
(ছবিটি আমি দুই বছর আগে আমার ম্যানেজার স্যারকে মেইল করে ২১শে এর শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম।)
১৯৫২ সালের ২৭ শে জানুয়ারী তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নাজিমউদ্দিন যখন পল্টনে ঘোষনা করলেন " উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা" তখনই মুলত বঞ্চিত প্রতিটি বাঙ্গালীর অন্তরে স্বাধীকার চেতনার জন্ম নেয়। বাঙ্গালীরা বুঝতে পারে ভিন্ন ভাষা, ভিন্ন সংস্কৃতি দুইটি ভূ-খন্ড কখনও একত্রে থাকা সম্ভব নয়। ১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রয়ারী ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে ছাত্ররা জানিয়ে দেয় অস্থিত্ব রক্ষার্থে আমরা আপোষহীন। পর্যায়ক্রমে ৬৯ এর গণ-আন্দোলন, ৭০ এর নির্বাচন, অবশেষে ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন একটি ভূ-খন্ড, সবুজে মুড়ানো সোনার বাংলাদেশ।
১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রয়ারী ভাষার জন্য রক্ত ঝরানো যে আন্দোলন তার শুরু হয়েছিল দেশ ভাগের আগেই, এদেশের সুনামধন্য বুদ্ধিজীবিদের মাধ্যমে। ১৯৪৭ সালের ০৩রা জুন যখন লর্ড মাউন্টব্যাটেন দেশ ভাগের কার্যক্রম শুরু করেন তখন বিভিন্ন পত্রিকায় বের হয় পাকিস্তানের নেতারা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার চিন্তা করছে। তখন বেশ কয়েকজন বাঙ্গালী মুসলিম বুদ্ধিজীবি এর বিরোধিতা করে পত্রিকায় প্রবন্ধ লিখেন। তাদের মধ্যে উল্লেযোগ্য ছিলেন--
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
ড. কাজী মোতাহার হোসেন
ড. মুহাম্মদ এনামুল হক
আবুল মনসুর আহমদ
আবদুল হক
ফররুখ আহমদ
আবুল হাশিম
বাংলা ভাষার পক্ষে প্রথম প্রবন্ধ লিখেছিলেন- আবদুল হক।
"বাংলা ভাষাবিষয়ক প্রস্তাব" শিরোনামে প্রথম লেখাটি "দৈনিক ইত্তেহাদ" এ ১৯৪৭ সালের ২২ ও ২৯ শে জুন দুই কিস্তিতে ছাপা হয়।
ফেব্রয়ারীর প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের এই কলম যোদ্ধাদের আমার বিনয়ী সালাম।
লেখাটির সুত্রগুলো হল--
০১. আওয়ামলীগের উত্থান পর্ব-১৯৪৮-১৯৭০
লেখক: মহিউদ্দিন আহমদ।
০২. ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন লেখকের কলাম।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




