

মৃত দিয়ার পিতা সকাল থেকেই কেঁদে চলেছেন সেই স্থানে বসে যেখানে তার মেয়েকে বাস চাপা দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল।

দিয়া ও করিমের হত্যাকারী পরিবহন জাবালে নূর গতকাল দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের বিমানবন্দর সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। আবদুল্লাহপুর থেকে মোহাম্মদপুর রুটে চলাচলকারী জাবালে নূর পরিবহন লিমিটেডের মালিক সম্পর্কে মন্ত্রীর সালা হন। মন্ত্রীর নিজেও পরিবহণ রয়েছে এবং তিনি একই সাথে পরিবহণ মালিক ও শ্রমিকদের নেতা! নিজে নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী হলেও সড়কের পরিবহণের নিয়ন্ত্রণও তার হাতেই! বলা চলে সরকারের দায়িত্বশীল পরিবহণ খাতে নৈরাজ্যের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। কিছু দিন পূর্বে যখন তারেক মাসুদ এবং মিশুক মুনিরের হত্যার জন্য আদালত রায় দিয়েছিল চালকের বিরুদ্ধে তখন মন্ত্রীর বাসা থেকেই পরিবহণ শ্রমিক আন্দোলন শুরু করেছিলেন।
গত কাল যখন বাসের চাপায় মৃত্যুর জন্য মন্ত্রিকে প্রশ্ন করে সাংবাদিকরা তখন মন্ত্রী হেসেই খুন! কতগুলো বাচ্চা ছেলে মেয়ে আহত হয়েছে কয়েকজন মারা গিয়েছে অথচ মন্ত্রীর মুখের হাসি থামে না! মন্ত্রী বরং সাংবাদিকদের জ্ঞান দিচ্ছেন যে এধরনের বাস চাপার ঘটনা কিছুই না! পাশের দেশ ইন্ডিয়াতে আরও অনেক মানুষ মারা যায় সে হিসেবে আমাদের দেশে কম মানুষ মারা গিয়েছে, আরও কিছু মরলে হয়ত মন্ত্রী গর্ব করে বলতে পারতেন যাত্রা পথে মৃত্যুর দিক থেকে বাংলাদেশ এখন ইন্ডিয়ার সমান! আসলেই কতটা গর্বের বিষয় ভেবে দেখুন তো!



সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


