"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান, মাল ও ইজ্জত তোমার চেয়েও অধিক সম্মানিত।"(সুনান ইবনে মাজাহ: ৩৯৩২, তিরমিজি)
হাদিসটি পড়তে পড়তে চোখে পানি বেড়িয়ে এলো। মনে পড়ে গেলো, আমাদের দেশে একজন মুমিনের রক্ত আরেকজন মুমিনের হাতে কতই না ফেলনা, কতই না নগণ্য, কতই না তুচ্ছ হয় উঠেছে!
প্রতিটি মানুষই ভালো ও খারাপ কাজ করতে পারে। করেও তাই! শেখা হাসিনা ও তাঁর সভাসদবৃন্দ ভুলের ঊর্ধ্বে ছিলেন না। তাঁরা দেশের জন্য অনেক ভালো কাজ করেছেন। দেশের মানুষ তাঁদের কাজের কারণেই পদ্মা ব্রিজ পেয়েছেন, পেয়েছেন মেট্রো রেল, একটি আলাদা আইডেন্টিটি। কিন্তু, এর বিনিময়মূল্য হিসেবে কয়েক শত তাজা প্রাণ কেউ কেড়ে নিতে পারে না।
কিন্তু, বাস্তব সত্য হচ্ছে, আমাদের দেশের আগের রাজনৈতিক সরকার নিজ দেশের তরুণ-যুবাদের 'হানাদারদের দোসর' আখ্যা দিয়ে কয়েক লক্ষ বাংলাদেশির প্রাণকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছিলেন, হাত রাঙ্গিয়েছিলেন পাঁচশত মণিমাণিক্যসম তরুণ-যুবার রক্তে।
এই অত্যাচারের শেষ কোথায়? কোনদিন শাসকবর্গের হাতে অত্যাচারীত মানবতার দীর্ঘ নিঃশ্বাস শেষ হবে? শেষ একমাত্র হতে পারে, যদি শেখ হাসিনা ও তাঁর সভাসদবৃন্দ ক্ষমা চান নিজেদের ভুল বুঝার জন্যে, নিজেদের কৃতকর্মের জন্যে। একমাত্র ক্ষমা প্রার্থনাই পারে নতুন আলো দেখাতে।
আপনি সেই সাহস করতে পারবেন কি, মাননীয়া বঙ্গবন্ধুর কন্যা?
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


