একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশে অনেক বিনোদনমূলক টিভি চ্যানেল থাকলেও, জনপ্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে বেশকিছু ভিনদেশী টিভি চ্যানেল। ভিনদেশী চ্যানেলগুলোর জনপ্রিয়তার পেছনে সবচেয়ে বড় যে কারণটি বারবার উঠে আসছে সবার মুখ থেকেই সেটি হচ্ছে বিজ্ঞাপন।

বাংলাদেশি চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপন। "বাংলাদেশের চ্যানেলগুলোতে এখন অনেকটা এমন দাড়িয়েছে যে, বিজ্ঞাপনের ফাঁকে ফাঁকে নাটক দেখানো হয়।" বাংলাদেশে যে হারে যে হারে নাটক তৈরি হচ্ছে, সে হারে অভিনেতা বা কলাকুশলী তৈরি হয়নি।


আগে বিটিভি ই ছিল একমাত্র চ্যানেল যা ঈদে বিশেষ নাটক, বিভিন্ন বিনোদনধর্মী অনুষ্ঠান ও ছায়াছবি দিত। অপেক্ষমাণ সেগুলা অনেক আকর্ষিত করত। পোশাক-আশাক, আচার-আচরণ, ভাষা, মূল কাহিনী, পারিবারিক দৃশ্যপট, সামাজিকতা ইত্যাদি কে প্রাধান্য দিয়ে সুসংগত ভাবে একেক টা প্রোগ্রাম তৈরি করা হত।

তবে বাংলাদেশি এত চ্যানেলের ভিড়ে, এত নাটকের ভিড়ে সিরিয়াল/নাটকের এতটা জনপ্রিয় না হবার কারন গুলোর মধ্যে রয়েছে নাটক নির্মাণে বাজেটের অভাব, হঠাৎ করেই টেলিভিশন নাটকের যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, সেটি যোগান দেবার মতো অবকাঠামো তৈরি হয়নি, কম বিনিয়োগে বেশি নাটক তৈরি করা। চ্যানেল বাড়ার ফলে নাটকের যে চাহিদা তৈরি হয়েছে, সেটি পূরণ করতে গিয়ে যেনতেন জিনিস তৈরি হচ্ছে। অধিকাংশ নাটকগুলো হচ্ছে কমেডি নামক ভাঁড়ামি ঘরনার।

মেয়েদের বেশভূষা, অঙ্গীভঙ্গি একদম বাজে ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। পারিবারিক বিষয় গুলাতে অশান্তি, কলহ আর প্রেম ভালবাসার লেজ লাগানো থাকে। প্রেম-ভালবাসা ছাড়া কোনো নাটক ই হচ্ছেনা। নাটকগুলোর ভাষা বলতে বরিশাল, নোয়াখালী আর পুরান ঢাকার আঞ্চলিক ভাষার ব্যাবহার করা হচ্ছে।



জন্মনিয়ন্ত্রক পিল, ন্যাপকিন আর জন্মনিয়ন্ত্রক সামগ্রির বিজ্ঞাপন এমন ভাবে দেওয়া হচ্ছে যেন আমাদের দেশের প্রধান সমস্যা নারীদের বয়ঃসন্ধি কাল আর জন্মনিয়ন্ত্রন।

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুলাই, ২০১৫ দুপুর ২:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




