
জেনারেল জিয়ার পরিচিতিঃ নিজের প্রাণ বাঁচাতে যুদ্ধে গিয়েছিলেন, দেশের জন্য নয়। "জেড ফোর্স" গঠন করেছিলেন পাকিস্তানীদের সহযোগিতা করতে। কিন্তু কামে লাগি নাই। যুদ্ধের পরে তৎকালীন সরকারকে বিরাট অঙ্কের টাকা ঘুষ দিয়ে "বীরউত্তম" খেতাব নিয়েছিলেন সরকারের সুযোগ সুবিধা ভোগ করার জন্য। কিন্তু তাদেও তিনি ক্ষান্ত হননি আওয়ামলীগ কর্মীদের দিয়ে তাদের নেতাকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করলেন। ক্ষমতা দখল করে একখানা আলাদ্দিনের চেরাগ পেলেন, এই চেরাগের দৈত্যর বিশাল গুন, আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বানিয়ে দেয় যে কাউকে, যা আজ অবধি বহমান আছে। তবে শর্ত হচ্ছে, তাকে জিয়ার সাথে কোন না কোন ভাবে জড়িত থাকতে হবে।
জিয়ার চেরাগের দৈত্যর কামের কিছু নমুনাঃ
খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া ১০০ কালো সুটকেস ভর্তি করে টাকা সেীদি আরবে পাঠিয়ে বিশাল মার্কেট বানিয়েছে, স্বাক্ষী স্বয়ং বিশ্ব থেকে সৎ মানুষ হিসাবে বিবেচিত আমাদের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু এখানেও জিয়া পরিবারের বাঁধা তাঁরা উকিল নোটিশ করেছে তাদের সম্পদ কোথায় তা প্রধানমন্ত্রীকে বলতে হবে, দেখা যাক প্রধানমন্ত্রী কি করেন, টাকা ফেরত এনে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগায় কিনা।
আরও কিছু নমুনা দেখিঃ
হলমার্ক কেলেঙ্কারির সাথে জড়িতরা, তাঁরা জিয়ার বাটপার ভাই-বোন।
শেয়ার বাজার লুটকারী সাদা দরবেশ, জিয়ার দরবেশ মুরব্বি।
বাংলাদেশ ব্যাংক লুটকারী ডাকাত দল, জিয়ার লুন্ঠন ভাই।
পাঁচ বছরে সম্পদ ২০০-৩০০ গুন বৃদ্ধি এম,পিরা, জিয়ার রাবিশ ভাই।
গুম গ্রুপ, জিয়ার নকশাঁল বাহিনী।
শিক্ষার মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেওয়া গোষ্টি, জিয়ার অশিক্ষিত ভাই।
এরকম বললে জিয়ার অনুসারীদের কর্মের লিষ্ট শেষ হবে না, কারণ বর্তমান দেশের সব সমস্যার মূলে জিয়ার চেরাগের দৈত্য।
কিন্তু একটা বিষয় জানতে পারিনি কখনও ৭৪ সালে নাকি বাংলাদেশে বিখ্যাত এক ব্যাংক ডাকাত ধরা পড়েছিল তিনি কি জিয়ার অনুসারী ছিলেন? কারণ তখনতো জিয়ার চেরাগ জন্ম হয় নাই।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




