পঞ্চম শ্রেণিতে সফলতা ব্যর্থতার মাপকাঠি জুড়ে দেবার বিপক্ষে আমি। এটি শিশু মনে সফলতায় যতটা না উৎসাহিত করে, সর্বোচ্চ ফল অর্থাৎ এপ্লাস না পাবার ব্যর্থতায় তার চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট দেয়। এতটুকো বয়েসে একটা এপ্লাস না পাওয়া পঞ্চম শ্রেণির শিশুকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় যে সে ব্যর্থ! আত্মঘাতী ব্যাপার।
খুঁজে দেখেন, যে শিশুরা এপ্লাস পায়নি কিন্তু ৪.৫০ কিংবা তার থেকেও বেশি ফল করেছে তাদের পরিবারের সদস্যরাও এটিকে সুখবর ভেবে সোশ্যাল মিডিয়াতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেনি। উলটো এটিকে খারাপ ফল ভেবে, খারাপ ফল বানিয়ে তা প্রকাশ করা থেকে বিরত থেকেছে। এমন একটা ভাব করে চুপ থেকেছে যেন তারা এ ব্যাপারে লজ্জিত । আসলে আমরা রেজাল্টের ফাঁদে পড়েছি। আর কোমলমতি শিশুদেরকেও সেই ফাঁদে আটকে ফেলতে চাচ্ছি।
তার চেয়ে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত এত কঠিন কঠিন পড়াশোনাই উঠিয়ে দেওয়া উচিত। প্রাথমিক শিক্ষাটি এখন প্রতিযোগিতার শিক্ষা হয়ে গেছে। প্রাথমিক শিক্ষা হইবার কথা ছিল আনন্দ নিয়ে শিক্ষা কিন্তু সেটি এখন হয়ে গেছে ভয় আর বেদনা পাইবার শিক্ষা। প্রতিযোগিতা বিহীন প্রাথমিক শিক্ষা চাই। কঠিন কঠিন পরীক্ষা বিহীন প্রাথমিক শিক্ষা চাই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




