
গত টানা ১০ দিন ধরে অনশন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্য কোর্সের শিক্ষার্থী ওয়ালিদ আশরাফ, তার মূলত দাবি ২৭ বছর ধরে বন্ধ থাকা ডাকসুর কার্যক্রম দ্রুত চালু করা।
৮০ দশকে ডাকসুর জন্ম দেওয়া নেতারাই বিভিন্ন দলে এখন বড় অবস্থানে। আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদকও ডাকসুর নির্বাচন করেছেন যদিও তিনি পরাজিত হয়েছিলেন মান্নার কাছে। তবুও সেই সোনালি যুগের অনেকের নেতৃত্ব দেওয়ার গুনাবলী ছিল।
আজ বাংলদেশে ভাল নেতার অভাব, ডাকসুর কার্যক্রম যদি বন্ধ না হত তাহলে হয়তো এই অভাব দেখা দিত না। আমাদের নেতা নামে ব্যাবসায়ী লুটেরাদের চোখ বুজে সহ্য করতে হত না।
আমাদের দুই নেত্রী কখনও ডাকসুর কার্যক্রম চালুর পক্ষে যাবে না কারণ তারা জানে ডাকসু শক্তিশালী হলে তাদের পরিবারতন্ত্র বিলুপ্ত হতে পারে।
আজ নতুন রাজনৈতিক জোট ‘যুক্তফ্রন্ট’ জন্ম নিয়েছে, এরকম হাজার ফ্রন্ট জন্ম নিলেও লাভ হবে না যদি গাছের মূল শক্ত না হয়।
দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবখানেই স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে, ডাকসুর আন্দোলন সফল হলে সেক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে যাবে।
শাহবাগ আর শাপলা চত্বরে অনেক নেতাদের দেখলাম কিন্তু ডাকসুর আন্দোলনের পাশে কেন নেই আমাদের নেতারা নাকি দুই নেত্রীর সবুজ সংকেত নাই!!!
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



