১) "দ্বীনের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদেরকে নিজ দেশ থেকে বের করে দেয়নি, তাদের প্রতি সদয় আচরণ ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেননি। নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।"
(সূরা আল-মুমতাহিনাহ, আয়াত ৮)
২) "দ্বীন (ধর্ম) নিয়ে কোনো জবরদস্তি বা বাধ্যবাধকতা নেই। সত্য পথ ভ্রান্ত পথ থেকে সুস্পষ্ট হয়ে গেছে।"
(সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ২৫৬)
৩) "আর তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদের ডাকে, তোমরা তাদের গালি দিও না। কেননা, তারা সীমালংঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকেও গালি দেবে। এভাবেই আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে তাদের কার্যকলাপ সুশোভিত করেছি। অতঃপর তাদের প্রত্যাবর্তন তাদের রবের কাছেই, তখন তিনি তাদের বলে দেবেন তারা কী করত।" (সূরা আল-আন'আম, আয়াত ১০৮)
৪) "নিশ্চয় যারা মুমিন, আর যারা ইহুদি, খ্রিষ্টান ও সাবেঈ; যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে এবং সৎকর্ম করে, তাদের জন্য তাদের রবের কাছে রয়েছে তাদের পুরস্কার এবং তাদের কোনো ভয় নেই, তারা চিন্তিতও হবে না।"
(সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ৬২)
৫) "আল্লাহ যদি মানবজাতিকে একে অপরের দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তবে মঠ, গির্জা, ইহুদি উপাসনালয় (সিনাগগ) এবং মসজিদসমূহ, যেখানে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা হয়, বিধ্বস্ত হয়ে যেত।" (সূরা আল-হাজ্ব, ২২:৪০)
এইবারে কিছু হাদিস দিচ্ছি -
১) "যে ব্যক্তি কোনো জিম্মি (ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাসকারী অমুসলিম নাগরিক)কে কষ্ট দেয়, সে আমাকে কষ্ট দেয়।"
(মুসনাদে আহমদ)
২) "তোমরা পৃথিবীর মানুষের প্রতি দয়া করো, তাহলে আকাশের মালিক (আল্লাহ) তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।"
(আবু দাউদ ও তিরমিজি)
৩) ‘যারা মানুষকে সাম্প্রদায়িকতার দিকে ডাকে, সাম্প্রদায়িকতার জন্য যুদ্ধ করে, সংগ্রাম করে এবং জীবন উৎসর্গ করে তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।’ -সুনানে আবু দাউদ : ৫১২৩
৪) ‘কোনো মুসলমান যদি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ক্ষুন্ন করে কিংবা তাদের ওপর জুলুম করে, তবে কেয়ামতের দিন আমি মুহাম্মদ ওই মুসলমানের বিরুদ্ধে আল্লাহর আদালতে লড়াই করব।’ –সুনানে আবু দাউদ : ৩০৫২
৫) ‘অন্যায়ভাবে কোনো অমুসলিমকে হত্যাকারী জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। অথচ চল্লিশ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেই ওই ঘ্রাণ পাওয়া যাবে।’ –সহিহ বোখারি : ৩১৬৬
৬) ‘যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করবে আল্লাহতায়ালা তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।’ -সুনানে নাসাঈ : ৪৭৪৭
সালফে সালেহীনদের নির্দেশনা-
১) ‘যুদ্ধকালীন সময়ে বা যুদ্ধের পর কোনো মন্দির-গীর্জা-উপাসনালয় ভেঙে ফেলবে না।’ -মুসান্নাফ আবি শায়বা : ৩৩৮০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


