয়।

যে কবিতাটা দিয়ে ব্লগিং শুরু করেছিলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিন্নাহকে জানতে হলে পাকিস্তান আন্দোলনের ইতিহাস জানতে হবে। পর্ব-১

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



পাকিস্তান সৃষ্টির বছরখানেক আগে ১৯৪৬ সালে বোম্বে শহরের দুই নামকরা পার্সি ডাক্তার বুঝতে পেরেছিলেন যে ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর আয়ু আর বেশিদিন নেই। ডা.... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ ডিসেম্বর ১০-১৬: বিশ্ব বাংলাদেশকে নিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ছিল

লিখেছেন কলাবাগান১, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:১১


লিখা টির ইতিহাস ভিত্তিক ইনফো এআই থেকে সংগৃহীত

আমরা সবাই জানি যে ১৯৭১ সনের ১৬ই ডিসেম্বর বিকেলে পাকিস্হান হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পন করে মিত্রবাহিনীর কাছে। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো জানি না,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×