
তুমি এসেছিলে আমাদের বাসায়
আমি ছিলাম ঘুমিয়ে রোজায় ।
শিরিন - সোহানার নতুন সাথী খেলার ,
ছিলো না সে কোন মেয়ে মহাজনার।
তোমার আসল নাম কি শিরিন? জানি না।
আমি জিজ্ঞাসাও করিনি, শুনছিলাম গানা।
আমার স্ত্রী বললেন - সে বুয়ার মেয়ে,
আমি নিষ্পাপ হয়ে রইলাম চেয়ে!
অবহেলিত একটি মুখ,
কেঁপে উঠলো আমার বুক।
মা তার করছিলো কাজ,
শিরিনের মুখ চিন্তায় ভাজ।
কি ভাবছিলে, তুমি শিরিন?
মুখে হাসি নিয়ে ভেবেছি সারা দিন।
কেমন লেগেছিলো মা-কে কাজে দেখে?
কি করে ইফতার করলে মাটিতে বসে থেকে?
আমরা ছিলাম চেয়ারে বসে,
৪ বছরের সোহানা বসেছিলো পাশ ঘেঁষে।
শিরিন কি ভেবেছিলো সে বসবে মাটিতে?
তার মায়ের পাঁশ ঘেঁষে চিকন পাটিতে?
সোহানা তুমি কত ভাগ্যবতী,
শিরিনের বান্ধবী হলে হবে না কোন ক্ষতি।
বস্তিতে থাকা শিরিন, যদিবা আসে আবার,
একসাথে বসে খাবে খাবার।
===========
ডঃ এম এ আলী ভাইয়ের বস্তিবাসী অগ্নিকন্যা কবিতাটি পড়ছিলাম। তখন মনে পড়ে গেলো, আমাদের কাজের বুয়ার মেয়ের কথা। ছোট্ট মেয়েটির কি নাম আমি জিজ্ঞাসা করি নাই। তবে, সে যে এম এ আলী ভাইয়ের কবিতার 'শিরিন' তা আমি ঠিক বুঝতে পেরেছি। আমার দিকে তাকিয়ে ছোট্ট মেয়েটি হাসছিলো। কি সুন্দর নিষ্পাপ সেই হাসি!
এরকম কত শিরিন আমাদের শহরাঞ্চলের বস্তিগুলোতে ছড়িয়ে আছে!
আমি জানি একদন আলো উঠবেই!
==========================================================================
ডঃ এম আলী ভাইয়ের 'অগ্নিকন্যা শিরিন' কবিতা নিয়ে গানটি বানিয়েছি - Click This Link
==========================================================================
নিজের কাছে প্রতিজ্ঞা করছি, যত দিন এরকম শিরিনদের জন্যে একটি 'অভয়ারণ্য' না বানাতে পারছি, ততো দিন পর্যন্ত কোন ধর্মীয় পোস্ট দিবো না।
==========================================================================
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




