somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, ভালোবাসাই যথেষ্ট

২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



চীনের লিংশান পর্বতে শুয়ে আছেন ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর দুই সাহাবী সা-কে-জু (Sa-Ke-Zu) এবং
উউ-কো-শুন (Wu-Ko-Shun)। এই নামেই তাঁদের চিনতো স্থানীয় চীনবাসীরা। অবাক হতে হয়, আরব থেকে আসা নবীজির সাহাবীরা নিজেদের মাতৃভূমি ছেড়ে এতো দূর চলে আসলেন কীভাবে! তাঁরা তো নিজেদের নামে পরিচিত হতে পারতেন! নিজেদের মাতৃভূমি ছেড়ে এতো দূরে থেকে যাওয়াটা কতো জন পারেন? আমি তো পারি নাই। তাই, যতো বার ভাবি, ততবার অবাক হই, ইসলামের পতাকা যখন পুরো আরবে উড্ডীন, যখন নিজ দেশে বসে মুসলমানদের সুখ করার কথা, তখন কীভাবে এতো দূর চলে আসেন এই সাহাবীরা!

কথিত আছে, এই সাহাবী দু'জন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর মামা সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর সাথে সুদূর চীনে গিয়েছিলেন। জন্মভূমির মায়ার টান উপেক্ষা করে থেকে গিয়েছিলেন সেই বিদেশ-বিভূইয়ে, ইসলাম প্রচারের গুরুভার বহনের তাগিদে।

আরব্য দেশ থেকে এসে তাঁরা কি কখনো চায়নিজ ভাষায় কথা বলেছিলেন? চায়নিজ ভাষায় কোরআনের আয়াত অনুবাদ করে ইসলামের বানী ছড়িয়েছিলেন? তাঁরা কি চীনাদের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন ইসলামের দাওয়াত দিতে গিয়ে? ইতিহাসে সেরকম কোন যুদ্ধের তো হদিস পাওয়া যায় না!

যদি তাঁরা ঘৃণা ছাড়াতেন, এতো বছর পরও বিদেশ বিভুয়ে তাঁদের কবর টিকে থাকতে পারতো না। যতো দূর শোনা যায়, চীনের সেই রাজ্যের মেহমান হয়ে চীনের জনগণকে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছিলেন। তাঁদের দায়িত্ব জ্ঞান আর ব্যবহার দেখেই চীনের মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।

এই সাহাবী আজমাইনরাই প্রমাণ করেছিলেন, ইসলামের দাওয়াত অন্যদের কাছে পৌঁছাতে যুদ্ধের প্রয়োজন হয় না, মনের মাঝে একত্ববাদের আলো, নবীজি'র অনুসরণ, আহলে বায়াতদের প্রতি ভালোবাসা আর মানুষের প্রতি কর্তব্যনিষ্ঠাই যথেষ্ট।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৮
৭টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালো লাগে

লিখেছেন আরমান আরজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৮

এরা কারা, কী এদের পরিচয়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২১ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:৪৮


যা আশঙ্কা করা হয়েছিল, ঠিক তাই ঘটছে। ‘আজাদ পার্টি’ নামের একটি নতুন ভূঁইফোড় রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে গতকাল ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে যে মিছিল এবং ঘেরাও কর্মসূচি করা হলো, তা কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেউ পুড়বে আর কেউ পোড়াবে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

অনেকদিন নিশ্চুপ আছি কিছুদিনের অপেক্ষায়;
কেউ কেউ বলে কিছুদিন নাকি হারিয়ে গেছে,
অনেকদিনের গর্ভে তাই মেলাতে সরল গণিত।
কিছুদিনের অপেক্ষায় অপেক্ষায়-
ছেটে দিয়েছি কথামালার ডালপালা।
বসে বসে মেলাই কাণ্ডহীন বৃক্ষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫০১ নাম্বার রুম কি বিজয় নাকি লাম্পট্যর সাক্ষী।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২১ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:২৮





মাওলানা মামুনুল হক নামের হেফাজত ইসলামের এক নেতা তার ফেসবুক ওয়ালে দীর্ঘ একটি পোস্ট লিখেছেন। তার এই পোস্টটি এক অদ্ভুত রসাত্মক ট্র্যাজেডি।

লেখাটি পড়লে মনে হয়, তিনি... ...বাকিটুকু পড়ুন

Good governance starts with respecting public money....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২১ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



Good governance starts with respecting public money....

গত দুই দশক রাষ্ট্রীয় সফর মানেই ছিল বিশাল বহর, শত শত সঙ্গী, অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক আর জনগণের টাকায় এক শ্রেণির মানুষের বিদেশ ভ্রমণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×