
আমি ফুটপাত থেকে জিনিস কিনি না একটি বিশেষ কারণে। যদি কিনি, যাঁদের জন্যে ফুটপাত ছাড়া উপায় নেই, তাঁদের ভাগে কম পড়ে যাবে। এছাড়াও, আমার মতো মানুষ ফুটপাত্ থেকে কিনলে ঐগুলোর দাম বেড়ে যেতে পারে। ফলে, ফুটপাতের আসল ভোক্তাদের অসুবিধা হবে।
২০২৫ সালে যখন ওমরাহ-তে যাই, তখন খুব শখ করে একটি ঘড়ি কিনেছিলাম। আমার সংগ্রহে এরকম দামী কিছু ঘড়ি জমা হয়েছে। প্রত্যেকটির পিছনে রয়েছে একেকটি অমূল্য স্মৃতি। কিছু দিন আগে একটা প্রকল্পে ফান্ড রাইজ করার জন্যে উপরের ঘড়িটি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। শেসে, আমার আমার মন আমাকে বললো, ওমরাহের স্মৃতি রক্ষার্থে রেখে দাও! তাই, রেখে দিয়েছি ঘড়িটি।
নিজের এই নীতির কারণে, আজ থেকে কয়েক বছর আগে আমি নীলক্ষেত থেকে বই কেনা ছেড়ে দেই। পাইরেটেড কোন জিনিস কেনার অর্থ সেই জিনিসের আসল মালিকের হক কেড়ে নেওয়া। বিদেশে থাকতে দেখেছি, পশ্চিমারা এই ব্যাপারে খুবই সাবধান। সেজন্যেই হয়তো খোদা তাঁদেরকে এতো উপরে উঠিয়েছেন! তাঁরা বিদ্যার দাম দিতে পারে। ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটসকে তাঁরা যেভাবে মর্যাদা দেয়, তা শ্রদ্ধা করার মতো!
প্রিয় শিল্পী এস, এম, সুলতানের আরেকটি পেইন্টিং আমার সংগ্রহে এসেছে। তিনজন গ্রাম্য মহিলার বুকখোলা ছবি। আম্মা হজ্জ থেকে ফেরার পরে কি করবেন খোদাই ভালো বলতে পারবেন। আমার বিবিজান পেইন্টিঙটি দেখে খুব মজা পেয়েছেন। আমিও মাঝে মাঝে মুচকি হাসি। থাক না সেটি ঝুলানো অবস্থায়, কিছুদিনের জন্যে হলেও!
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




