somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেই বার বেচে গিয়েছিলো ছেলেটি!!!!!!

১৬ ই মে, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছেলেটির জন্মই হয় নানুর বাড়িতে।
জন্মের পর ছেলেটি দেখতে অনেক সুন্দর ছিল।
পারার সবাই হুমরি করে আসে দেখতে।
কিন্তু ছেলেটির অসুখ লেগেই ছিল,
এমন অসুখে পরল ডাক্তার বলেছে না বাচার সম্বভনাই বেশি।
মা এই কথা শোনে মায়ের অবস্তা খারাপ হতে লাগল।
যেমন ছেলেটির ও খাওয়া দাওয়া নেই তেমনি নেই মায়ের ও,
রাতের পড় রাত তিনি ছেলেকে কোলে নিয়ে বসে কাটিয়েছেন।
সামান্য শব্দ হলেই ছেলে কেমন চমকে তাকাতো ।
মুঠি বন্ধ করে শরীর শক্ত করে ফেলত ।
কি দিন গিয়েছে !

একবার তো হঠাৎ নিঃশ্বাস বন্ধ ।
হাত পা সব নীল হয়ে গেল ।
সবই ছোটাছুটি শুরু করে দিল ।
মায়ের শরীর কাঁপতে লাগল।
তিনি তাড়াতাড়ি ছেলেকে নানুর
কোলে দিয়ে অজু করে জায়নামাজে গেলেন।
ছেলেরজীবন রক্ষার জন্য আল্লাহ্র
কাছে প্রার্থনা করলেন – “হে পরোয়ার
দেগার, আমি তোমার কাছে কিছুই চাইনা ।
ধন না, সম্পদ না, সুখ না, শান্তি না ।
আমি শুধু আমার ছেলের জীবন তোমার
কাছে ভিক্ষা চাই ।”
ছেলের প্রান ভিক্ষার জন্য হজরত শাহজালাল মাজারে মানত করলেন।

নামাজে দাঁড়িয়ে তাঁর কাছে মনে হল শিশু
যখন তাঁর মায়ের কোলে থাকে তখন
আজরাইল তার জান কবচ করতে পারে না ।
আজরাইলকে নিষেধ করা আছে সে যেন কোন
মা’র কোল থেকে শিশুর জীবন ছিনিয়ে না নেয় ।
যে কারনে মা’র কোলে থাকা অবস্থায় কখনো
কোন শিশুর মৃত্যু হয় না ।
মা যখন মনের ভুলে বা অন্য কোন
কারনে তার অসুস্থ শিশুকে অন্যের
কাছে ক্ষণিকের জন্য দেন সেই সময়
আজরাইল টুক করে তার জান
নিয়ে ছুটে চলে যায় ।

এই কথা মনে হওয়ামাত্র মা নামাজ
ছেড়ে ছেলের কাছে ছুটে গেলেন ।
ছেলের নানুর কাছ
থেকে ছেলেকে প্রায়
ছিনিয়ে নিয়ে নিলেন ।

সেবার আজরাইলকে বিফল মনোরথ
নিয়ে ফিরে যেতে হয়েছিল ।
আল্লাহ্ পাক দুঃখিনী মায়ের আর্তনাদ শোনেছিলেন বলে আজ আব্দি ও সেই ছেলেটি বেচে আছে।

ফের যখন আজরাইল আবার আসবে তখন ছেলেটি কে কেউ আর ধরে রাখতে পারবে না।
কারন আজরাইল আগেই তার ধরে রাখার প্রিয় মানুষটা কে নিয়ে গেছে.......

প্রিয় সেই মানুষ্টা দূরে চলে যাওয়ার পর থেকেই
এখন সে বদলে গেছে পুরোটা বদলেগেছে...

এখন কেউ আর তার একফোঁটা চোখের জল ফেলে
এইরকম আর্তনাদ করে না....
:-)

ধুলো পরা ডায়েরীর একাংশ :-)
৫টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

"রিকন্সিলিয়েশান"....ইহা কি খায় নাকি মাথায় দেয়?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০০



সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিদায় নানা পাটেকার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৫৭



৯০ দশকের শুরুর দিকের কথা, সারা দিনের ক্লান্তি নিয়ে যখন বাসভবনে ফিরেছি, রুটিন মাফিক গোসল খাওয়া দাওয়া করে ঘুমোবো কিন্তু টিভি অন করে দেখি একটি সিনেমা শুরু হচ্ছে -... ...বাকিটুকু পড়ুন

×