
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, বিএনপি একটা বড় দল। তাদের ছাড়া সব দলের অংশগ্রহণ হয় কী করে? বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে না। তিনি (সিইসি) আশা প্রকাশ করেন, বছরের শেষে অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে।
তাঁর এই বক্তব্য বাস্তবসম্বত, তাঁর আশা ফেলে দেওয়া মত নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- সিইসি কি নিজে কোন উদ্যোগ নিবে বিএনপির দাবির বিষয়ে, সিইসি সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না, কিন্তু তাঁরা বিএনপির আরেক দাবি বিচারিক পাওয়ারে সেনা-বাহিনরি মোতায়ন সেটা করতে পারে যদিও সরকারের সহযোগিতা লাগবে। তবুও সিইসি চেষ্টা করলে সরকার দিতে বাধ্য।
একাদশ নির্বাচন কার্যক্রম শুরু হতে সম্ভত আর মাত্র ৮ মাসের মধ্যে বাকি আছে, এখনি উপযুক্ত সময় এই বিষয় একটা ফয়সালা করার, সরকার কোনভাবে চাচ্ছে না, বিএনপি ভালমত নির্বাচনে আসুক তাঁরা চাচ্ছে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মার্কা অংশগ্রহন। যেখানে গত ৫ই জানুয়ারীর মত আরেকটা ফ্রি ক্ষমতা নেওয়া যায়।
সিইসি কথার কথা না বলে এখনি যদি দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয় তাহলে আমার মনে হয় আওয়ামলীগ তাদের লাফালাফি কিছুটা কমিয়ে গনতন্ত্রের মূল রোডে ফিরবে।
আওয়ামলীগকে বুঝতে হবে- "উন্নয়নের গনতন্ত্র-শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র" এই স্লোগান ঠিক নয়। যদি তাঁরা বলত "সবার অংশগ্রহনে উন্নয়ন, জনগনের ভোটে ক্ষমতায়ন" তবেই তা সবার মাঝে গ্রহনযোগ্যতা পেত, দেশ গনতন্ত্রের মূল সড়কে উঠত।
এখন দেখার বিষয় এই সিইসি কি শুধু কথায় বিশ্বাসী নাকি কাজে বিশ্বাসী। ইতিহাস কি গড়বেন তিনি নাকি তার উত্তরসূরীর মত ---- মালা নিয়ে বিদায় নিবেন।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



