
"আপনার চুলগুলা কি লাগানো? কেমন যেন!" - আমার বড় বড় চুল দেখে এমনই প্রশ্ন করে বসেছিলো ছোট্ট এনায়েতউল্লাহ। বয়স ৮-৯ হবে। ছেলেটির এমন প্রশ্ন শুনে আগ্রহী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তার বাবা কোথায়? তখন তার পিছনে বসে থাকা নূর কায়েদা জানায় যে তাদের দুজনের বাবাই গত ঝড়ের সময়ে 'দইজ্জা'-তে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। মনটা একটু খারাপ হয়ে গেলো। ওদেরকে নিয়ে সাগরের পাড়ে বসলাম।
গিয়েছিলাম কক্সবাজার। আমার ভাতিজীর বৌভাতে। দ্বিতীয় দিন একটু ফাঁক পেয়ে চলে গেলাম হিমছড়ি, অটো ভাড়া করে। যাওয়া-আসা ৩০০ টাকা চুক্তি। হিমছড়িতেই দেখা হয়ে গেলো এই ৩টি ছেলে-মেয়ের সাথে। মেয়ে দুটোর নাম- নূর কায়েদা এবং মুক্তা আক্তার। আর, ছেলেটির নাম এনায়েতউল্লাহ। তারা সবাই মক্তবে পড়ে।.... হিমছড়ির পাহাড়ের ঐ মক্তবে পড়া এই ছেলে-মেয়েগ্যুলো আমাকে সূরা পড়ে শোনায়।.....এরপরে, আমরা এই চারজনে মিলে এনায়েতউল্লাহর নেতৃত্বে সবার বাবা-মা'র জন্যে খোদাতায়ালার কাছে হাত তুলি।
আজ দুপুরে ফিরে এসেছি ঢাকাতে। এসে ব্লগে ঢুকেই দেখি আমার ব্লগ পেইজের ভিউ ৩ লক্ষ ছাড়িয়েছে! সবার কাছে দোয়ার অনুরোধ থাকলো!
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০২৩ বিকাল ৫:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


